বেতন চালুকরণ
1000 টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
1000 টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
উচ্চতর গ্রেড এবং নতুন কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণীর করার জন্য তাদের টাকা দিতে হবে, না হয়, কখন হবে তার কোন ধারনা নাই
আমার বাবার পেনশনের জন্য দালাল চক্রকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল, শুধু আমার নয় টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় যত মানুষ সরকারি চাকরি থেকে পেনশনে যায়, সবাইকে গুনতে হয় ফাইল স্বাক্ষর এর জন্য মোটা টাকা
সরকারী অফিসের বিল উত্তোলনের ক্ষেত্রে ৫% হারে ঘুষ দাবি সকল হিসাব রক্ষন অফিস
Amer school er markshet ante 300 tk dete hoyce aber certificate ante aro 300 lakbo bolce 😔ami 200 tk dey onara nay na bole 300 tk lakbe Location - daulat kandi m.b High school Raipura Narsingdi
পেনশনে যাওয়ার জন্য চাকুরী শেষে এফপিও, অর্ডন্যান্স সেন্টার, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর পেনশনের হিসাব করার জন্য টাকা দিতে হয় সবার কাছ থেকে এই টাকা নেয়।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে কাজ করা অফিস ইজি অফিস টাকা ছাড়া কোন কিছুই করে না। সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে তদূর্য অ্যামাউন্ট ডিমান্ড করে তারা।
দেশের যে কোনো উপজেলায় সরকারি সকল অফিসের যে কোনো বিল/কর্মচারির ভাতা পাশ করানোর জন্য একাউন্ট অফিসে ৫% ঘুষ দেওয়া লাগে। এটা ওপেন সিক্রেট, সবাই জানে,জেনেও চুপ থাকে যেন এটাই স্বাভাবিক।
অডিটররা ঘুষ চেয়ে বসে এবং ঘুষ ছাড়া কোন কাগজপত্র প্রসেস করে না।
টাকা না দিলে এ গুলো হচ্ছিল না, টাকা দেয়ার পর শব হয়ে গেছে।
পেনশন এর জন্য কাজ ছিলো। টাকা দিতে হবে তাহলে সব কাজ হবে ফাইল রেডি হবে নাহলে কোন কাজ করে না । টাকা দিলে সব কাজ হয়েছে।
আমার আব্বুর পেনশনের চেক আনতে গিয়েছিলাম জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিল্ডিংয়ে হিসাব ভবনের পেনশন শাখাতে। সহজ কিছু কাজ ও ধাপ ওখানে কর্মরত কর্মকর্তারা কঠিনভাবে বলেন এবং ২-৩দিন ফাইল নিয়ে ঘুরায়। যেদিন চেক দিবে সেদিন তাঁরা বলেন এই অফিসে সর্বনিম্ন ৮-১০হাজারে নিচে কেউ খুশি হয়ে টাকা দেয় না। পরে ১০হাজার টাকা দিয়ে পেনশনের চেক নেওয়া লাগছে। এবং গত ২-৩দিনে যে কয়টা পরিবার বা ব্যক্তি পেনশনের টাকার জন্য গিয়েছিলেন, আমি কথা বলে জেনেছি সবার থেকেই এভাবে ৮-১০হাজার করে টাকা নিয়েছে। এসব জেনে শুনে একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমরা ঘুষের দিয়ে সরকারি ফ্রি সেবা গ্রহণ করেছি।
সরকারি চাকরিজীবীদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পোস্টিং হবে সাধারণত lpc নামে একটা কাগজ পাঠানো হয় ওই কাগজটি আবার অনলাইনে সাবমিট করতে হয় স্যালারি চালু করার জন্য। যা মাত্র এক মিনিটের কাজ এই কাজটির জন্য একদম খোলামেলা/ খুল্লাম খুল্লা আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে বসে পরে আমি বার্গেনিং করে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য কারণ আমি যদি টাকাটা না দেই তাহলে আমারই চালু হবে না। এমন নির্লজ্জ বেহায়া দুর্নীতি আমি আগে অবলম্বন করিনি। কোন সংস্থা বা ব্যক্তি বিষয়টির তদন্ত করতে চাইলে আমি তাকে সহায়তা করতে রাজি আছি।
wanted to take bribe
বদলি জনিত কারণে আগস্ট-২৬ এর বেতন আটকে ছিলো ওনারা আইবাসে approve না করলে আমার বেতন হবেনা। তাই ওনারা ৫০০ টাকা দাবি করেন। আমি নিরুপায় হয়ে ৩০০ টাকা দেই, বাকিটা বেতন হলে দিবো বলেছি। আমি এছাড়া আর উপায় পাইনি।
সরকারি কর্মকর্তাদের সন্তানের ( সর্বোচ্চ ০২ জন) বয়স ০৫ বছর হলে সরকার সন্তান প্রতি ৫০০/- টাকা শিক্ষা ভাতা দেয়। আমার ১ম সন্তানের বয়স ০৫ বছর হওয়ায় গত মাসে শিক্ষা ভাতার জন্য আমার দপ্তরের ক্যাশিয়ারের মাধ্যমে CAFO(IRD) বরাবর দলিলাদি জমা দেই। কিন্তু মাস চলে গেলেও শিক্ষা ভাতা যোগ হয় না এবং বেতনও সাবমিট করতে পারি না। পরে ক্যাশিয়ারকে বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ দিলে সে CAFO(IRD) এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৫০০/- টাকা প্রদান করে আমার শিক্ষা ভাতা চালুর ব্যবস্থা করে।
আমি ২৬ বছর চাকরি করার পর আমার নিজের GPF এর টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে এই হয়রানি শিকার হই। ঘুষের জন্য টাকা এখনো উত্তোলন করতে পারিনি। আমি উক্ত অফিস এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলের প্রাধ্যক্ষ আমার কাছে এক বছরের অতিরিক্ত ভাড়া নিয়েছে। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে বলেছে, এই টাকা না দিলে আমি যে দুই সিটের রুম থেকে সিঙ্গেল সিটে আসার আবেদন করেছি সেটা মঞ্জুর করবেনা। আমি এই কথা শুনে রেগে গেলেও, আমার থিসিসের ব্যস্ততা আছে, তাই এটা নিয়ে ভিসির কাছে অভিযোগ করা বা নিউজ করার মত আলাদা মানসিক চাপ নিতে চাইনি তাই মেনে নিয়েছি।
আমার টিএ ডিএ বিল উপজেলা একাউন্স অফিস, কমলগঞ্জ এ পাঠাই। কিন্তু একাউন্স অফিসারকে বিলের অর্ধেক ঘুষ না দেয়ায় বাতিল করে পুনরায় আমার আইডিতে ফেরত পাঠায় বর্তমান একাউন্স অফিসার।
বর্তমানে কর্মরত উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যেকটি সরকারি দপ্তরের সরকারি বিল যখন তার অফিসে জমা হয়, তিনি প্রত্যেকটি বিলের থেকে 5% থেকে 15% পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকেন এবং তিনি প্রত্যেকটি বিল খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে কোন ভুল ধরতে পারলে সেই বিল থেকে 20% থেকে 25% টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করেন