নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে যে কোন বিল পাস করতে গেলে, মোট টাকার পাচ শতাংশ হারে টাকা দিতে হয়। এটা বাধ্যতামূলক। না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে আটকিয়ে রাখে। টাকা দিলে ভুল থাকলেও সমস্যা নেই।
বেতন ফিক্সেশনের ফাইল অনুমোদন করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস সরাসরি ঘুষ না চাইলেও ফাইল রেখে যেতে বলেছিল৷ পরে খোজ নিতে কল দিলে অডিটর জানায় যে একজন পিওন পাঠাতে তাহলে ফাইল অনুমোদন হয়ে যাবে। পিওন কে পাঠানোর পর পিওন আমাকে জানায় যে, এক হাজার টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হবেনা।
10 % হতে 15% হারে,নয়ত বিল পাস করতে তালবাহানা।কিছু বিল ফেরত দিয়েছে,নানাভাবে হয়রানি,টাকা না পাওয়া বিল ফেরত দিয়েছে।অথচ বিগত বছর টাকা পেয়ে যে ধরনের বিলগুলো পাস করেছে, এ বছর টাকা না দেওয়ার একই ধরনের বিলে পাস করে নাই।সরকারি অফিসের বিলে টাকা চায়,দু:খজনক।
এসএফসি আর্মি ঢাকা সেনানিবাস অফিসে অধিকাল বিল পাশনকরানো শতকরা হিসেবে ১০% টাকা এবং টিএডিএ বিল থেকে শতকরা ২৫% দাবি করে। কয়েকজনের অধিকাল বিল একসাথে যদি এক লক্ষ টাকা হয় তাহলে অডিটরকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে পাশ করে দেয়না এমনকি বাজে ব্যবহার করে। এমনকি মোট হিসেব করে ঘুষের টাকা থেকে দু চার শো টাকা কম দিলে তাদের নাকি লস হয়ে যায়..এ বাবে জিম্মি করে যখন টাকা আদায় করে তখন তাদের গালাগলি কিংবা মারতে ইচ্ছে করে কিন্তুু সরকারী বিধিমালা অনুযায়ী সরকারী কর্মচারির গায়ে হাত তোলা অপরাধ তাই কিছু করতে পারিনা। এই এসএফসি অফিসটায় ঘুষের রমরমা বিজনেস চলে ঠিকাদার থেকেও জিম্মি করে টাকা নেয়..একটা বিল ডেসপাচ করতে ২০০-৫০০ টাকা পযন্ত নেয়।বিল পাশ হলে চেক নিতেও এসএফসি আর্ম অফিসে যাহা সেনানিবাসের লগ এরিয়া অফিসের ভিতরে অবস্থিত
সরকারি একটি প্রকল্পে আমরা তিনজন কম্পিউটার অপারেটর পদে সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি করতাম। প্রকল্পটি শেষ হলে সরকারি প্রঞ্জাপন বা পরিপত্র অনুযায়ী আমরা সর্বশেষ বেতনকে ভিত্তি ধরে প্রতি বছরের জন্য ২ মাসের বেতন ধরে টাকা প্রাপ্য। সে হিসেবে আমরা ১০ লাখের একটু বেশি টাকার বিল করি (নিয়মে যা আসে) এবং এজি অফিসে পাঠায় পরে তারা দিবে না বলে দেয়। এদিকে অর্থবছরও শেষ হয়ে যাচ্ছে মাত্র ২-১ দিন ছিল। অনেক অনুরোধ করে পরে ২ লাখ টাকা নিয়ে চেক দিয়েছে।
GPF account open এর জন্য
নগদ দাবি করেছিল, এলপিসির কাজ ও বেতন নির্ধারণ কাজের জন্য
দিল পাস করতে গেলে পার্সেন্টেজ। পেনশনে ১৫ থেকে ২০ হাজার। সকল কাজে এক থেকে দুই হাজার টাকা
এজিতে বেতনের জন্য পে-ফিক্সেশন এর জন্য চা নাস্তা বাবদ দিতে বলেছে । ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট এর CAFO, সেগুনবাগিচা অফিসের একাউন্টস অফিসার — কোনো কাজই করে না ।
পেনশনে যাওয়ার আগে প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হিসাব রক্ষন অফিস থেকে শেষ বেতনের প্রত্যায়নপত্র নিতে হয় ।ওটা না হলে পেনশন মন্জুর হয়না । আমার নয় আমার প্রধান অফিসের ভুলের কারনে হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় রংপুর হতে দুইবার ইএলপিসি নিতে হয়েছে ।তাদের ঘুষ দাবী ছিল (৫০০০০/-+১০০০০/-)=৬০০০০/- পরে ৩দিন দেন দরবার করে =৪০০০০/- টাকায় দফারফা হয় । নিরুপায় ও একান্ত বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করি ।
“ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ৫,০০,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ১৫,০০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।”
বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পেনশনের জন্য ১৫০০০ টাকা চেয়েছে CGA office..
স্হানীয় কর্তৃপক্ষ হিসাবরক্ষণ অফিসে বিল প্রস্তুত করে স্ব স্ব ক্যাশ অর্ডার়লী মাধ্যমে বিল প্রেরণকালে বিল ৪ শাখার দায়িত্বরত নারী অডিটর — ও অন্যান্য অডিটরণ প্রত্যেক বিভাগের ক্যাশ অর্ডালীদের নিকট হতে আড়ালে ঘোষ বা ৪-১০℅ কমিশন নিয়ে বিল প্রস্তুতসহ পাশ করিয়ে সেবা দেন। আড়ালে টাকা বা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা পুরণ না করলে বিল টুকেন নাম্বার দিয়ে ফেরত দেন। আর কোন ক্যাশ অর্ডারলী প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদের অফিস প্রধানের নিকট অভিযোগ করেন। বলেন সে এসে খারাপ আচরণ করে তাদের কথা মানেন না।
পেনশন, বিল পাস সংক্রান্ত
আমি টিএ ডিএ বিল অনলাইনে সাবমিট করেছি আমার অফিস থেকে হিসাবরক্ষন অফিসে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তারা হার্ড কপি লাগবে বলে। সরকারী আদেশে হার্ড/প্রিন্ট কপি এখন জমা দেওয়ার নির্দেশনা বাতিল করেছে। এরপর আমার ২০০০০ টাকার বিলে ১৫% হারে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে বিল EFT করতে হয়েছে।
শতকরা 10% দিলে বিল পাস হবে।
বদলি হবার কারণে, বেতন বন্ধ ছিল, বেতন চালু করার জন্য এজি অফিসে, ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে।
সরকারী দপ্তরে যে কোন অর্থ বছর শেষ হলে পরবর্তী নীরিক্ষা বছরে উক্ত নীরিক্ষা সম্পাদিত হয়। এ ক্ষেত্রে উক্ত অডিট ডাইরেক্টরেট থেকে যেমন (সিভিল অডিট, স্বাস্থ্য অডিট, ফাপাড) ইত্যাদি নীরিক্ষার নামে মোটা অংকের অর্থ দাবি করে। যা বেআইনি উক্ত অর্থ পরিশোধ করা না হলে তা অনৈতিক কর্মকান্ড যেমন হুমকি/ধামকি এমনকি পেনশন আটকে দেবার মত হুমকি প্রদান করে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ডিডিও কর্তৃক বাধ্য হয়েই উক্ত ঘুষ প্রদান করে।
পেফিক্সেশনের কাগজ জমা দেওয়ার পর নানাভাবে হয়রানি করে,এই কাগজ, অই কাগজ চায়।অত:পর সাইডে কথা বললে ১৫০০ টাকা চায়, ১০০০ দিতে হইছে।এছাড়াও ইনক্রিমেন্ট এড করার জন্য ৮০ টাকা করে নেয়।
প্রতি ১লাখ টাকায় বিল পাশের জন্য ---- হিসাবরক্ষণ অফিসের রেট নিম্নরূপ : অডিটর ২০০/- সুপার : ২০০/- হিসাবরক্ষণ অফিসার : ৫০০/- যিনি চেক লিখেন তার পাওনা: ১০০/- এই টাকা দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিল পাস হয়ে যায়। কম দিতে চাইলে বিভিন্ন কাগজপত্রের অজুহাতে কয়েক দিন ঘুরায়।