TR copy জমা দান এর জন্য
SFC(Navy) তে tr copy জমা দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
SFC(Navy) তে tr copy জমা দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে
ঢাকা এসএফসি যেইকোন বিল পাস বা বিল সংক্রান্ত কাজে ১০% ঘুষ দাবি করে। না দিলে বিল নিয়ে হয়রানি করে, বিল আটকিয়ে রাখে। এই অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে এরিয়া ফাইনেন্স অফিসার পযন্ত ঘুষ নেয়।
বেতনের জন্য Ibas++ এর অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট এর বকেয়া টাকা তোলার জন্য। বিভিন্ন বিল এর ৫% কাটে
চট্টগ্রাম এএফসি নেভী এখানে যেকোন বিল সংক্রান্ত কাজে তাদেরকে ১০% ঘুষ দিতে হয়। না হলে বিল দেয় না।
প্রতিরক্ষা বাহিনী ও তার অধিন সকল প্রতিষ্ঠানে অডিট করে। উচ্চপর্যায়ের কমকর্তাদের সাথে মিলে টাকা হাতিয়ে নেয় এবং চাকরির দেয়ায় জন্য বাধ্য করে।
বেতন উত্তোলনের জন্য আইবাস একাউন্ট খুলতে গেলে অর্থ দাবী করা হয়। অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে। উপায়ান্তর না দেখে পরবর্তীতে ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই
মৃত্যুর পর সরকারি পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে বারবার ঘুষের দাবির মুখে পড়তে হয়েছিল
সরকারি চাকুরী। বদলী হলেই এলপিসি লাগে। এজি অফিসে টাকা না দিলে এলপিসি ফরওয়ার্ড হয় না৷ এমনকি দপ্তর প্রধান বলে দেওয়ার পরও কাজ হয় নি৷ অবশেষে ২০০০ টাকা দিলাম। কাজ জলের মত হয়ে গেল।
আমাকে বলা হয়েছিল, সুন্দরগঞ্জে FPI থাকা কালে আমার বাবা বেশি টাকা নিয়েছিলেন যে কারণে আমার বাবার টাকা মার নামে করতে ৮০০০০ টাকা দিতে হবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস খরচ ও জামাতের এমপি প্রার্থীর সুপারিশ লাগবে। ওনারা হিসাব ঠিক করে মার নামে টাকা তোলার ব্যবস্থা করে দেবেন। সর্বশেষ ১০,০০০ টাকায় কাজটি করে দেন। আমার বাবা মারা যাওয়ার ৬-৭ মাস আমরা তার পেনশনের টাকা উঠাই নি। এর ফলে ওরা সে সুযোগটা নিতে চেয়েছিল।
টি/এ বিল,বেতন বিল,অন্যান্য বিল সঙক্রান্ত সেবা নিতে গেলে সিগেরেটের প্যাকেট কিনে দিতে হয়,কেউ কেউ টাকা ছাড়া কাজ করে না,ঘূষ দিতে হয় যত টাকার বিল করা হবে,সেই টাকার উপর শতকরা হিসেবে ।
বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ের নামে পেনশন পরিবর্তনের জন্য সকল কাগজপত্র, ফর্ম পূরণ থেকে শুরু করে সকল কাজ করার পর ও দীর্ঘদিন আমার ফাইলটি আটকে রাখা হয় পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে।।। আমি নিরূপায় হয়ে তা পরিশোধ করি ।
চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ১০ বছরের পাওনা জিপিএফ উঠানোর জন্য ২৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ছি।
যে কোন বিল পাশ করতে হলে ট্রেজারী অফিসে ৫% দিতে হবে বিলের। নাহলে বিল পাশ হবে না। চাকরিতে জয়েন করার পর থেকেই দেখছি এই নিয়ম চলে আসছে।শুধু আমাদের অফিস ৫% দেয় এমন না, সকল অফিস বিল পাশের জন্য ৫% দেয়।
আমার আব্বা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর আমার মা মাসিক পেনশন পান। আব্বা মারা যাওয়ার ২ বছর মায়ের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় বিধি মোতাবেক চিকিৎসাভাতা ২,৫০০/- টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস পেনশন আটকে রেখে ১০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে। শেষে ২,৫০০/- টাকায় রফা হয়। ঘুষ পরিশোধ করার পর সব ফক ফকা, কোনো সমস্যা নেই আর।
আমি তদন্ত বিল সাবমিট করার পর অ্যাকাউন্ট জেনারেল অফিসে গিয়েছিলাম সেটা পাস করানোর জন্য। প্রায় ২.৫ লাখ বিল এর জন্য ৩০০০ টাকা দিয়ে বিল পাস করাতে হয়েছে।
নতুন চাকুরিতে যোগদান করার পর বেতন তোলার জন্য প্রথমে এজি অফিসে পে ফিক্সেশন করতে হয় । এটা খুবই বিরক্তকর এবং হয়রানিমূলক প্রসেস। পে ফিক্সেশন করতে হিসাব সংরক্ষন অফিস এর অডিটর চা নাস্তা খাওয়ার জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে আমার অফিস প্রধান ও দিতে বলেন উপায় না তারা নাকি এটা নিয়ে থাকেন। শুরুতেই খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা। এজি অফিস খুব বিরক্তিকর জায়গা।
কোন TA/DA বিল এবং ওভার টাইম বিল সহ যে কেন বিল পাশ করাতে হলে SFC মীরপুর কে ১% টাকা দিতে হয় না হলে কেন বিল পাশ হয় না,, এটা থেকে প্রতিকার চাচ্ছি। এটা রেগুলার।।
maa pensions er taka jonno ghus cheyechilo. pension er kostei amar maa mara jay.
অত্র উপজেলার উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর সাহেব বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের জন্য প্রতি বরাদ্দ থেকে ৪% পিসি আদায় করেন ।
টাকা দাবি করেছে আমার কাছে