নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমারা যারা সরকারি চাকুরী তাদের এক কর্মস্থল থেকে অন্য কর্মস্থলে বদলি হলে একাউন্স অফিস থেকে একটা শেষ বেতনের প্রত্যয়ন নিতে হয়। এটা নিতে গেলে ও তাদের টাকা দিতে হয়। আবার নতুন কর্ম স্থলে রিসিভ করালেও তাদের কমপক্ষে 500 টাকা দিতে হয়। এবং যে কোন সরকারি বিলে তাদের 5% কমিশন দিতে হয়। যে কোন নিয়ম এর মধ্যে নেই। টাকা না দিলে অযথা ঘুরাবে। টাকা দিলে আর কোন আইনের বাধ্যবাদগতা থাকে না।
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন এক দরজা থেকে আরেক দরজায় গিয়েছি, দায়িত্বরত অফিসার বলে আজকে হবে না, বড় স্যার ছুটিতে আছেন। ২/৩দিন পর আসেন, তারপরও কাজ হবে কিনা সিউর না, অনলাইন আবেদন করতে হবে, এই করতে হবে, সেই করতে হবে, এরপর টাকা পেতে প্রায় ১/২ মাস লেগে আবে। সারাদিন এই দরজা ওই দরজায় ঘুরাঘুরির পর ১জন এসে বলল, ৫০০০টাকা দিন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। পরে আমার সাথে ৩০০০ টাকা ছিল, সেটা দেই। টাকা দেয়ার ৫ মিনিটের ভিতর ওই অফিসার কাজ শেষ করে দিল, বলল আর কিছু করতে হবে না, আপনার ভাতা ২দিনের ভিতর পেয়ে যাবেন।
অফিসার: পে ফিক্সেশন এর কাজ তো অনেক দেরি হয়।আমরা এটা জমা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা ফোন দিলে আসবেন। কাগজ পত্রের উপর অনেক লাল কালী দিলেন।আর বললেন এগুলো তাদের অধিকার। আর একদিনে তো সব অফিসার থাকে না।আপনি এক সপ্তাহ পর খোজ নিয়েন।আমার ফোন নাম্বার নিয়ে যান। আমি বললাম আমার নতুনচাকরি একটু তাড়াতাড়ি করে দিলে বেতন টা পেতাম।এমনিতে অনেক দিন হয়ে গেছে সব কাজ করতে।উনি কোন কথা শুনতে রাজি নয়।আগের কথার পূনাবৃত্তি।পাশের একজন বললেন চা নাস্তার টাকা দিলে কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন। পরে অফিসারের হাতে অফিসেই ২৫০০/ টাকা দিলাম।কাজ একদিনের ভিতরে হয়ে গেছে। আবার বলে আপনার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছু না বলে চলে আসলাম।এই হচ্ছে তাদের অবস্থা।
পেনশনের মাসিক ভাতা চালুর করার জন্য নিতে হয়েছে, স্বামী মৃত্যু পর স্ত্রী নামে চালু করার জন্য দিতে হয়েছিলো
আমার অফিসের ক্যাশ সরকার নতুন বেতন চালু করার জন্য আমি এবং আমার ব্যাচের অন্যদের কাছ থেকে ১০০০ টাকা করে চেয়েছিলো। চাকরি নিয়ে টাকা লাগে নাই কিন্তু বেতন চালুর জন্য টাকা দিয়ে বাধ্য হয়েছিলাম। অন্যথায় বেতন আটকে থাকবে। ক্যাশ সরকার বলেছিলো এজি অফিসকে মিষ্টি খাওয়ানোর টাকা। তবে একটা অংশ সম্ভবত ক্যাশ সরকারের পকেটেও যায়।
আমার বকেয়া বেতন ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা তুলতে গেলে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতনের ২% মানে ২হাজার টাকা দাবি করে। এবং নানা টালবাহানা করে। অবশেষে আমাকে দিতেই হয়
আপনার কথাগুলোকে একটু গুছিয়ে, পরিষ্কার ও শক্তভাবে একটি অভিযোগ/সামাজিক পোস্টের ভাষায় লিখে দিলাম: আমার বাবা বন বিভাগে চাকরি করেছেন। তাঁর পেনশনের টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষণ অফিসে যাই। সেখানে পেনশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৭৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি একসঙ্গে এত টাকা দিতে পারব না জানালে, কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী তিন ধাপে টাকা দেওয়ার কথা হয়। প্রথম ধাপে আমি ২৫,০০০ টাকা দিই। এরপর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আমাকে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও ২৫,০০০ টাকা দিই। সর্বশেষ যখন আমাকে পেনশনের চেক দেওয়া হয়, তখন বাকি ২৫,০০০ টাকা দিয়ে চেকটি গ্রহণ করি।
আমি সরকারি চাকুরী করি, সে লক্ষ্যে আমার ঢাকা থেকে সিলেট পোস্টিং হয়। সরকারি আদেশ অনুযায়ী পোস্টিং হওয়ার ১-২ মাসের মধ্যে বেতন কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আমার প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় হয়ে যাওয়ার পরেও বেতন হচ্ছিলো না। অতঃপর আমি সিলেট হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি তারা আমাকে জানায় যে আমার ফাইল টি এখনো ঢাকা থেকে আসে নাই। অতঃপর আমি ঢাকা হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে বলে যে আমার ফাইলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে আরও এক থেকে দুই মাস অতিবাহিত হয়। আমার নিম্ন আয়ের মাধ্যমে আমার সংসার চলত। প্রায় সাত মাস বেতন বন্ধ থাকার পরে বিভিন্ন জায়গা হতে ঋণ করতে হয়েছে। অতঃপর আমি আমার সহকর্মী কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করি, তারা আমাকে বলে যে কিছু টাকা অর্থ প্রদান করলে আমার বেতন হয়ে যাবে। অবশেষে আমি ন
আমি একজন স্টুডেন্ট ,কুমিল্লা অগ্রনী ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য গেছিলাম,একাউন্ট খুলতে হলে নাকি ৫০০ টাকা জমা দেওয়া লাগবে,আর তাদের দেওয়া লাগবে ঘুষ ২০০টাকা, কোনো উপায় খুজে না পেয়ে পরে বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
Salary shuru korar jonno chawa hoyechilo
সরকারি নতুন বেতন চালু করতে ৩২ হাজার টাকা চেয়েছে ১৫০০০ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে বেতন চালু করেছি। একই কাজের জন্য আমার কলিকও ২০০০০ টাকা ঘুস দিয়ে বেতন চালু করেছে।
টিএ/ডিএ বিল হিসাবরক্ষণ শাখা পে-২ থেকে পাস করার জন্য বিল প্রতি ১৮-২০% করে দাবি করেছে।
আমি একজন সহকারী শিক্ষক। আমার GPF একাউন্ট অপেন করার জন্য আবেদনের সবকিছু অনলাইন থেকে ফ্রিতে করে দেয় শিক্ষা অফিস। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়, স্বাক্ষর করে দেন। অতঃপর ডকুমেন্টস হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দিতে গেলে, টাকা খোঁজে। আমি ৫০০ টাকা দিয়েছি। টেকনাফ হিসাবরক্ষণ অফিস।
I wanted to submit my ta/da bill. But without giving them bribe 5% to 10%, no bill will be submitted there.
সাধারণত কোন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে হিসাবরক্ষণ অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পিউটার অপারেটর এবং হেড ক্লার্ক অথবা বড় বাবু নামে পরিচিত ব্যক্তির তরফ থেকে জানানো হয় কাজ নিয়ে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে তাদেরকে মিষ্টি খাওয়া বাবদ টাকা দিতে হয় এই টাকা না দিলে হসপিটাল থেকেও কোন কাজ প্রসেসিং শুরু করে না! অনেক ক্ষেত্রে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার পর হসপিটাল এর অফিস থেকে কার্যক্রম শুরু করে! এবং আমি নিশ্চিত যে টাকাটা হিসাব রক্ষণ অফিস এবং হাসপাতালের কর্মচারীরা উভয়ের ভাগ করে নিয়ে থাকে। হিসাব রক্ষণ অফিসে টাকা চাওয়ার ব্যাপারে জানতে গেলে তারা উত্তর দেয় কিছু কাজে জটিলতা থাকলে তাদেরকে ঢাকার অফিসে টাকা প্রদান করা লাগে।
শ্রান্তি বিনোদন এর বিলের জন্য টাকা চেয়েছে।
টাকা ছাড়া বিল পাশ করেনা। দিন শেষ এই টাকার ভাগ ৬০% হিসাবরক্ষণ অফিসার। বাকী ৪০% টাকা ঐ অফিসের অডিটর, সুপার, পিয়ন নেয়। এই ৫% কমিশন প্রতিটি হিসাবরক্ষণ অফিসের অলিখিত নিয়ম। শুধুমাত্র UNO অফিসের বিলে কিছুটা ছাড় দেয়। পেনশন বা কোন উচ্চতর গ্রেড/এককালীন বিল উত্তোলনে ক্ষেত্র বিশেষে ২০%-৪০% টাকা নিয়ে থাকে। যেকোন বিলেই ৫% কমিশন নেয় কিন্তু কেউ প্রকাশ করেনা।
২০৯ সালে চাকুরীতে জয়েন করার পড় ২ টা অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা। ২০২৬ সালে এই অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি। তাই ২০২৯ থেকে ২০২৬ সালের এরিয়ার বা বকেয়া বিল তোলার জন্য জন প্রতি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে। আমরা মোট ২৫ জনের মত এই সমস্যায় আছি।
পে ফিক্সেশন থেকে শুরু করে ইনক্রিমেন্ট চালু করা , এমন কোন কাজ নেই যেটা টাকা ছাড়া হয়
১০ বছর আগে চাকরি দিবে বলে টাকা নিয়েছিলো।এখনো টাকা ফেরত দেয়নি।বিভিন্ন বাহানায় সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছে।