ড্রাইভিং
আমি যোগ্যতার ভিত্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করব , কিন্তূ তারা বলছে টাকা ছাড়া পাশ করতে দিবে না ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি যোগ্যতার ভিত্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করব , কিন্তূ তারা বলছে টাকা ছাড়া পাশ করতে দিবে না ।
Bike kenar por name transfer korar shomoi oder end theke Typing mistake'a amar naam bhul ashe. Er por theke jhamela shuru, naam bhuler karone BSP NID verify kora jaccena. Office'a gelam 5000 cailo, dilam na. Er por abedon korlam , kaaj holo na. Abar 7000 cailo, dilam na. Abedon kortei thaki. Student chilam , eto taka dewa shombob chilo na. Er por haate paaye dhore, head office application nilam, tateo kaaj holo na. Last 11,000 tk cheyeche. Ekhon ei jhamela niye prai 7 years holo. ekhono naam bhul and user NID unverified.
Severely harassed. Influence in a way to give them bribe. Act like honest officer and staff. Connected with even city corporation. If money is given then no hassle. If not given through so called dalal,then they send to police station, traffic police station and even city corporation.so corrupted people.everyone is linked.percentage is being shared. Even for affidavit. Allah forgive us.Ameen
সেপ্টেম্বর মাসে আমি আমার সদ্য কেনা গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য উত্তরা BRTA অফিসে যাই। আমার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যাচাই করা হলেও, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেদিন আমার কাজটি করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি আমাকে অনলাইনে আবেদন করতে বলেন এবং জানান যে এই কাজ একদিনে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একজন আমার কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার জন্য ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সেই টাকা দিতে সম্মত হই। এরপর আমার মালিকানা পরিবর্তনের কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়া হয়।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য চট্টগ্রাম বিআরটিএ গিয়েছিলাম... আনুমানিক ২০১৯/২০২০ এ। সব কাগজ পাতি রেডি করে বিআরটিএ চট্টগ্রাম গেলাম।যাওয়ার পর একদিন একটা কাগজের জন্য বলতে থাকে,আমিও রাগ করে ঘুষ মা দিয়ে সব কাগজ ( তার চাওয়া মত হয়রানির উদ্দেশ্যে)রেডি করে পরপর ৩ দিন বিআরটিএ গিয়ে অবশেষে ফাইল জমা নিতে বাধ্য হয়।তারপর সে আমাকে লার্নার এর পরীক্ষার ডেইট দেয় ৯ মাসের মত পিছনের একটা ডেইট।আমি ত অবাক।তাকে বললাম এটা কি হলো,পরীক্ষা নিতে যদি ৯ মাস পিছনের ডেইট দেন তাহলে আমি লাইসেন্স কখন পাব।সে বলল,সিডিউল যখন পেলাম তখন দিলাম।অবশেষ আমি বুঝতে পারলাম এগুলো ঘুষ ছাড়া হবে না।অবশেষে ধালাল দরে উত্তরা বিআরটিএ, ঢাকা গিয়ে দালান নিয়ে যখন কাজ শুরু করি তখন ৪০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স পেয়ে যায়।এ হলো, আমার অভিজ্ঞতা।
ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে গিয়ে উনার সাথে দেখা। বলিল টাকা না দিলে কেউ পাস করতে পারে না। শুধু যারা লোক ধরে তারাই লাইসেন্স পায় । আমি আগের বার নিজে চেষ্টা করে লাইসেন্স পায় নি।
Cng গাড়ি ফিটনেস বা রুট পারমিট করতে গেলে দিতে হয়, দালালের মাধ্যমে দিতে হয়
লাইসেন্স নবায়ন করন করতে এক লাখ বিশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য চাঁদপুর বিআরটিএ তে জাই প্রথম বার দালাল চারা যাওয়া সব টেস্ট পাস করার পর ও ফেল কিন্তু কেন্দ্র পাস এর এবং র্লানার কার্ড এ সাইন করে দিছে সব পাস লাস্ট এ লার্নার কাড জমা দিয়ে বাড়িতে চলে এসে দেখি সন্ধা মেসেজ এ আসছে অকৃতকার্য, পরবতীতে দালাল ধরা লাগছে জেহুতো আমার লাইসেন্স জরুরি প্রয়োজন ছিল তাই করতে বাধ্য হইছি, দালালকে ১৩ হাজার টাকা দেওয়া কাজ হইছে, চাঁদপুর বিএরটিয়ের সকল কমকর্তা এই টাকার ভাগ পায়
নতুন ড্রাইভিং করতে আমার কাছে ১৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়, পেশাদার লাইসেন্স করতে,, পরে আমার একটু ইমারজেন্সি ছিল তাই বাধ্য হয়ে হয়রানি যাতে না হয় সে কারণে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
Was told by the officials there, Dalal Chara Upay nai.
বিআরএসপি (BRSP) বা বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট (Bangladesh Road Safety Project) হলো বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার প্রথম একটি নিবেদিত ও বড় প্রকল্প| এখানে আমাদের পরীক্ষা ও ভাইভা এর মাধ্যমে বাছাই করে 4 মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে Professional license দেওয়ার নিয়ম এবং আমাদের যাতায়াত বাবদ দৈনিক হিসাবে একটা টাকা বরাদ্দ থাকে যেটা final পরীক্ষা তে উত্তীর্ণ হওয়ার পর দেওয়ার নিয়ম| কিন্তু এই প্রকল্পের সাথে যারা জড়িত নথুল্লাবাদ BRTC এর কর্মকর্তা এবং তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা রা একটি সিন্ডিকেট করে আমাদের প্রত্যেকের থেকে 2700 টাকা দাবি করে যেটা সম্পূর্ণ অনৈতিক কারণ জানতে চাইলে বলে টাকা না দিলে written and practical exam এ পাশ করলেও ভাইভা তে ফেইল করাই দেবে।
বিআরটিএতে সিএনজি ফিটনেস করতে গেলে তিন হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয় এটা নির্ধারিত এবং 100% কালেকশন করবেই ওরা। আমার নিজেরও সিএনজি আছে এবং ফিটনেস করতে প্রতিটি তিন হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে।
Online Fitness renew করার আবেদন করতে গেলে বলে Tin নামের সাথে মিল নাই। তাই BRTA যেয়ে যোগাযোগ করতে। একদিন যেয়ে অফিসে কথা বলে শুনি অনলাইনে নাম সংশোধনের আবেদন করতে। সাথে সাথে আবেদন করতে গেলে বলে NID not verified. কিছুক্ষন পরেই আবার BRTA তে জানালে বলে সব ঠিক করে দিছি। পরে আবার অনলাইনে আবেদন করার ট্রাই করতে গেলে দেখায় না নাম সংশোধন করা যায় আত না নিবন্ধন রিনিউ করা যায়। সাতাদিন ধুরেও কোন ফল পাওয়া গেল না। পরের দিন স্টাফের সাথে কথা বললাম - জানাল ৫০০০ টাকা লাগবে। আগেরদিন সারাদিন ঘুরেও কিছু হয় নাই - তাই আর সময় নষ্ট করা যাবে না। আকাশের চাঁদ হাতে পেলাম। আরেকদিন ছুটি নষ্ট করা যাবেনা। ৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ঐ দিনই ফিটনেস সার্টিফিকেট পেয়ে গেলাম। উল্লেখ্য - আমি ৬ ষষ্ঠ গ্রেড এর সরকারি চাকুরী জীবি।
Driving License Er Sokol XM Pass Koria Dibe
আমি বিগত একমাস যাবত বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছি অনলাইনে ফ্রি পরিশোধ করে আবেদন করার জন্য কিন্তু বারবারই আমি ওটিপি চাই পোর্টাল থেকে আমাকে ওটি পি প্রদান করা হয় না, ওটিপি আমার মোবাইলে আসে না তাই লেনদেন সম্পূর্ণ করতে পারিনি।এমতাবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে দালালের সাথে যোগাযোগ করি সে আমার থেকে ৬ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমার লাইসেন্সের নবায়নের এটা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এখানে আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে ওদের ওয়েবসাইটে কোন হ্যাকার আছে যে ওটিপিটা গ্রাহকের কাছে পাঠাতে বাধা প্রদান করে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাচ্ছিলাম। আমার সব কিছু ঠিক আছে তাও বলা হলো টাকা না দিলে হয়রানি বা লাইসেন্স পেতে ঝামেলা হবে । তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করছি। আমরা একটা ব্যাচ আকারে করছি । যার জন্য সবাইকে ৩৮০০ করে দিতে হয়ছে। মোট ৩৫ জন।
গাড়ী ফিটনেস করাতে গেলে বলেছে যে গাড়ির কালার ঠিক নেই। পরে বাম্পার আর ব্লাক পেপারের (যেটা গাড়িতে লাগানো নেই) অযুহাত দেখিয়েছে। পরবর্তীতে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে ফিটনেস করে দিয়েছে।
আমি বাইকের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম । সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রথমে ফি পরিশোধ করে লিখিত পরীক্ষা পাশ করে ভাইভা দিতে গেলাম ভাইভাতে কিছু পারলাম কিছু পারলাম না। ফেল করালো। পরের বার একজন দালালের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা বেশি নিয়ে ভাইভাতে তেমন কিছুই না ধরেই পাশ করিয়ে দিলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে দেখা যায় যে, সরকারি ফি এর পরও অতিরিক্ত ৫-৬ হাজার টাকা দিতে হয়। অত্যন্ত কৌশলে অভিনব কায়দায় ডিসি অফিসের জেএম শাখার কিছু কর্মচারী বিশেষ করে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং বাহিরের কিছু দালাল শ্রেণির লোক সেট করা হয় মধ্যস্থতা করার জন্য, মূল অপরাধীরা থাকেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, যেন ধোঁয়া তুলশী পাতা। যাঁদের নিকট থেকে টাকা পাওয়া যায় না, তাদেরকে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ দেখিয়ে বাতিল করা হয়। মজার বিষয় হলো এমন অনেক আছেন ড্রাইভিং এর কিছুই জানেন না এমনকি মোটর সাইকেল চালানোও জানেন না, অথচ তাকে গাড়ির ( হালকা ) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মনোনয়ন করা হচ্ছে শুধু টাকার বিনিময়ে। এক কথায় আর্থিক লেনদেন কিংবা উচ্চ পর্যায়ের সুপারিশ ছারা একটা কাজও এখানে হচ্ছে না।