নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সর্বশেষ পেনশন আনুতোষিক বিল পাশের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেছিল, ঝামেলা এবং কালক্ষেপন এড়ানোর জন্য আংশিক ১০ হাজার পরিশোধ করি এবং আরো ১৫-২০ দিন বিলম্বের পর শেষপর্যন্ত বিলটি পাশ করেন ।
এফসি অফিসে যেকোনো টি এডি এ নিতে গেলে বিলের যে টাকা আসে তার ২০ শতাংশ ঘুষ দিতে হয় না দিলে বিল বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, নিয়ম অনুযায়ী চলতে থাকে কখনোই পাওয়া যায় না।
আমি একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য, আমাদের স্বাভাবিক বদলি হলে আমরা এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় যোগদান করার পরে টিএ (ট্রাভেল এলাউন্স) ও ডিএ (ডেইলি এলাউন্স) সংশ্লিষ্ঠ এফ সি (ফাইনান্স কন্ট্রোল) এ চিঠি পাঠাই, সেইখানে দুরুর্ত, কত দিন , সকল নথি উপস্থাপন করা হয় । কিন্তু অডিটরগন ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফাইল আটকে রাখেন। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবীকৃত টিএ ডিএ এর ১০% ঘুষ দাবী করেন। যা ১০ হাজার থেকে শুরু করে যত টাকা দাবী করা হয়েছে তার উপর নির্ভর করে । আপনি সারা জীবন সরকারী চাকুরী করে সরকার থেকে যদি ২০ লক্ষ টাকা পেনশন পান , সেইখান থেকেও তারা ১-২ লক্ষ টাকা দাবী করবে । সরকারী ফিনান্স কন্ট্রোল বোর্ডের সকল অডিটর এই ঘুষ বানিজ্যের সাথে জড়িত , যা সকল সামরিক বাহিনীর অফিসার জানেন। কিন্তু আওয়াজ তোলার কেউ নেই ।
Any settlement bill or arrear
সরকারি চাকরির বদলি জনিতLPC একসেপ্ট করাতে টাকা লেগেছে।
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
পেনশনের ঘুস দাবী করেন ৫০,০০০/- আমি পরিশোধ করি ৩০,০০০/-। আমার পেনশনের চেক ৫ দিন অফিস আটকিয়ে রাখেন পরিশোধ কম করায় আমার ঈদুল ফিতরের বোনাস এখন পর্যন্ত দেন নাই।
ঢাকা এজি অফিসে জিপিএফ থেকে অগ্রীম উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় চেক পাস করেনি।
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
আমি এক অফিস থেকে আরেকটি সরকারি অফিসে চাকুরী হওয়ার কারণে আইবাস+++ বাতিল, জিপিএফ ফান্ডের জমানো টাকা উত্তোলন, জিপিএফ বাতিল এবং পে-ফিক্সেশন করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে।
বিল পাশ করতে হলে ১০% -১৫ % না দিলে বিল পাশ হয়ে না
আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রসেস না করে ফেলে রাখছিল। আমি যখন সরাসরি অফিসারের সাথে দেখা করি উনি সাইন করে দেন। ফাইলের জন্য যখন যাই অফিস সহকারি টাকা দাবি করে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বকেয়া বিল আটকে দে। এখন তিন মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত বকেয়া পাই নাই।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
বকেয়া ইনক্রিমেন্ট পাবো কিন্তু টাকা ছাড়া দিবে না
বাংলাদেশের সকল হিসাবরক্ষণ অফিসে ৫% হারে পরিশোধ করে বিল গ্রহণ করতে হয়। পেনশনের জন্য নির্ধারিত অংকের টাকা পরিশোধ না করলে পেনশন গ্রহণ করা যায় না।
আমি ২০১৭ সালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগাদান করি। ২০২৬ সালে এসে আমাদের জুনিয়র ও সিনিয়র কলিগরা চাকুরির পূর্বে মাস্টার্স ডিগ্রীর জন্য ১/২ টি করে ইনক্রিমেন্ট পায়। সেইটা ২০১৭ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষ টাকা হয়। কাগজপত্র সব ঠিক। তবুও হিসাবরক্ষণ অফিস আমাদের ১১ জনের থেকে ৩% করে ঘুষ দাবি করে টাকা আটকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তাদের দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমরা বিল হাতে পাই।
আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর আমার মায়ের চিকিৎসা ভাতা প্রসেস করার জন্য একাউন্টস অফিসে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিবার সাথে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। পরে যখন কাজ সম্পন্ন হয়েছে আবার ৬০০০ টাকা দিয়ে হয়েছে।
মোট বিলের ৫% দিতে হয়
নতুন চাকরিতে আইবাসে বেতন এপ্রুভ করাতে
বেতন ফিক্সেশনের ফাইল অনুমোদন করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস সরাসরি ঘুষ না চাইলেও ফাইল রেখে যেতে বলেছিল৷ পরে খোজ নিতে কল দিলে অডিটর জানায় যে একজন পিওন পাঠাতে তাহলে ফাইল অনুমোদন হয়ে যাবে। পিওন কে পাঠানোর পর পিওন আমাকে জানায় যে, এক হাজার টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হবেনা।