সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৪৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
হিসাব রক্ষণ অফিস

টিএ/ডিএ বিল

ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳৭০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

যেকোনো বিল তুলতে গেলে ৫% দিতে হয় ওদেরকে না হলে বিল নিয়ে হয়রানি করে

একাউন্ট অফিসের অডিটর যে কোন বিলের ক্ষেত্রে ৫% টাকা দিতে হয়, যদি না দেওয়া হয় তাহলে বিল নিয়ে হয়রানি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, শুধু আমার ক্ষেত্রেই ঘটেছে তা নয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা হিসাব রক্ষণ অফিসে এরকমভাবে কাজ করে, আর হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের সারা জীবন পরিশ্রম করে চাকরি জীবন শেষ করে, তারপর পেনশন পাওয়ার তার অধিকার অর্থাৎ তার জীবনের সাফল্যের অর্জিত টাকা পেনশন, কিন্তু এ পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বা কর্মকর্তারা একতলা থেকে সাত তালায় যেতে হয় এক থেকে দুই বছর, এই বৃদ্ধ বয়সে সকলেই চায় তাদের জীবনটা সুন্দরভাবে কাটুক কিন্তু এই টাকা তুলতে গিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে ১% থেকে ৩% পর্যন্ত টাকা কেটে নেয় ওদের নিজস্ব তহবিলের যা সরকারের কোন নীতিমালায় লেখা নেই

ঘুষ দিইনি
আটপাড়া, মদন, নেত্রকোনা। ৳১০.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

জিপিএফ হতে ফেরত যোগ্য অগ্রিম গ্রহণ

হিসাবরক্ষণ অফিসে কোন পেনশন যে জিপিএফ হতে কোন অগ্রিম লোন নিতে গেলে অডিটর কে ১% ঘুষ দিতে হবে। আরেকটা টিএ বিল নিতে গেলেও টিএ বিলের ৫% টাকা তাদেরকে দিতে হবে না হলে বিল দেবেনা। অ্যাকাউন্ট জমা দিতে গেলে এখন নাকি প্রত্যেক অফিসকে ১০০০ করে টাকা দিতে হবে এটা নাকি তাদের সি ও সাহেবের নির্দেশ।

ঘুষ দিয়েছি
সেগুনবাগিচা, ঢাকা ৳৩.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

পেনশন ওপিস

নোয়াখালী, ছাটখিল হিসাবরক্ষণ ওপিস এর পেনশন বিভাগে প্রত্যেক পেনশন ভোগীদের প্রতি বছর লাইফ ভেরিফাই করার জন্য ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়।

ঘুষ দিইনি
নোয়াখালী, ছাটখিল ৳৫০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

ডিএ/ডিএ বিল পাস করন র্প্রসঙ্গে

আমি ঢাকা ICT একটি কোর্সে গেছিলাম এক মাসের সেই কোর্সের টাকা দাবি করছি ২৮০০০ পাশ করতে অর্ধেক অর্ধেক দিতে হবে। না দিলে বিল পাস হবে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১৪.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

জিপিফান্ড এর এগেনেস্ট লোন উত্তোলন

জি পি ফ্যান্ডের এগেনেস্ট এ লোন নিতে গেছিলাম খুব বেশি লোন না। সেটা চেকের মাধ্যমে পে করে। সে চেক এনে ব্যাঙ্কে জমা দিলে টাকা ব্যাঙ্ক এড হয়। এবার সে চেক নিতে গেলে ১ মাস সময় চায়। পরে ১৫ দিন পরে গেলে তারা এর বিপরীতে চা খাবার টাকা চায়। ২০০ টাকা সে মূহুর্তে পকেট এ ছিল সেটা দিলে সে তেলেবেগুনে জলে উঠে বলতে থাকে আপনারা একজন অফিসার কে কিভাবে ২০০ টাকা দেন। আমার কাছে টাকা ছিল না বলার পর ও সে গর্জন করতে থাকে। পাশের টেবিল এ তার কলিগ কয়েকজন ছিল তারাও তার কথায় সায় দিতেছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১৯৭
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

ক্রয় কৃত মালামাল এর বিল পাশ করাতে, পেনশন , জিপিএফ ফান্ট উত্তলন অর্থাৎ সব সেবায় ঘুষ দিতে হয়

ক্রয় কৃত মালামাল এর বিল পাশ করাতে, পেনশন , জিপিএফ ফান্ট উত্তলন অর্থাৎ সব সেবায় ঘুষ দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১.২০ লাখ
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

সাধারণ ভবিষ্য তহবিল হতে টাকা উত্তোলন

আমার পারিবারিক কাজের জন্য আমার ভবিষ্যৎ তহবিল হতে পাঁচ লক্ষ টাকা উত্তোলন করার জন্য এজি অফিসে বিলটি দাখিল করা হলে, এজি অফিসের লোকজনেরা আমার বিলটি ফেলে রাখে, এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর আমি যখন খোঁজ নেওয়ার জন্য যাই তখন বলে হয়ে যাবে। কিন্তু আরও দুইদিন ঘোরার পর পুনরায় যখন বিল সম্বন্ধে জানতে চাই তখন বিভিন্ন রকমের হয়রানির শিকার হতে হয় আমাকে,তারা বলেন লেজার খুজে পাচ্ছে না, ভলিউম খুঁজে পাচ্ছে না, এ সমস্ত নানান কিছু আমাকে বলে তারপরে আমাকে প্রস্তাব দেয় 2000 টাকা দিলে আজকালের ভিতরেই বিলটি পাশ হয়ে যাবে। যেহেতু আমার পারিবারিক কাজের জন্য টাকাটা বিশেষ প্রয়োজন তাই আর সাত পাচ না ভেবে দুই হাজারের পরিবর্তে পনেরশো টাকা দিয়ে চলে আসি। তার ঠিক পরের দিন আমার বিলটি পাস হয়ে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

বদলীর জনিত কারণে বেতন নির্ধারণ

আমার কর্মচারীকে বেতন বিল করতে পাঠাই।তিনি এসে বলেন যে ১০০০ টাকা দিতে হবে।পরে ৩০০ টাকায় মিটমাট করতে বাধ্য হয়েছি

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৩০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

ভ্রমণ ভাতার বিল করতে

আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৳৬০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারী কাজের বিল অনুমোদ ও পরিশোধ বিভাগ

দেশের সকল প্রজেক্টের বিল এজি অফিস থেকে চূড়ান্ত পরিশোধ করা হয়। প্রতিটি বিলে জন্যই ঘুষ প্রদান না করলে চেক/ব্যাংক ট্রান্সফার প্রদান করা হয়না। আমি অন্তত্য ১৫টি টি বিল ছাড়িয়েছি। যার প্রত্যেকটির জন্য আলাদা আলাদা ৮০০০-১২০০০ টাকা করে ঘুষ প্রদান করেছি।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১২.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

বেতন চালু করতে

২০২২ সালে নতুন সরকারিতে চাকরিতে জয়েন করার পর বেতন চালু করতে হাটহাজারী উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস কতৃক এই অর্থ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে আড়াই মাস পর থেকে বেতন পাওয়া শুরু হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳২.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

পে ফিক্সেশন

এটি খুবই লজ্জার বিষয় যে নিজে একজন সরকারি চাকুরিজীবী হয়ে অন্য একটি সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে যেয়েও ঘুষ ছাড়া কাজ করানো যায়না। সরকারি চাকুরি পেয়ে পে ফিক্সেশন করে বেতন নিতে হয় আর এই পে ফিক্সেশনেই দেশের সকল হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুষ দেয়া লাগে। অর্থাৎ আপনাকে চাকুরির শুরুতেই ঘুষের মধ্যে দিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। আমি প্রাথমিকভাবে টাকা দিতে অশীকৃতি জানাই যার কারনে আমার ফিক্সেশন দেরিতে হয় ও অন্য সবার পরে আমার বেতন পাই যেটা অন্যদের থেকে ২ মাস পরে। পরে বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে বেতন ফিক্সেশন করাই। এছাড়া আমার অন্যান্য কলিকদের কাছ থেকেও ২৫০০-৩০০০ করে টাকা নিয়েছে এই বেতন ফিক্সেশন করাতে।

ঘুষ দিয়েছি
মাগুরা ৳৩.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

মৃত বাবার পেনশন মায়ের নামে আনা

পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।

ঘুষ দিয়েছি
নড়াইল সদর ৳৬.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারি চাকরিতে প্রথম মাসের বেতন ছাড় করতে এজি অফিসে ঘুস দিতে হয়েছিল

সরকারি চাকরিতে আমার প্রথম মাসের বেতন ছাড় করতে এজি অফিসে ঘুস দিতে হয়েছিল। আর নাহয় বেতন আটকে থাকবে মাসের পর মাস চাকরি জীবনের শুরুতেই এজি অফিস আমাকে ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অসহায়ের মতো একজন সরকারি চাকুরীজীবী হয়েও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য