সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬১৯ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১১.০ হাজার

পেনশনের কাজ

পেনশনের কাজে 1% ঘুসছাড়া কেউ ফাইল অনুমোদন করাতে পারে না। ১১ লক্ষ টাকায় ১১০০০ টাকা ঘুস লেগেছে।

পটুয়াখালী, বরিশাল ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

সরকারি অফিসের বাজেটের অর্থছাড়

আমার অফিসের বাজেটের অর্থছাড় করতে চিঠি নিয়ে CGA অফিসে গিয়েছিলাম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে দায়িত্বে থাকা কম্পিউটার অপারেটর ৫০০০ টাকা ফাইল তুলতে লাগবে বলে জানিয়েছে। এই হারামিরা হয়রানি করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা লুটে নিচ্ছে। এদের কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন চাই।

ঢাকা, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৮.০ হাজার

Bokeya beton bill

Bokeya beton bill joma deoar por upazila hishab rokkhon office theke bola hoy bokeya bill dite gele 8,000 taka dite hobe... amar total bill chilo 64,624 taka.. Bandar upazila hishab rokkhon office ghush er taka chara 1 ta kaj o hoy na... 1 tao na...

Bandar, Narayanganj, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

জন্ম নিবন্ধন

সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১নং বাঘা ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর —ের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন প্রদানে অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। টাকা ছাড়া ফাইল না ছাড়া এবং ভুক্তভোগীদের নানা অজুহাতে হয়রানি করার পাশাপাশি এবার অন্যের এলাকা বা ভিন্ন ইউনিয়ন থেকে জন্ম নিবন্ধন করিয়ে এনে সিল-স্বक्षर জালিয়াতির মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ​অনিয়ম ও হয়রানির নিত্যদিনের চিত্র ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর — নিয়মিত অফিসে আসেন দুপুর ১২টার দিকে। অফিসে পৌঁছানোর পর থেকেই সাধারণ সেবা প্রার্থীদের বিভিন্ন অজুহাতে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জন্ম নিবন্ধনের মতো

গ্রাম, সিলেট ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৩.০ হাজার

সরকারি অফিস এর কনটেনজিন্সি বিল উত্তোলন

এটা একটা রেগুলার প্রাকটিস । অফিস এর বিল করলে নিয়ম মাফিক ভ্যাট, ট্যাক্স কর্তন করার পর যে টাকা অফিস পাবে তার থেকে ৪-৫% টাকা এজি অফিস অবশ্যই রেখে দিবে। আর না দিলে সেই বিলে নানা রকম আপত্তি দিবে।

ঢাকা, ঢাকা ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.৫ হাজার

নতুন চাকরি পাইলে হিসাব খুলতে টাকা, যে কোন ধরনের বিল নিয়ে গেলেই টাকা ছাড়া কাজ হয় না

প্রতিটা বিল বা হিসাবের সর্বো নিম্ন ৫% ঘুষ না দিলে তারা ফাইল টা ওঠাই না। আক্কেলপুর হিসাব রক্ষণ অফিস যেন ঘুষের একটা কারখানায় পরিণত হয়েছে। অফিসের সকল কমকর্তা যেন ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝেন না। ঠিকানা: আক্কেলপুর থানা, জয়পুরহাট জেলা।

আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, রাজশাহী ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

নব যোগদানকৃত সরকারি চাকুরিজীবীর বেতন চালু, টিএ-ডিএ বিল অনুমোদন ও অন্যান্য বিল অনুমোদন

নবযোগদানকৃত সরকারি চাকরিতে বেতন চালুর জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। সরকারি ভ্রমণ সংক্রান্ত টিএ-ডিএ অনুমোদনের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। শ্রান্তি-বিনোদন ছুটির অর্থ মঞ্জুরের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে।

ঢাকা, ঢাকা ২৭ আগস্ট ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৭০০

টিএ/ডিএ বিল

ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।

বরিশাল, বরিশাল ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১০.০ হাজার

যেকোনো বিল তুলতে গেলে ৫% দিতে হয় ওদেরকে না হলে বিল নিয়ে হয়রানি করে

একাউন্ট অফিসের অডিটর যে কোন বিলের ক্ষেত্রে ৫% টাকা দিতে হয়, যদি না দেওয়া হয় তাহলে বিল নিয়ে হয়রানি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, শুধু আমার ক্ষেত্রেই ঘটেছে তা নয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা হিসাব রক্ষণ অফিসে এরকমভাবে কাজ করে, আর হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের সারা জীবন পরিশ্রম করে চাকরি জীবন শেষ করে, তারপর পেনশন পাওয়ার তার অধিকার অর্থাৎ তার জীবনের সাফল্যের অর্জিত টাকা পেনশন, কিন্তু এ পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বা কর্মকর্তারা একতলা থেকে সাত তালায় যেতে হয় এক থেকে দুই বছর, এই বৃদ্ধ বয়সে সকলেই চায় তাদের জীবনটা সুন্দরভাবে কাটুক কিন্তু এই টাকা তুলতে গিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে ১% থেকে ৩% পর্যন্ত টাকা কেটে নেয় ওদের নিজস্ব তহবিলের যা সরকারের কোন নীতিমালায় লেখা নেই

আটপাড়া, মদন, নেত্রকোনা।, ময়মনসিংহ ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৩.০ হাজার

জিপিএফ হতে ফেরত যোগ্য অগ্রিম গ্রহণ

হিসাবরক্ষণ অফিসে কোন পেনশন যে জিপিএফ হতে কোন অগ্রিম লোন নিতে গেলে অডিটর কে ১% ঘুষ দিতে হবে। আরেকটা টিএ বিল নিতে গেলেও টিএ বিলের ৫% টাকা তাদেরকে দিতে হবে না হলে বিল দেবেনা। অ্যাকাউন্ট জমা দিতে গেলে এখন নাকি প্রত্যেক অফিসকে ১০০০ করে টাকা দিতে হবে এটা নাকি তাদের সি ও সাহেবের নির্দেশ।

সেগুনবাগিচা, ঢাকা, ঢাকা ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫০০

পেনশন ওপিস

নোয়াখালী, ছাটখিল হিসাবরক্ষণ ওপিস এর পেনশন বিভাগে প্রত্যেক পেনশন ভোগীদের প্রতি বছর লাইফ ভেরিফাই করার জন্য ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়।

নোয়াখালী, ছাটখিল, চট্টগ্রাম ২৭ আগস্ট ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১৪.০ হাজার

ডিএ/ডিএ বিল পাস করন র্প্রসঙ্গে

আমি ঢাকা ICT একটি কোর্সে গেছিলাম এক মাসের সেই কোর্সের টাকা দাবি করছি ২৮০০০ পাশ করতে অর্ধেক অর্ধেক দিতে হবে। না দিলে বিল পাস হবে।

ঢাকা, ঢাকা ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১৯৭

জিপিফান্ড এর এগেনেস্ট লোন উত্তোলন

জি পি ফ্যান্ডের এগেনেস্ট এ লোন নিতে গেছিলাম খুব বেশি লোন না। সেটা চেকের মাধ্যমে পে করে। সে চেক এনে ব্যাঙ্কে জমা দিলে টাকা ব্যাঙ্ক এড হয়। এবার সে চেক নিতে গেলে ১ মাস সময় চায়। পরে ১৫ দিন পরে গেলে তারা এর বিপরীতে চা খাবার টাকা চায়। ২০০ টাকা সে মূহুর্তে পকেট এ ছিল সেটা দিলে সে তেলেবেগুনে জলে উঠে বলতে থাকে আপনারা একজন অফিসার কে কিভাবে ২০০ টাকা দেন। আমার কাছে টাকা ছিল না বলার পর ও সে গর্জন করতে থাকে। পাশের টেবিল এ তার কলিগ কয়েকজন ছিল তারাও তার কথায় সায় দিতেছিল।

Dhaka, ঢাকা ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.২০ লাখ

ক্রয় কৃত মালামাল এর বিল পাশ করাতে, পেনশন , জিপিএফ ফান্ট উত্তলন অর্থাৎ সব সেবায় ঘুষ দিতে হয়

ক্রয় কৃত মালামাল এর বিল পাশ করাতে, পেনশন , জিপিএফ ফান্ট উত্তলন অর্থাৎ সব সেবায় ঘুষ দিতে হয়।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.৫ হাজার

সাধারণ ভবিষ্য তহবিল হতে টাকা উত্তোলন

আমার পারিবারিক কাজের জন্য আমার ভবিষ্যৎ তহবিল হতে পাঁচ লক্ষ টাকা উত্তোলন করার জন্য এজি অফিসে বিলটি দাখিল করা হলে, এজি অফিসের লোকজনেরা আমার বিলটি ফেলে রাখে, এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর আমি যখন খোঁজ নেওয়ার জন্য যাই তখন বলে হয়ে যাবে। কিন্তু আরও দুইদিন ঘোরার পর পুনরায় যখন বিল সম্বন্ধে জানতে চাই তখন বিভিন্ন রকমের হয়রানির শিকার হতে হয় আমাকে,তারা বলেন লেজার খুজে পাচ্ছে না, ভলিউম খুঁজে পাচ্ছে না, এ সমস্ত নানান কিছু আমাকে বলে তারপরে আমাকে প্রস্তাব দেয় 2000 টাকা দিলে আজকালের ভিতরেই বিলটি পাশ হয়ে যাবে। যেহেতু আমার পারিবারিক কাজের জন্য টাকাটা বিশেষ প্রয়োজন তাই আর সাত পাচ না ভেবে দুই হাজারের পরিবর্তে পনেরশো টাকা দিয়ে চলে আসি। তার ঠিক পরের দিন আমার বিলটি পাস হয়ে যায়।

ঢাকা, ঢাকা ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য