নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মায়ের মৃত্যুর পরে তার নামে থাকা একটি প্রাইভেট কারের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ অফিস , মিরপুরে যাই। আমাকে বলা হয় ৩ নাম্বার কাউন্টারে যোগাযোগ করতে, প্রায় ২ ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাউকে পাওয়া যায় না । কিছুক্ষণ পরপর একজন লোক এসে জানতে চায় কি কাজ? । তাকে বলার পরে সে জানায় নিজে নিজে করতে পারবেন না। কাগজপত্র নিয়ে আসেন, একদিনে করে দিবো। বিনিময়ে কত লাগবে বলার পরে সে জানায় ৪০,০০০ টাকা। আমি কিছু না বলে তার নাম্বার নিয়ে বাসায় চলে আসি।
উনারা এমন ভাবে সাজায় ঘুষ ছাড়া পাস করা সম্ভব না।
মোটরসাইকেলরে কাগজের পিতার নাম ঠিক নাই, বস এটি সিগনেচার করবে না, এটিতে ৪ হাজার লাগবে ৩৫০০ লাগবে পরের তিন হাজার দিয়ে করা হয়েছে এরপরও দুইদিন ঘুরে ঘুরে হয়রানি হয়েছি নিজে করতে চেয়েছিলাম দালালের হাত দিয়ে করতে হয়েছে।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করার জন্য সরকারি খরচ ৫৫০০-৫৬০০। কিন্তু দালাল ছাড়া এটি সম্ভবই না। প্রথমবার দালাল ছাড়া করতে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়। দালালের সাথে সেখানকার বড় অফিসারদের ঘনিষ্ঠ তা আছে যাদের মাধ্যমে তারা ঘুষ গ্রহন করে কাজ করে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে টাকা না দিলে আমাকে ফেল করে দেই । পরে ৭০০০ টাকা ঘুস নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করাই
মোটরসাইকেল চালানোর পরীক্ষাতে পাস করা সত্ত্বেও আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য ৳3000 এক্সট্রা নিয়েছে।
রেনু করতে আসে পাঁচ হাজার দিতে হয় ১৩ হাজার দালালকে
১২,০০০ টাকা দিয়ে দালাল ধরা ছাড়া বিআরটিএ তে লাইসেন্স করা যায় না ।
ফেনী বিআরটিএ অফিসে দালালচক্র ও অনিয়মের অভিযোগ ফেনী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজে আবেদন করে নিয়ম অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অন্যদিকে, দালালের মাধ্যমে কাজ করালে সহজে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং এর জন্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনী বিআরটিএ অফিসের আশপাশে দালালদের নিয়মিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তারা সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে এবং দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়: বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষে দালালদের মাধ্যমে ফাইল অনুমোদন ও সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ মিরপুর-১৩ বিআরটিএ কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষকে কেন্দ্র করে একটি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু দালালের ফাইলে একটি বিশেষ ধরনের চিহ্ন/সংকেত ব্যবহার করা হয়। ওই চিহ্নযুক্ত ফাইল দেখলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই দ্রুত ফাইলটি অনুমোদন করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে এসব দালালের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ নেওয়া হয়। অন্যদিকে, যেসব ফাইলে ওই বিশেষ চিহ্ন থাকে না এবং যারা কোনো দালালের সহযোগিতা না নিয়ে নিজেরাই নিয়ম মেনে কাজ করতে চান, তাদের বিভিন্ন ছোটখাটো অজুহাত দেখিয়ে বারবার ফেরত পাঠানো হ
বিআরটিএ'র লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার কথা বলে আমার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা নিয়েছে।
ঘুষ যে এত আধুনিক ভাবে নেওয়া হয় এইটা বিআরটিএ এর জোয়ার সাহারা তে না গেলে বুঝতেই পারতাম না জীবনও। তারা হাত এ টাকা নেওয়া বন্ধ করে ফেলছে , আধুনিকায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে । ঘুষ তারা এখন দালালের মাধ্যমে নেই। আমি ক্লাস ফাইভ থেকে বাইক চালাতে পারি, শুধু গাড়ি পারতাম না কিন্তূ পরীক্ষার কয়দিন আগে গাড়িও শিখে ফেলছি । লিখিত, ভাইভা তে পাস করলাম , তারপর দিলো গাড়ির টেস্ট , একটু ভয়ে ছিলাম , গাড়ি এর যে বাজে অবস্থা, মনে হচ্ছিল যে ইঞ্জিন মনে হয় বাস্ট মারবে এখনই, রিভার্স পার্কিং করলাম কোনো ভাবে , পাস হয়ে গেলাম এখন তারা বলল যে বাইকের টেস্টও দিতে হবে । কিন্তু পারলাম না, আবার date নিলাম পরের বার আবার করলাম পারলাম না। পরে বুঝলাম যে তাদের টাকা আদায় এর কৌশল ।এবার ফেইল করে টাকা দিলাম,না যেয়েও হয়ে গেলো।
Driving license এর জন্য ১০০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে । এই টাকা এক দালাল কে দেওয়া হয়েছে
আমি একটি কোম্পানির কাছ থেকে মোটরসাইকেল কিস্তিতে কিনি। কিস্তির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সেটি কোম্পানির নামেই ছিল। পুরো টাকা পরিশোধ হওয়ার পর কোম্পানি আমাকে এনওসি দেয় এবং মালিকানা পরিবর্তন করে নিতে বলে। এই অনুযায়ী আমি ঢাকা বিআরটিএ (ইকুরিয়া) তে যাই মালিকানা পরিবর্তনের জন্য।এরপর সরকারি সকল পেপারওয়ার্ক ও ব্যাংক রিসিট নিয়ে অফিসারের কাছে দেখালে তিনি কাগজপত্রে বিভিন্ন ভুল আছে মর্মে মালিকানা পরিবর্তন করে দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে সরাসরিই বলেন কোন প্রভাব ছাড়া এজাতীয় মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এরপর তিনি ২৫০০ টাকা দাবী করেন। অনেক নেগোসিয়েশন করে ২০০০ টাকা দেয়ার পরে তিনি মালিকানা পরিবর্তন করে দেন।
আমি একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনি এবং সেটা মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে আমি সকল কাগজ পত্র দাখিল করতে গেলে তারা বলে কে পাঠাইছে আপনাকে যখন কে পাঠাইছে বলতে পারছিলাম না তখন আমার কাগজ গুলো ফিরিয়ে দেন।পরে আমি ৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে কাজ টা করিয়ে নিয়েছি। বি: দ্র: আমি কোনোও বেআইনি কাজে টাকা দেয় নি। আমার সমস্ত কাগজ লিগ্যাল ছিলো তবু টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই।
BRTA Smart Card Driving Licence-এর Extra Payment
ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত ও ভাইভা দেওয়ার পর যখন গাড়ি চালানোর জন্য প্রাকটিক্যাল দিতে যাব তখন একজন ব্যাক্তি এসে বলে যে পাশ করার জন্য একজন স্যারকে দেখিয়ে বলে যে উনাকে ৫০০ টাকা দিতে হবে তাহলে আর পরীক্ষা দিতে হবে না । না হলে ফেল হয়ে যাবো । পরবর্তীতে উনাকে ৫০০ টাকা সরাসরি দিলে উনি রাগান্বিত হয়ে বলেন যে আপনি কি আমাকে বিপদে ফেলবেন সব জায়গায় সিসিটিভি আছে । পরে খামের নিচে টাকাটা নেয় এবং কাজটা করে দেয় । অর্থাৎ আমার গাড়ি চালাতে হয়নি এবং পাশ করিয়ে দিয়েছে ।
Bike er Name poriborton Korar Jonno BRTA Office Thake Extra 2000Taka Ghus Caice, Ami dei Nai E jonno Amar kaj ta akono pending Hoea Ace,
২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বায়োমেট্রিক (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) প্রদান করা হলেও আজ পর্যন্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড হাতে পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে একাধিকবার ডেলিভারির তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে, কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। আরও দুঃখজনক বিষয় হলো, জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত লাইসেন্স প্রদানের অনুরোধ করা হলে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। আর্থিক অসামর্থ্যের কারণে সেই অর্থ প্রদান করা সম্ভব হয়নি। একজন নাগরিকের বৈধ অধিকার পেতে ঘুষের মুখোমুখি হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক ও লজ্জাজনক।
দালদা কে দেওয়া হয়,টাকা