এজি অফিসে পে-ফিক্সেশন করতে
এজিতে বেতনের জন্য পে-ফিক্সেশন এর জন্য চা নাস্তা বাবদ দিতে বলেছে । ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট এর CAFO, সেগুনবাগিচা অফিসের একাউন্টস অফিসার — কোনো কাজই করে না ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এজিতে বেতনের জন্য পে-ফিক্সেশন এর জন্য চা নাস্তা বাবদ দিতে বলেছে । ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট এর CAFO, সেগুনবাগিচা অফিসের একাউন্টস অফিসার — কোনো কাজই করে না ।
GPF account open এর জন্য
নগদ দাবি করেছিল, এলপিসির কাজ ও বেতন নির্ধারণ কাজের জন্য
দিল পাস করতে গেলে পার্সেন্টেজ। পেনশনে ১৫ থেকে ২০ হাজার। সকল কাজে এক থেকে দুই হাজার টাকা
স্হানীয় কর্তৃপক্ষ হিসাবরক্ষণ অফিসে বিল প্রস্তুত করে স্ব স্ব ক্যাশ অর্ডার়লী মাধ্যমে বিল প্রেরণকালে বিল ৪ শাখার দায়িত্বরত নারী অডিটর — ও অন্যান্য অডিটরণ প্রত্যেক বিভাগের ক্যাশ অর্ডালীদের নিকট হতে আড়ালে ঘোষ বা ৪-১০℅ কমিশন নিয়ে বিল প্রস্তুতসহ পাশ করিয়ে সেবা দেন। আড়ালে টাকা বা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা পুরণ না করলে বিল টুকেন নাম্বার দিয়ে ফেরত দেন। আর কোন ক্যাশ অর্ডারলী প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদের অফিস প্রধানের নিকট অভিযোগ করেন। বলেন সে এসে খারাপ আচরণ করে তাদের কথা মানেন না।
“ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ৫,০০,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ১৫,০০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।”
পেনশনে যাওয়ার আগে প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হিসাব রক্ষন অফিস থেকে শেষ বেতনের প্রত্যায়নপত্র নিতে হয় ।ওটা না হলে পেনশন মন্জুর হয়না । আমার নয় আমার প্রধান অফিসের ভুলের কারনে হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় রংপুর হতে দুইবার ইএলপিসি নিতে হয়েছে ।তাদের ঘুষ দাবী ছিল (৫০০০০/-+১০০০০/-)=৬০০০০/- পরে ৩দিন দেন দরবার করে =৪০০০০/- টাকায় দফারফা হয় । নিরুপায় ও একান্ত বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করি ।
পেনশন, বিল পাস সংক্রান্ত
বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পেনশনের জন্য ১৫০০০ টাকা চেয়েছে CGA office..
শতকরা 10% দিলে বিল পাস হবে।
সরকারি চাকুরিজীবি রা এক জেলা হতে অন্য জেলায় বদলী হলে LPC গ্রহন ও প্রেরণ করতে প্রায় ২০০০ টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ৩-৬ মাস বেতন হয় না।
সরকারী দপ্তরে যে কোন অর্থ বছর শেষ হলে পরবর্তী নীরিক্ষা বছরে উক্ত নীরিক্ষা সম্পাদিত হয়। এ ক্ষেত্রে উক্ত অডিট ডাইরেক্টরেট থেকে যেমন (সিভিল অডিট, স্বাস্থ্য অডিট, ফাপাড) ইত্যাদি নীরিক্ষার নামে মোটা অংকের অর্থ দাবি করে। যা বেআইনি উক্ত অর্থ পরিশোধ করা না হলে তা অনৈতিক কর্মকান্ড যেমন হুমকি/ধামকি এমনকি পেনশন আটকে দেবার মত হুমকি প্রদান করে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ডিডিও কর্তৃক বাধ্য হয়েই উক্ত ঘুষ প্রদান করে।
পেফিক্সেশনের কাগজ জমা দেওয়ার পর নানাভাবে হয়রানি করে,এই কাগজ, অই কাগজ চায়।অত:পর সাইডে কথা বললে ১৫০০ টাকা চায়, ১০০০ দিতে হইছে।এছাড়াও ইনক্রিমেন্ট এড করার জন্য ৮০ টাকা করে নেয়।
প্রতি ১লাখ টাকায় বিল পাশের জন্য ---- হিসাবরক্ষণ অফিসের রেট নিম্নরূপ : অডিটর ২০০/- সুপার : ২০০/- হিসাবরক্ষণ অফিসার : ৫০০/- যিনি চেক লিখেন তার পাওনা: ১০০/- এই টাকা দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিল পাস হয়ে যায়। কম দিতে চাইলে বিভিন্ন কাগজপত্রের অজুহাতে কয়েক দিন ঘুরায়।
বদলি হবার কারণে, বেতন বন্ধ ছিল, বেতন চালু করার জন্য এজি অফিসে, ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি টিএ ডিএ বিল অনলাইনে সাবমিট করেছি আমার অফিস থেকে হিসাবরক্ষন অফিসে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তারা হার্ড কপি লাগবে বলে। সরকারী আদেশে হার্ড/প্রিন্ট কপি এখন জমা দেওয়ার নির্দেশনা বাতিল করেছে। এরপর আমার ২০০০০ টাকার বিলে ১৫% হারে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে বিল EFT করতে হয়েছে।
জিপিএফ হতে কিস্তি উত্তোলনে দেয়া হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এফসি আর্মি লগ অফিসে ঠিকাদারি বিল সহ যেকোন বিল পাশ করাতে ০. ৮% করে টাকা দিতে হয়। অফিস সহায়ক থেকে অফিস প্রধান সবাই ভাগ পেলে বিল পাশ করায় অন্যথায় বিল ফেরত দিয়ে দেয়। অভিযোগ জানালেও কাজ হয়না।
সেনাবাহিনীর চাকরির শেষে অবসর গ্রহণের প্রাক্কালে এলপিআর, ডিএসপি ফান্ড, সঞ্চিত ছুটির হিসাব চূড়ান্তকালে এফপিও অফিস কর্তৃক বিভিন্ন দেনার কথা বলে এবং অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তার পেনশন কমিটেশনের পাওনা হিসাব থেকেবিভিন্ন দেনা আছে বলে কর্তন করে চূড়ান্ত হিসাব করে। এত করে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
পেনশন ভাতার আবেদন করা হয়েছিল।