ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা
বি আর টি এ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার শুরুতে ফিংগার প্রিন্ট নেয়, সেখানে প্রতিবন্ধী / অটিজম লটারী ৩-৪৷ টা টিকিট ধরায় দেয় রুমের ভিতর ঢুকায় এবং নিতে বাধ্য করে, না নিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার পরোক্ষ হুমকী দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বি আর টি এ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার শুরুতে ফিংগার প্রিন্ট নেয়, সেখানে প্রতিবন্ধী / অটিজম লটারী ৩-৪৷ টা টিকিট ধরায় দেয় রুমের ভিতর ঢুকায় এবং নিতে বাধ্য করে, না নিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার পরোক্ষ হুমকী দেয়
ডাইভিং এ পাশ করতে দিতে হয়েছে
আমার ৬ তি গাড়ি আছে প্রতিবছর কাগজ করতে Brta তে ফিত্নেস আর রুট পারমিট করতে গুন্তে হয় ১০০০০ /- প্রতি বছর বাজেট কারণে সবগুলো কাগজ বিআরটিএ থেকে লক করে দেওয়া হয় এ বিষয়ে আমি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও এর কোন প্রতিকার পায়নি টাকা দিলে লক খোলে এতে গাড়ি প্রতি ২০০০ করে জায়।মোট ছয়টা গাড়িতে ১২ হাজার। আবার সরকারি ফি আছেই। এতে প্রতি বছরে আমার গাড়িগুলোর কাগজ করতে ঘোষ বাবদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। তারপর প্রতিমাসে আমার পুলিশকে চাঁদা দিতে হয় হিসাব করলে মাসে ৬০০০ এতে ১২ মাসে হয় ৭২ হাজার শেষমেষ এর কোন প্রতিকার আমি পাইলাম না।
আমাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে ।আমার পরিক্ষা দেওয়া লাগবে না শুধু ফিংগার দিয়ে চলে আসলেই হবে ।আমি ঠিক তাই করেছি ।ফিংগার দিয়ে চলে আসছি । আমার দেখা মতে মাদারিপুর কোর্টের ভিতরে যত গুলা ছাপা খানার দোকান আছে এবং কি মাদারিপুর কোর্ট এ কর্মচারী থেকে শুরু করে যারা যারা আছে সব গুলাই দালাল।আমি আমার কাজ করে নিয়েছে কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে আমি অসহায় ।আমি চাই আমার দেশ পরিবর্তন হোক । আমার এই বিষয় পাবলিক করবেন।যদি আমার কথায় কোনো ১% মিথ্যা প্রমাণ করতে পারে তারে আমি ওপেন চেলেঞ্জ করলাম ।১ লক্ষ টা পুরুষ্কার দিব ।আমি
For driving license registration.
ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি ৫০০০ টাকা আমাকে দিতে হয়েছে ৮০০০ টাকা, ৩০০০ টাকা বিয়ারটি সিলেট আর একজনকে ঘুষ দিতে হয়েছে
যে কক্ষে এই সার্ভিসটি দেওয়া হয় সেখান লোকেরা টাকা দাবির করেছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না এমনকি এ কাজে দীর্ঘদিন লাগতে পারে।
টাকা না ফেলদেয় ড্রাইভিং টেস্ট এ
Driving licence nobayon
ডিজিটাল নম্বর প্লেট ওএস স্মার্ট কার্ড গ্রহণ করিবার জন্য বিআরটি অফিসে যাই যেই রুমে বিআরটি অফিসে নম্বর প্লেট বিচরণ করে বিনামূল্যে সকল কাগজ পাতি থাকা সত্ত্বেও বলে সার্ভার ডাউন নেট নাই সারাদিন বসেই রাখার পরে বিকেল বেলা নম্বর প্লেটটি ও স্মার্ট কার্ডটি পাই 200 টাকার বিনিময় হায়রে বাংলাদেশ।
আমার দুটা বাইকের নাম ট্রান্সফার ছিল। সবমিলিয়ে ২০,০০০ নিয়েছিল দালাল। পরে শুনলাম সরকারি ফি ৮-৯ হাজার। মানুষ এখন দালাল ফি জানে ভাল , কিন্ত সরকারি ফি কত এইটা জানে না।
গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে, এক মাসের মধ্যে মালিকানা পরিবর্তনের কথা বলে মিরপুর বিআরটিএর কর্মচারী ১০ হাজার টাকা দাবি করে, আমি ১০০০০ টাকা পরিশোধ করার পরেও আজ চার মাস হয়ে গেলো মালিকানা পরিবর্তন হয় নাই, যোগাযোগ করলে আরো অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করছে।
ড্রাইভিং পরীক্ষার সময় পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়া ও দ্রুত লাইসেন্স পাইয়ে দেয়ার জন্য দালাল কর্তিক ঘুষ চাওয়া হয় যা আমি দেয়ার পরেই আমার কাজ সম্পন্ন হয়। সবাইকেই এমন দিতে হয়
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন করি, আমার লাইসেন্সটি ছিল অপেশাদার, নিজে নিজে করার সিদ্ধান্ত নেই, আমি ৯০০ টাকার ডোপ টেস্ট এবং আই টেস্ট ৩০০ টাকা খরচ হয়, যদিও এগুলো পেশাদার লাইসেন্স এর জন্য কিন্তু নিজে নিজে করার জন্য এগুলো করতে হয় পরিক্ষার দিন আমি সব পরিক্ষায় পাশ করি, স্যার ও বলছে আপনি পাশ কিন্তু বিকেলে মেসেজ আসছে আমি ফেল, এবার আমি দালাল কে ৪৫০০ টাকা দেই এবং পরিক্ষা দিন আমি ব্যবহারিক পরীক্ষায় স্যার বলে আপনি ফেল আবার পরিক্ষা দিতে হবে, আমি দালাল কে কল দেই সে বলে আপনি বাড়ি চলে যান, বিকেলে দেখি আমি পাশ। দালালের পাওয়ার। আমার মোট ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। ১ম এ দালাল দিয়ে করালে ডোপ টেস্ট এবং আই টেস্ট ১৩০০ টাকা বেচে যেত, দালাল বলছে এগুলো লাগে না। শেষ কথা দালাল ছাড়া লাইসেন্স হয় না,
টাকা না দিলে পাশ করানো হবে নাহ
Without Exam Passed.100% sure
আমি তাদের কাছে গিয়ে ছিলাম ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে জানতে এবং কত টাকা খরচ হয় এ বিষয়ে ধারণা নিতে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তারা আমার কাছ থেকে সরকারি খরচের থেকেও 10 হাজার টাকা খরচ বেশি চাই।আমি দিতে অস্বীকার করাতে তারা আমাকে ওখান থেকে বের করে দেয়। এই সকল পিছনে হেল্প টেক্সট একজন থাকে সে পরিচালনা করে। তার নাম —
গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন ফাইল আটকে রেখে টাকা চাওয়া।
মিরপুর বিআরটিএ অফিসে মোটরসাইকেলের ডিজিটাল নম্বর প্লেট সংগ্রহের জন্য আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে, নম্বর প্লেট গ্রহণের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) প্রদর্শন করা প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আমার মূল NID বাসায় রেখে আসি, যদিও আমার সঙ্গে NID-এর ফটোকপি ছিল। মূল NID ছাড়া কর্তৃপক্ষ আমাকে নম্বর প্লেট দিতে রাজি হয়নি। আমার বাসা কালিয়াকৈরে হওয়ায় পুনরায় বাসায় গিয়ে মূল NID নিয়ে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করি, অনলাইনে আমার NID যাচাই (Verification) করে নম্বর প্লেটটি দেওয়ার জন্য। তখন তারা জানান, অনলাইনে NID Verification করে নম্বর প্লেট দিতে হলে ২,০০০ টাকা খরচ হবে। আমি বিষয়টি বিবেচনা করে অনেক অনুরোধ করি এবং খরচ কিছুটা কমানোর জন্য বলি, কিন্তু ত
আমি মোটরসাইকেল Drive করি ১৫ বছর। তাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম বান্দরবান BRTAতে কোন দালাল ছাড়া অনলাইনে Apply করে। পর্যাপ্ত পড়ালেখা করেই পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার পর যেহেতু আমার পরীক্ষা দিয়েছি তাই ভালোভাবে উত্তর দিতে পেরেছিলাম। আমার পাশে অনেককে দেখেছই ভাল করে লিখতেই জানেনা,তারা কোন মতে নাম আর রোল নাম্বার লিখে খাতা জমা দিয়ে দিয়েছে। আমি ওদের জিজ্ঞেস করেছিলাম এভাবে তো পরীক্ষায় পাশ হওয়া যাবে না। ওরা নাকি দালালের মাধ্যমে আসছে পরীক্ষার অংশগ্রহণ করে নাম আর রোল নাম্বার দিলেই বাকিটা দালালেরা দেখবে।পরীক্ষা শেষে তার বাস্তব প্রমাণ দেখলাম সবাইকে ডেকে ডেকে মার্ক দেয়া খাতা দিয়েছে, আমাকে মার্ক তো দূরের কথা খাতাটাও দেয়নি।একজনের কাছে জিজ্ঞেস করে উত্তর পেলাম কারো মাধ্যমে না আসলে রেজাল্টও দেওয়া হয়না।