পাওনা ছুটি ফর্মে ছুটি পাওনা মর্মে প্রতিবেদন প্রদান
অর্জিত ছুটি নিতে হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রতিবেদন প্রয়োজন হয়। সেটা নিতে গেলে অডিটর ৫০০টাকা দাবি করে। এটা প্রদান করে উক্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অর্জিত ছুটি নিতে হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রতিবেদন প্রয়োজন হয়। সেটা নিতে গেলে অডিটর ৫০০টাকা দাবি করে। এটা প্রদান করে উক্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়।
pension er jonni ghus cheye chilo
উপজেলায় ৭০ জন নিয়োগ পেয়েছিলাম, সবাই একত্রে টাকা উঠিয়ে ২ জন প্রতিনিধির মাধ্যমে জন প্রতি ৪০০ টাকা করে ঘুষ দিয়েছি ( তারা বাধ্য করেছে দিতে, নইলে বেতন চালু হতে দেরি হইতো অনেক)
বিভিন্ন সময়ে সর্বসাকুল্যে সব টাকা কোম্পানিক প্রদানের জন্য সমস্ত ডকুমেন্ট প্রদান করলেও অডিটর, সুপার, অ্যাকাউন্ট অফিসার সবাই মিলে গড়ে পাঁচ থেকে দশ পার্সেন্ট করে টাকা দাবি করে। না দেয়ার কথা বললে তারা বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করে। এছাড়া এই ডকুমেন্ট ঠিক নেই ওই ডকুমেন্ট ঠিক নেই এগুলো বলে। পরে যদি টাকা দিয়ে দিই তাহলে তারা সব বিল পাস করে দেয়। কিন্তু তারা বলে বাংলাদেশের কন্ট্রোলার ও অডিটর জেনারেল অফিসের যারা আছে তারা তাদের কাছ থেকে একটা পার্সেন্টেজ নেই, তাই তারা শুধু একা ঘুষ খায় সে বিষয়টি ওরকম নয় বরং সবাই এর ভাগ পায় তা না হলে কিভাবে তারা সকলে ঢাকা শহরে বাড়ি করে গাড়ি করে। এই ঘুষ বন্ধ করতে হলে সবাইকে ঢাকা শহরে যে কয়টি ফ্লাট আছে প্রত্যেকের আয়ের উৎস খুঁজে বের করলে তখন একমাত্র সম্ভব হবে।
ট্রেনিং ভাতা ও অন্যান্য সম্মানী বিল পাশ করার জন্য প্রতি মাসেই চেয়েছে, আমরা দিয়েছি, অন্যথায় বিল পাশ করে নাই
To receive consultancy fee I was asked to pay bribe to the officer unless the cheque will not be cleared until the end of that financial year. I had to pay the bribe as there were no other option left for me as I could not get any support from the issuing government authority nor I didn’t have any information to reach out to the right government agency who could take action against it.
চাকরীরত অবস্থায় মৃত্যু বরন করায় পেনশন ফাইল দাখিলের পর তারা এই টাকা দাবী করেন। নিরুপায় ও অসহায় হয়ে উক্ত টাকা দিয়ে কাজ ছাড়ানো হয়।
বদলি হওয়ার কারণে আমি আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করি, যোগদান করার পর আমার অ্যাকাউন্ট নতুন কর্মস্থলে ট্রান্সফার করা হয় তা ঠিক করতে, এবং ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তন করতে আমার কাছ থেকে নাস্তা পানির খরচ দাবি করা হয়, পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি তা দিতে বাধ্য হই। আমার দৃষ্টিতে এটা সম্পূর্ণ চিহ্নিত কাজ।
সরকারি অডিট দপ্তর একটি,সরকারি অফিসে অডিট আপত্তি না দেয়ার শর্তে ঘুষ চেয়েছে
আইবাসে ভ্রমণের বিল সাবমিট করলে এজি অফিস ঘুষ গ্রহণ ছাড়া বিল অনুমোদন করে না। বিলের ৫% হারে টাকা নেই। এছাড়াও, অফিসের যেকোন কেনাকাটায় ৫% হারে ঘুষ দেওয়া লাগে। উল্লেখ্যে, নতুন বেতনবিল করার সময় অর্থাৎ, আইবাসে এন্ট্রি নেওয়ার সময় ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছিলো।
কম্পিউটার মেরামত বাবদ ৬০০০ টাকার বিল পাস করতে ৩০০০ টাকা দাবী করা হয়।
আমার নিজের টি এ বিল করতেই এত টাকা দিতে হিইছে
বিল অনুমোদনে গড়িমসি, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যম্র সামান্য অর্থ চাওয়া হয়েছিল, কোনো আগ্রহ দেখাইনি বলে অনুমোদন ও হয়নি।
পেনশনার এর চেক পাস করার জন্য। 10 হাজার দিতে হবে ,না হলে কাজ হবে না । বাধ্যতামুলক পরিশোধ করিতে হইয়াছে।
বেতন কাঠামো সঠিক করন
এটি সরকারি চাকরিজীবীদের উচ্চতার গ্রেটর পেয়ে ফিক্সেশন জন্য এই টাকাগুলো নেয়া হয়েছে এটি হলো অডিটার এবং ডিও দুইজন মিলেই এ টাকাগুলো খেয়ে থাকে
৫% দিতে হবে সকল বিলে নাহয় বিল পাশ হবে না
টাকা না দেওয়া পেনশন আটকে রেখেছিল, টাকা পেয়ে, আমার কাজ করে দিয়েছে
Advanced adjustment, over mobile phone, I have rejected
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (বিবিধ) এ শতকরা ১০%-২৫ ঘুষ দিতে হয়।