Pension
My granny complete her 15 years of pension, from then she gets 10k pension, before she gets like 2.5, so they said they didn’t find the pension book. And ask for ''Cha Nasta'' charge.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
My granny complete her 15 years of pension, from then she gets 10k pension, before she gets like 2.5, so they said they didn’t find the pension book. And ask for ''Cha Nasta'' charge.
পেনশনের কাজে 1% ঘুসছাড়া কেউ ফাইল অনুমোদন করাতে পারে না। ১১ লক্ষ টাকায় ১১০০০ টাকা ঘুস লেগেছে।
আমার অফিসের বাজেটের অর্থছাড় করতে চিঠি নিয়ে CGA অফিসে গিয়েছিলাম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে দায়িত্বে থাকা কম্পিউটার অপারেটর ৫০০০ টাকা ফাইল তুলতে লাগবে বলে জানিয়েছে। এই হারামিরা হয়রানি করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা লুটে নিচ্ছে। এদের কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন চাই।
Bokeya beton bill joma deoar por upazila hishab rokkhon office theke bola hoy bokeya bill dite gele 8,000 taka dite hobe... amar total bill chilo 64,624 taka.. Bandar upazila hishab rokkhon office ghush er taka chara 1 ta kaj o hoy na... 1 tao na...
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১নং বাঘা ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর —ের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন প্রদানে অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। টাকা ছাড়া ফাইল না ছাড়া এবং ভুক্তভোগীদের নানা অজুহাতে হয়রানি করার পাশাপাশি এবার অন্যের এলাকা বা ভিন্ন ইউনিয়ন থেকে জন্ম নিবন্ধন করিয়ে এনে সিল-স্বक्षर জালিয়াতির মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অনিয়ম ও হয়রানির নিত্যদিনের চিত্র স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর — নিয়মিত অফিসে আসেন দুপুর ১২টার দিকে। অফিসে পৌঁছানোর পর থেকেই সাধারণ সেবা প্রার্থীদের বিভিন্ন অজুহাতে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জন্ম নিবন্ধনের মতো
এটা একটা রেগুলার প্রাকটিস । অফিস এর বিল করলে নিয়ম মাফিক ভ্যাট, ট্যাক্স কর্তন করার পর যে টাকা অফিস পাবে তার থেকে ৪-৫% টাকা এজি অফিস অবশ্যই রেখে দিবে। আর না দিলে সেই বিলে নানা রকম আপত্তি দিবে।
আমরা সরকারি কর্মচারী হিসাবে যে কোন বিলে ৫% না দিলে কাজ হয় না।
TA DA ভ্রাতা মঞ্জুরীর জন্য অডিট অফিসে লাগবে বলে মোট বিলের ৫% টাকা ক্যাশ রাখে লোকাল অফিস।
প্রতিটা বিল বা হিসাবের সর্বো নিম্ন ৫% ঘুষ না দিলে তারা ফাইল টা ওঠাই না। আক্কেলপুর হিসাব রক্ষণ অফিস যেন ঘুষের একটা কারখানায় পরিণত হয়েছে। অফিসের সকল কমকর্তা যেন ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝেন না। ঠিকানা: আক্কেলপুর থানা, জয়পুরহাট জেলা।
নবযোগদানকৃত সরকারি চাকরিতে বেতন চালুর জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। সরকারি ভ্রমণ সংক্রান্ত টিএ-ডিএ অনুমোদনের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। শ্রান্তি-বিনোদন ছুটির অর্থ মঞ্জুরের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে।
নতুন চাকুরীর একাউন্ট করা এবং পে-ফিক্সেশন বাতিলের আবেদন
Approval of my TA DA bill in 2013
ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।
একাউন্ট অফিসের অডিটর যে কোন বিলের ক্ষেত্রে ৫% টাকা দিতে হয়, যদি না দেওয়া হয় তাহলে বিল নিয়ে হয়রানি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, শুধু আমার ক্ষেত্রেই ঘটেছে তা নয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা হিসাব রক্ষণ অফিসে এরকমভাবে কাজ করে, আর হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের সারা জীবন পরিশ্রম করে চাকরি জীবন শেষ করে, তারপর পেনশন পাওয়ার তার অধিকার অর্থাৎ তার জীবনের সাফল্যের অর্জিত টাকা পেনশন, কিন্তু এ পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বা কর্মকর্তারা একতলা থেকে সাত তালায় যেতে হয় এক থেকে দুই বছর, এই বৃদ্ধ বয়সে সকলেই চায় তাদের জীবনটা সুন্দরভাবে কাটুক কিন্তু এই টাকা তুলতে গিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে ১% থেকে ৩% পর্যন্ত টাকা কেটে নেয় ওদের নিজস্ব তহবিলের যা সরকারের কোন নীতিমালায় লেখা নেই
হিসাবরক্ষণ অফিসে কোন পেনশন যে জিপিএফ হতে কোন অগ্রিম লোন নিতে গেলে অডিটর কে ১% ঘুষ দিতে হবে। আরেকটা টিএ বিল নিতে গেলেও টিএ বিলের ৫% টাকা তাদেরকে দিতে হবে না হলে বিল দেবেনা। অ্যাকাউন্ট জমা দিতে গেলে এখন নাকি প্রত্যেক অফিসকে ১০০০ করে টাকা দিতে হবে এটা নাকি তাদের সি ও সাহেবের নির্দেশ।
আমি ঢাকা ICT একটি কোর্সে গেছিলাম এক মাসের সেই কোর্সের টাকা দাবি করছি ২৮০০০ পাশ করতে অর্ধেক অর্ধেক দিতে হবে। না দিলে বিল পাস হবে।
নোয়াখালী, ছাটখিল হিসাবরক্ষণ ওপিস এর পেনশন বিভাগে প্রত্যেক পেনশন ভোগীদের প্রতি বছর লাইফ ভেরিফাই করার জন্য ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়।
জি পি ফ্যান্ডের এগেনেস্ট এ লোন নিতে গেছিলাম খুব বেশি লোন না। সেটা চেকের মাধ্যমে পে করে। সে চেক এনে ব্যাঙ্কে জমা দিলে টাকা ব্যাঙ্ক এড হয়। এবার সে চেক নিতে গেলে ১ মাস সময় চায়। পরে ১৫ দিন পরে গেলে তারা এর বিপরীতে চা খাবার টাকা চায়। ২০০ টাকা সে মূহুর্তে পকেট এ ছিল সেটা দিলে সে তেলেবেগুনে জলে উঠে বলতে থাকে আপনারা একজন অফিসার কে কিভাবে ২০০ টাকা দেন। আমার কাছে টাকা ছিল না বলার পর ও সে গর্জন করতে থাকে। পাশের টেবিল এ তার কলিগ কয়েকজন ছিল তারাও তার কথায় সায় দিতেছিল।
আমার পারিবারিক কাজের জন্য আমার ভবিষ্যৎ তহবিল হতে পাঁচ লক্ষ টাকা উত্তোলন করার জন্য এজি অফিসে বিলটি দাখিল করা হলে, এজি অফিসের লোকজনেরা আমার বিলটি ফেলে রাখে, এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর আমি যখন খোঁজ নেওয়ার জন্য যাই তখন বলে হয়ে যাবে। কিন্তু আরও দুইদিন ঘোরার পর পুনরায় যখন বিল সম্বন্ধে জানতে চাই তখন বিভিন্ন রকমের হয়রানির শিকার হতে হয় আমাকে,তারা বলেন লেজার খুজে পাচ্ছে না, ভলিউম খুঁজে পাচ্ছে না, এ সমস্ত নানান কিছু আমাকে বলে তারপরে আমাকে প্রস্তাব দেয় 2000 টাকা দিলে আজকালের ভিতরেই বিলটি পাশ হয়ে যাবে। যেহেতু আমার পারিবারিক কাজের জন্য টাকাটা বিশেষ প্রয়োজন তাই আর সাত পাচ না ভেবে দুই হাজারের পরিবর্তে পনেরশো টাকা দিয়ে চলে আসি। তার ঠিক পরের দিন আমার বিলটি পাস হয়ে যায়।
ক্রয় কৃত মালামাল এর বিল পাশ করাতে, পেনশন , জিপিএফ ফান্ট উত্তলন অর্থাৎ সব সেবায় ঘুষ দিতে হয়।