আমার নিজের জিপিএফ টাকা ঋণ নেওয়ার চেকের জন্য
আমার নিজের জিপিএফ টাকা ঋণ নেওয়ার চেকের জন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার নিজের জিপিএফ টাকা ঋণ নেওয়ার চেকের জন্য
২০২৪ সালে চাকরি পাওয়ার আড়াই বছর পর জিপিএফ খুলতে গেলে হাটহাজারী হিসাবরক্ষণ অফিস এই টাকা নেয়।
প্রায়শই নানা কাজে ঘুষ চাওয়া হয়
কলেজের শিক্ষকদের বকেয়া বিল করতে উনি ৩.৫% টাকা দাবি করেন এবং কলেজের শিক্ষক গন সকলে মিলে টাকা দিয়েছেন।তাছারা প্রত্যেক বিলের পিছনে টাকা দিতে হয়
আমার নানা একজন মুক্তিযোদ্ধা সে মারা গিয়েছে, এখন আমার নানী এবং আমার মা ব্যাংকে গিয়েছে লোন তোলার জন্য ফুলবাড়ী উপজেলা সোনালী ব্যাংকে। সেখানে তারা ৫ লক্ষ টাকার লোন ব্যাংকের কাছে চায়। সবকিছু পেপার সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা ৫০০০০ টাকা ঘুষের জন্য দাবি করে। এই ঘুষ যদি তাদেরকে না দেওয়া হয় তাহলে তারা নানান প্রকার ভাবে হয়রানি করে হাওয়া কাজও তারা ঢিলে করে দেয় এবং ঘুষ দেওয়ার পরে কাজটি তাৎক্ষণিকভাবে করে তারা।
পেনশন এর কাজ করে দেওয়ার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করা হয়ে ছিল
গ্রাছুইটি টাকা উত্তলন,ramganj ag office, year 2024
আমি ২০১৯ সালে জিপি ফান্ড ওপেন করতে যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।তখন আমার নামে ভুল ছিল। ঐ নামটা ঠিক করার জন্য আমি ওনাকে ১০০০ টাকা দেই। ওনারা টাকা ছাড়া কথা বলে না।টাকা নিয়ে আমার কাজটা করে দেই নি।ঘুষ তো নিয়েছে কাজটাও করে দেই নি।এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা তাহলে সাধারণ মানুষ কিভাবে বসবাস করবে?
আমার মা কিছুদিন আগে পেনশনে যান। তখন তার লাম্প-গ্রান্ট এর টাকা উত্তলন করতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে গেলে সেখানকার কর্মরত অফিসার তার কাছে চা নাস্তা ও আনুষঙ্গিক খরচের কথা বলে তার কাছথেকে ১০/১২ হাজারের মতো টাকা দাবি করেন। মা পরে তার সহকর্মী যারা ইতোমধ্যে পেনশনে চলে গেছেন তাদের পরামর্শ নিতে গিয়ে দেখেন তাদের থেকেও একই ধরনের কথা বলে এভাবে টাকা নিয়েছেন। পরে মা এক প্রকার বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়ে তার লাম্প-গ্রান্ট এর বিলটি পাস করান। এই একই অফিস পরবর্তীতে মার ভবিষ্যত তহবিল ও পেনশনের টাকা উত্তলনের সময় ঘুষ নিয়ে তারপর বিল গুলো পাস করেন।
আমার বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ৩১০০০ টাকা পাই। পুরো টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭০০০ টাকা।
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন সেনাসদস্য। বেতন বহির্ভূত বিভিন্ন প্রাপ্য বিল, যেমন টিএ/ডিএ ও বৈদেশিক মিশনের বিল পাস করাতে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঘুষ দিতে বাধ্য হতে হয়। নিজের ন্যায্য প্রাপ্য পেতে যদি ঘুষ দিতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সেনাবাহিনীর মতো একটি সুশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠানে যদি এমন অনিয়ম থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কেমন—তা সহজেই অনুমেয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিল পাসের প্রক্রিয়াকে ঘুষমুক্ত ও স্বচ্ছ করা হোক।
আমি আমার পে ফিক্সেশন করতে গেলে টাকা চেয়েছিল। বলল চা নাস্তার টাকা দিতে হবে। এটা ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী আমার জিপিএফের সুদ মুক্ত স্টেটমেন্ট নিতেও ১০০০ টাকা দাবি করেছে আমার বদলি হলে প্রতিবার চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৫০০ এবং ঢাকা সেগুনবাগিচায় এক হাজার দিতে হয়েছে। শুধু আমার না প্রতিটা সরকারি চাকরিজীবীকে বদলি হলেই সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগর হিসাবরক্ষণ অফিস টাকা না দিলে বেতনের শেষ প্রত্যয়ন পাওয়া যায় না।
সরকারি চাকুরী হবার পরে বেতন চালু করতে হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত টাকা দেবার পরে বেতন চালু করে।
বলেছিল আপনাদের বকেয়া বিল করতে হলে ৫% দেওয়া লাগবে। না দিলে বিভিন্ন হয়্রানি করবে এবং পরবর্তীতে অনেক জামেলা করবে।
জেলা একাউন্ট অফিস,যেখানে সকল সরকারী কর্মচারীদের বেতন নিয়ে কাজ করে,এই জেলায় নতুন কেও জয়েন করলে তাদের কাছে টাকা ছাড়া কোন পেপারস সাবমিট হয় না,দিনের পর পর দিন ফাইল আটকে রাখে,টাকা দিলে তাড়াতাড়ি বেতন প্রদান করে,এমন কি কেও বদলী হলে শেষ বেতনের প্রতয়ন দিতে চায় না,কিছু করতে গেলে টাকা
শতকরা ৫% ঘুষ না দিলে কোন বিল পাস হয় না
কাজ না হওয়ায় অফিসে গেলে সরাসরি টাকা চাইল।
বিএড ডিগ্রি করার পর ও সাথে মাস্টার্সে ১ম শ্রেণি থাকায় তিনটি ইনক্রিমেন্ট লাভ করেছি। এটির বিল করার পর ২০১৫ সালে আমি বকেয়াসহ প্রায় ৪৫০০০/- টাকা পাই। আর সেটার বিল সাবমিট করার পর অডিটর প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ঘুরিয়েছে। তারপর বলে ৩০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হবে। তারপর কষ্ট করে দেওয়ার পর দেখি বিকেলে আমার অ্যাকাউন্টে ৪৫০০০/- জমা হয়েছে। তাছাড়া তিন বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতার বিল জমা দিলে সাথে ৫০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়, না বিল নিয়ে ঘুরাতে থাকে। এ যাবত ৫বার শ্রান্তিবিনোদন ভাতা উত্তোলন করেছি। শুধু ১বার ঘুষ দিতে হয়নি, বাকি চারবার দিতে হয়েছে ৫০০/- করে মোট ২০০০/-
আমি প্রথমে দিতে চাইনি যার জন্য আমাকে ৩ মাস ঘুরতে হয়েছে এর পরে সে মুখ ফুটে বলে ফেলল টাকার কথা। আমি আর ২ বার চিন্তা করি কারণ ৩ মাস আমকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাই।