Driving licence renew
Tara bolcilo driving test pass koria dibe . Ami vlo vabe driving korlam but amay pass korainai. BRTA te ghuss chara kichui hay na
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Tara bolcilo driving test pass koria dibe . Ami vlo vabe driving korlam but amay pass korainai. BRTA te ghuss chara kichui hay na
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে, বলা হয় সকলেই কন্টাকে করে ঝামেলামুক্ত। এবং অফিসের মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরাসরি বলতেছিলো নিজে নিজে করতে গেলে সহযে পার পাবেন না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার ইচ্ছে পোষণ করি। সবগুলো পরীক্ষা দেই কিন্তু সর্বশেষ পরীক্ষায় আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়। জানতে পারি টাকা না দিলে এই পরীক্ষায় পাশ করা সম্ভব না। আমার সাথে সবাইকে জিজ্ঞেস করি প্রত্যেকেই টাকা-পয়সা ম্যানেজ করে এখানে এসেছে তাই আমিও সবার মতই ম্যানেজার পথে হাঁটলাম।
ময়মনসিংহ শহরে বি আর টিসি অফিসে মোটর সাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় ফেল করায় দেয়, তাই বাধ্য হয়ে টাকা দেই।অথচ আমি লিখিত ও ফিজিক্যাল পরিক্ষায় পাশ করি।
টাকা না দিলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ফেল করা হবে এবং লাইসেন্স কে বাতিল করা হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য নিজে আবেদন করেছি অনলাইনে এবং সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করে পরীক্ষা দিতে যাই । যেয়ে দেখি ৯৯% লোক দালালের মাধ্যমে লাইসেন্স করতে আসছে। তখন আমি এগুলো দেখে ঘাবড়ে যাই তখন পরিচিত এক লোকের সাথে দেখা হল সে আমাকে বলল ভাইয়া আমিও আপনার মতো নিজে এপ্লাই করে পরীক্ষা দিতে এসেছিলাম আমাকে ফেল করায় দিছে এখন আমি দ্বিতীয়বার আবার আসলাম দালালের মাধ্যমে করার জন্য ও আমাকে বলতেছে আপনি পারলে দালালকে কিছু টাকা দিয়ে দেন তাহলে আপনার দ্বিতীয়বার আসা লাগবে না । ফেনীতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিতে যারা আসে তাদের কাছ থেকে properly পরীক্ষা নেওয়া হয় না প্রত্যেকটা জায়গায় করাপশন এবং ভিতরে ভিডিও করা নিষেধ একটা সাইনবোর্ড এর মধ্যে লিখে দিছে।
লাইসেন্সের পরীক্ষার আগে লারনার কার্ড কাগজ দেয়া বাবদ।
আমার সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও। তারা চা পান খাওয়ার টাকা চায়।
আমার কাছ থেকে টাকাও নিতে পারতেছে না কাজটাও করে দিচ্ছে না, কারন আমিও সরকারি চাকরি করি। মুন্সিগঞ্জ বিআরটি অফিসের কর্মকাণ্ড।। কথা বললে মনে হয় তারা এক একজন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।
আমার কেনা বাইকের রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ঠাকুরগাঁও বিআরটিএ অফিসে টাকা জমার রশিদ সহ প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা করতে গিয়েছিলাম। তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে বলল যে ডকুমেন্ট জমা দিতে দেরি হয়ে গেছে, এর জন্য আপনাকে টাকা দিতে হবে। আমি বললাম যে, মূল ফাইল দোকানদার আমাকে দেরিতে দিয়েছে, এক্ষেত্রে আমার কী করণীয়? তখন সে বলল যে, সবাই তো ঠিকমত জমা দেয়, আপনার এত দেরি হল কেন? আমি বললাম যে, দেখুন ভাই, বাইক কেনার ১ সপ্তাহের মধ্যেই আমি রেজিষ্ট্রেশন বাবদ প্রয়োজনীয় পরিমাণ টাকা ব্যাংকে জমা করেছি। কিন্তু মূল ফাইল আসতে দেরি হওয়াতে আমি ঠিকমত আপনাদের কাছে ফাইল সাবমিট করতে পারিনি। কিন্তু সেটা সে মানতে নারাজ। আবার এদিকে রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া রাস্তায় চলতে গেলে ট্রাফিক পুলিশ মামলা দিতে পারে । শেষে তাকে ১৫০০ দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি ২০২৩ সালে হালকা যানবাহন চালানোর জন্য একটি লাইসেন্স করতে রাজশাহীর বিআরটিএ তে যোগাযোগ করি, তাদের ঠিক করা দালালের মাধ্যমে জানতে পারি ঘুষ না দিলে ২ বছরেও লাইসেন্স পাওয়া যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে ঘুস দিয়ে আমার লাইসেন্সটি করা হয় এবং মাধ্যম হিসেবে তাদের ঠিক করা দালালের সাহায্য নিতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিতে গেলাম ফেল করছিলাম পরে শুনলাম সবাই টাকা দিয়ে লাইসেন্স করে এক দালালের চক্র পড়লাম সে টাকা চায়
আমি জোয়ারা সাহারা বিআরটি এ বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেছি, প্র্যাকটিক্যাল দেওয়ার সময় পরিক্ষা যে-ই লোক নিতাছে, সে আমাদের কাছ এসে জিজ্ঞেস করতেছে, এখানে কারা কারা কনটাক্ট করে আসছে, মানে দালাল এ-র বলতেছে, যারাই না বলতেছে যে দালাল দরি নাই, তখন বলতেছে চলে যান,আর যাঁরা দালাল ধরছে তাদের এক পাসে দাড় করাইতেছে, আমার সামনে ৩৬ জন পরিক্ষা দিছে ১ জন পাস করছে, যে-ই লোক পাস করছে সে আর্মির ড্রেস এ আসছিলো, বাকি ৩৫ জন ফেল, আমার সিরিয়াল যখন আসছে, বাইকে এ-র হ্যান্ডেল খালি ধরছি,বাইকের হ্যান্ডেল খুলে গেছে,মানে কি বলবো বুঝতে পারছি না, তখন দলাল বললো যে ফেল, তখন বুঝলাম কেনো দালাল বলছিলো, যাঁরা দালাল ছাড়া আসছে চলে যেতে, আর সে-ই লোক যে বাইকের সাথে কিছু করে রাখছে সেটাও বুঝলাম, পরে সেই লোক বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়া লাগছে,
ড্রাইভিং লাইসেন্স টাকা ছাড়া হবে না
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে প্রথমে Learner লাইসেন্স করার পর থেকে ফাইনাল ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষার আগে পর্যন্ত সরকারি ফি এর বাহিরে আরও অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হয় যেন লাইসেন্স সহজে ঝামেলামুক্ত ভাবে পাওয়া যায় ।যারা এভাবে না করে নিয়ম মেনে করার চেষ্টা করে তাদেরকে প্রতি পদে পদে হয়রানি করা হয় । বিআরটিএ অফিসে যেকোন কাজে গেলে সারাদিন সময় লেগে যায় ।
মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল এত এত টাকা নিয়ে আসেন তারপর কাজ করা হবে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন এবং নবায়ন পাবেন।
গত বছর প্রফেশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স করাতে গেলে আমার কাছ থেকে আলাদা করে টাকা দাবি করা হয়। আমি যখন এই টাকার বিষয়ে জানতে চাই তখন তারা বলে এটি নাকি অবশ্যই দিতে হবে, এটি না দিলে নাকি লাইসেন্স হবে না। তারপর আমি বাধ্য হই সে টাকাটি দিতে। আরেকটি অবাক করা বিষয় হচ্ছে আমি যখন ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে যাই তখন আমি মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হই। এই মুহূর্তে উক্ত দালাল আমাকে বলে যে আরো কিছু টাকা দিলে আমাকে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা সহ আমাকে বাকি পরীক্ষাও দিতে হবে না। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে আমার লাইসেন্স বাতিল হবে, এবং আমি আমার দেয়া আবেদনের টাকাও ব্যাক পাবো না। যদিও ঘুষের টাকা দেয়ার কারণে আমার লাইসেন্স ঠিক করা হয়েছে। তবে এই প্রসেসটি সম্পূর্ণ বেআইনি।
আমার মোটর বাইকের রেজিস্ট্রেশন করার সময় গাড়ির কাগজপত্র কুষ্টিয়া বিআরটিএ জমা দিতে যায় তখন তারা বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে আমার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে তারা বলে এটা অনেক সময় লাগবে মিনিমাম ১০ থেকে ১৫ দিন পরে ওখানকার একজন দালাল আমাকে বলে এটা আমি করে দিচ্ছি বিনিময়ে মোট ১৪ হাজার টাকা তাকে দিতে হবে পরে ওই টাকা বিআরটিএ এর লোকদের সাথে কথা বলে এবং ওই কাজ আমার ওই দিনই সম্পন্ন হয় তাই আমার অভিজ্ঞতাই দালালদের মাধ্যমে যে কাজ একদিনে হয় দালাল না ধরলে ওই কাজ ১৫ দিনে সম্পন্ন হয় না এটাই সরকারি অফিসের কার্যপ্রণালী
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। পাস করার পরেও ফেল করাইছে পরে শুনলাম সবাই টাকা দিয়ে করে