পেনশন ভাতা
পেনশন ভাতার আবেদন করা হয়েছিল।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পেনশন ভাতার আবেদন করা হয়েছিল।
paid for LPC in every transfer
সেনাবাহিনীর চাকরির শেষে অবসর গ্রহণের প্রাক্কালে এলপিআর, ডিএসপি ফান্ড, সঞ্চিত ছুটির হিসাব চূড়ান্তকালে এফপিও অফিস কর্তৃক বিভিন্ন দেনার কথা বলে এবং অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তার পেনশন কমিটেশনের পাওনা হিসাব থেকেবিভিন্ন দেনা আছে বলে কর্তন করে চূড়ান্ত হিসাব করে। এত করে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
বদলির জন্য এলপিসি পাঠাতে টাকা না দিলে গড়িমসি করেন।
শ্রান্তি বিনোদন এর টাকা উত্তলন বাবদ ২৫ জনের প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে দিতে হয়েছে।
প্রথমে অডিটর ১০০০০ টাকা চায়।৬০০০ দিয়ে আসি কাজ শেষে ৪০০০ দিবো। তারপরেও অনেক দিন সময় লাগায়। কাজ শেষে ৫০০০ নেয়। আবার বড় অফিসার ৫০০০ নেয়।
Ami ghuser jonnow 200000 taka sorboses dite cheyesi..kintu tara 500000 na dewar karone file ta audit appotti diye juliye dei.. ar sei pension file ti niye ajke prai 7 bosor jabot gurtesi ..er moddhe abba intekal korse ..akhon gale boltese apnar abba beche thakle korte partam.. akhon tara 50/50 ei vabe ghush niye kaj korte chaitese..
আমি অত্র জেলায় নতুন যোগদান করার পরে আমার বেতন চালু করার জন্য কয়েকবার হিসাবরক্ষন অফিসে গেলে তারা নানান টালবাহানা করে বলে এলপিসি আসে নাই, হ্যান ত্যান। কিন্তু আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে জানায় তারা এলপিসি পাঠিয়েছে। এই অবস্থায় আমি প্রায় ৩ মাস বেতন পাই নাই। পরে তাদের দাবিকৃত ১০০০ টাকা পরিশোধ করার পরে আমার বেতন চালু হয়েছেন
পিওনকে টাকা না দিলে কথা-ই বলা যায় না
LPC গ্রহণ ও প্রদানের জন্য ১০০০ টাকা সম্মানী প্রদান করতে হয়েছে।
পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করার জন্য উক্ত টাকা দেয়া হয়েছে।
বিল উত্তোলনের জন্য ট্রেজারি অফিসে প্রয়োজনীয় MB Book ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিলের টাকা উত্তোলনের জন্য প্রতি ১ লাখ টাকায় ১০০ টাকা প্রদানের দাবি করা হচ্ছে। উক্ত টাকা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানালে MB Book ও চেক প্রদান করা হচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও আমার বিলের টাকা উত্তোলন করতে পারছি না এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বদলি হওয়ার কারণে lpc নেয়ার জন্ন্য
আমি রাউজানে একটা অফিসে সরকারি অফিসার৷ সরকারি ট্রেনিং এ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়৷ এই সব ট্রেনিং এ কিছু গাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়। এসব ভাতা অনলাইনে আইবাসে আবেদন করতে হয়, বিলটা পাশ হলে তারপর এই ভাতা পাওয়া যায়। কিন্তু হিসাবরক্ষণ অফিস ঘুষ না দিলে এই বিল পাশ করে না। প্রত্যেক বিলের জন্য কমপক্ষে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। বিলের টাকা হিসাব করে এই ঘুষের পরিমাণ নির্ধারণ করে তাড়া। না দিলে মাসের পর মাস এই বিল আটকিয়ে রাখবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়। এদের সাথে আমাদের অফিসের একাউন্টস শাখার লোকও জড়িত। খবর নেওয়া দেখা গেছে, সম্পূর্ণ রাউজানে এভাবে করে হিসাবরক্ষন অফিস।
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
প্রথম যখন চাকুরিতে যোগদান করি তখন সর্ভিস বুকের বিভিন্ন কাজের জন্য ১০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। যে কোন টিএডিএ বিলের জন্য ৫-৭% টাকা পরিশোধ করতে হয় তা না হলে বিল অন্য ধাপে যায় না। উচ্চতর গ্রেড/ বিভিন্ন ফিক্সেশন করার জন্য নগত ১০০০০ টাকার মতো দাবী করা হয়।
পে ফিক্সেশন বাতিল করতে গিয়ে ২ অফিসে ১০০০ ও ১৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার সুবাদে আমি একদম নিশ্চিত যে, সব উপজেলার চিত্র একই। উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসগুলো একটা অলিখিত সংবিধান করে রেখেছে যে, অন্যান্য সরকারি অফিসগুলোর বিল পাশ করার জন্য ৫% হারে তাদেরকে কমিশন প্রদান করতে হবে।
টাকা ছাড়া বিলই পাশ করেনি
পেনশনার ভাতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। লাইভ ভেরিফিকেশন করতে।