17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময় আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়, আমি প্রত্যাক্ষান করি, কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের অফিসের এক দালাল এর জন্য অন্য কলিগরা রাজি হওয়াতে দিতে বাধ্য হই।।
আমার বাবার পেনশন এর টাকা অফিস থেকে ভুল করে বেশি দিয়েছিল সেটা ঠিক সেটা ঠিক করার জন্য ১ লক্ষ টাকা ঘুস দিতে বলছিল
বেতন এর মাস খুলতে গেলে টাকা দাবি করে, মাসের পর মাস ঘুরিরে বেতন দেয়। ভুল ভাল রিপোর্ট করে। সঠিক তথ্য দেয় না। AG অফিস গুলো চরম পরিমানে ঘুস খায়৷ এদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস করে না। নাহলে এরা সকলের বেতন আটকে দেবার ক্ষমতা রাখে।
বকেয়া বিল উত্তোলন করতে মোট টাকার ২৫% দাবি করেছেন অবশেষে ১০% টাকা দিয়ে বিলটি করিয়ে এনেছিলাম। এটার আগের বকেয়া বিল উত্তোলন করার সময় একই ধরনের দাবি করেছেন অবশেষে দাবি মানতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিন থেকে চার মাস ফাইল আটকে রেখেছিলো।
50 থেকে ৫০০ যাই দিবেন তাই নিবে নেওয়া শেষ হলে কাজ
প্রথম সরকারী চাকরীতে এজি অফিসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। ঘুষ না দিলে তারা ফাইল মাসের পর মাস ফেলে রাখে। ফলে বেতন হয় না। এজি অফিস খুবই আউট অফ কন্ট্রোল কারন এখানে যায় সরকারী চাকরীজীবীরাই। এজন্য তারা চাইতে সাহস পায় কারন সরকারী চাকরীজীবীরা আর কি করবে!
সরকারি কাজে যাতায়াত বাবদ টিএ/ডিএ বিল দাবী করা হয়েছিল। তারা নাকি সব বিলের উপর ১৭%, ২০% এবং ২৫% হিসেবে নিয়ে থাকেন। এটা চলমান প্রক্রিয়া।
ঘুষ ছাড়া একাউস্টস অফিস কোনো বিল পাস করে না
কী আর বলব? পে ফিক্সেশন বাবদ যেখানে ঘুষ দিতে হয়।
Bill paser. Kjonno 20% ghus
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা তে বৃহৎ করদাতা ইউনিটে বদলীর পর LPC প্রেরণ না করে পাঁচ মাস বেতন বন্ধ রেখেছিল। নতুন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ২০০০ ও পুরাতন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ৩০০০ পরিশোধ করার পরও এল পি সি নিয়ে টালবাহানা করছিল। শেষমেষ টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়ে বেতন সচল করি। এই পাচ মাস নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় পড়েছিলাম। নতুন সরকার এল পি সি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অন্য কর্মচারীদের ও ঘুষ নিতে উতসাহিত করবে আশা করছি। কারণ অনেক কর্মচারী মনে করে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সে খাবেনা কেন?! এজি অফিস এসবের হাতেখড়ি দেই।
Tk na dile kaj hobe na
কোরবানি ঈদের আগে আমার বদলি হয়েছে আজমেরীগঞ্জে উপজেলা থেকে লাখাই উপজেলায়, এখন যেটা হয়েছে একাউন্টস অফিসার বা একাউন্টস অফিস এল পিসি স্থানান্তরের জন্য আমি যোগাযোগ করলে আমাকে বলে আপনি ১৭ হাজার টাকা বেতন পান আমরা দশ হাজার টাকা দিয়ে দিই ৭০০০ টাকা আপনি আমাদেরকে দিবেন তারপর আমি যখন দিতে রাজি হই নাই আমাকে বলল আজমিরগঞ্জ তো হাওর এলাকা এখানে হাওর ভাতা পেতাম আর লাখাই উপজেলা হাওর এলাকা না, এ ভাতা না দেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখায় তখন বলে লাখাই হাওর এলাকা কি না সে পরিদর্শ করবে এবং আমাকে দিয়ে বাইক(মোটরসাইকেল) ভাড়া করিয়ে সে এলাকায় ঘুরে দেখো এবং বাইকের ভাড়া পরিশোধ করি এবং উল্লখিত ঘুষ না দেয়ার কারণে আমাকে হয়রানি করে এবং আমি বেতন বোনাস ছাড়া ঈদ পালন করি
ভ্রমণজনিত বিল অনুমোদন করতে অডিটর ১০০০/=টাকা দাবী করেন।একমাস অপেক্ষা করার পর ঢাকা হিসাবরক্ষণ অফিসের মাধ্যমে ফোনে অনুরোধ করিয়ে বিল অনুমোদন করতে হয়েছিল।
আমি নতুন চাকরিতে জয়েন করার পর ফিক্সেশন করার জন্য এবং ১ম মাসের বেতন নেওয়ার সময়
মুভমেন্ট বিল টিএ ডিএ তে ১৪০০০ এর বিলে ২৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অডিটর। পরিশোধ করার পর বিল পাশ করে।
বদলি বিল, ট্রেনিং এর বিল, জিপিএফ লোন টাকা না দিলে পাস হবে না
আমার মায়ের পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে চাইলে হিসাবরক্ষণ অফিস ২০০০০/- ঘুষ দাবি করে। পরে ১৫০০০/- দিয়ে ফাইল অনুমোদন করেছে।
বৈদেশিক কোর্সে যাবার আগে অগ্রিম বিল নেবার সময় ঘুষ দাবি করেছিল। সকল কাগজ সঠিক থাকা সত্তেও ঘুষ দাবি করে বাধ্য হয়ে দিতে হয়। সেখানে যারা কাজ করে সবাই অসামরিক অর্থমন্ত্রনালয় এর হিসাব শাখার।
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, আমি পেনশনে আসার সময় এফপিও (ফিল্ড পে অফিস) হতে ডিএসপি (জিপি ফান্ড) ফান্ডের হিসাব আনতে ৩,০০০/- টাকা, একই অফিস হতে এলপিআর বিল পাশ হতে ৬৫,০০০/- টাকা এবং এককালীন পেনশন বিল পাশ হতে ১৫,০০০/- সর্বমোট ৮৩,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।