বদলীজনীত কারনে শেষ বেতন প্রত্যয়ন
আবেদন করার পরও টাকা না দেয়া পর্যন্ত দেয় নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আবেদন করার পরও টাকা না দেয়া পর্যন্ত দেয় নাই
চাকুরি ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড লাগাতে ২০ দিন ঘুরিরে ৬০০০ টাকা নিয়েছে।
৪৩০০০ টাকা এরিয়াল বিলের বিপরীতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
নতুন চকরিতে যোগদানের জন্য পে ফিক্সজিশন করার সময় জন প্রতি ২০০০টাকা
পোস্টিং হওয়ার পর এলপিসি কর্মস্থলে পাঠাতে টাকা দিতে হয় না দিলে ৬ মাসেও এলপিসি যায় না বেতন ও হয় না।পোস্টিং হয়ে আসলে এলপিসি রিসিব করাতেও টাকা দিতে হয় না দিলে ফেলে রাখে দীর্ঘদিন। বেতন না হওয়ার দরুন প্রবল আর্থিক সংকটে পড়তে হয়।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়
টাকা ছাড়া এলপিসি দেয়না।
সেবা দিতে বারে বারে বিলম্ব করেছে, ২ মাস ঘুরিয়ে খরচ পাতি আছে তারপর কৌশলে টাকা নিয়েছে এবং কাজ করে দিয়েছে।
ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি অফিসের অডিট করতে এসেছিলো
উপজেলার সব ইউনিয়ন পর্যায়ের অফিসে অডিট করার জন্য ঢাকা থেকে টিম এসেছিলো। বর্তমানে ভূমিসেবা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড হয়ে যাওয়ার ফলে সেবা দেওয়ার জন্য ইন হ্যান্ড ক্যাশ নেওয়ার অপশন নেই। ফলে তার কোনো অডিটেরও দরকার নেই। তবুও ফর্মালিটিজ এর জন্য অডিটে এসেছিলো। উপজেলার ১৫টা ভূমি অফিস থেকে ১০০০০০টাকা ঘুষ দাবি করেছিলো। দরদাম করে ৭৫০০০ হাজারে ফিক্সড করে তা তাদের দিতে বাধ্য করেছিলো। যারা যারা কেন দিতে হবে বলে কথা তুলেছিলো তাদের অডিট আপত্তি দিয়েছিলো।
5000/- ট্রাভেলিং বীরের ৫% পার্সেন্ট ২৫০/-
বুনিয়াদি প্রশিক্ষনের ভ্রমণ বিল করেছি কিন্তু সেটা দেয়নি
হিসাবরক্ষণ যে কোন সেবা নিতে গেলেই স্পিড মানি দিতে হয়। নইলে ফাইল পার হয় না।
বেতন বিল চালু করতে টাকা লাগছে
বেতন বিল চালু করতে টাকা নিয়েছিল
বেতন করতে সার্ভিস বুক, এজি অফিসে গেলে, তখন দেওয়া লাগছে। ১ম বার ১০০০ টাকা দিছিলাম, করে দেয় নি উল্টো আমার ফিক্সেশন কাগজ টা অডিটর বদলি হওয়ায় সাথে করে নিয়ে গেছিল। পরে অন্য অডিটর কে ৩৮০০ টাকা দিয়ে বেতন করেছি।
ভ্রমণ ভাতা বিল পাশ করতে গেলেই হিসাবরক্ষণ অফিসকে বিলের ৫% দিতে হয়। না হলে বিল পাশ হয় না।
যেকোনো ধরনের বিল পাশ করতে টাকা দাবি করে না হলে বিল পাশ করে না
আমার পেনশন এর টাকা ছাড়করন করার জন্য কাফা থেকে একজন ভদ্রলোক ফোন দিয়ে নানা ভাবে ফাইলের সমস্যা দেখিয়ে তার সমাধান হিসেবে ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং উক্ত টাকা যতদিন পরিশোধ করিনি ততদিন আমার ফাইল আটকে রেখেছে।টাকা দিলে ফাইল এবং টাকা দিয়েছে।আর এই সমস্যার ভুক্তভোগী প্রতিটি মানুষ।আশেপাশে পেনশন বা আফা থেকে টাকা প্রাপ্তি অথবা যে কোনো সেবা গ্রহন করেছে এমন কোনো ব্যাক্তি যদি পরিচিত থাকে তাদের থেকে জিজ্ঞাসা করবেন,সবারই একই কাহিনী। ভাগ্য ভালো মৃত্যু এর সাথে কাফার সম্পর্ক নাই,নাহলে লাশ দাফনেও তাদেরকে ঘুষ দিতে হতো না হলে লাশ ছাড়ত না।আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুন,আমিন।
টাকা আগে থেকে না দিলে বেতন চালু করেনি।
আমার জিপিএফ এর ১ম লোন নিই ২৪০০০ টাকা, এই ২৪ হাজার টাকার বিল পাস করানোর জন্য ৫০০ টাকা বখশিস দিতে হয়েছে😥প্রতিবার ব্যালেন্স শীট নেওয়ার জন্য ২০০ টাকা করে বখশিস দিতে হয়।