নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম। নানান ধরনের জটিলতা দেখা যাওয়াতে দালাল করে ১২ হাজার টাকা দিলাম। আর যেতে হয়নি। দালাল সব করে হোয়াটস এপে ই-লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে।
ঘুষ ব্যাতিত, নিজে শখে লাইসেন্স করেছি
আমি নিজে আমার গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য গিয়েছিলাম তখন ঝিনাইদহ বিআরটিএর এডি আমার কাছে ডিরেক্ট বলে যে এই ফাইলে ৪ হাজার টাকা লাগবে। তাই আমি ফাইল নিয়ে চলে এসেছি।
নতুন গাড়ী রেজি:করতে সরকারী একটা নির্দিষ্ট ফি দরকার হয়, সেটার ব্যাংক রিসিট পাওয়া যায়, কিন্তু ব্যাংক রিসিট ছাড়াও ৫/৭ হাজার টাকা এক্সটা দিতে হয়, যদি সেটা না দেওয়া হয় তাহলে রেজি: পেপার পাওয়া যায়না... এছাড়াও নাম ট্রন্সফার করতে সরকারী ফ্রি এর চেয়ে বেশি টাকা দিতে হয়,,, বিআরটিতে দালাল ছাড়া কোন কাজ করা যায় না,, নিজে নিজে করতে গেল বহুত ঘুরা ঘুরি করতে হয়,,,, টেবিলের পর টেবিল ঘুরতে হয় তাও সেবা পাওয়া যায় না,, সেইম কাজটা দালাল দ্বারা ইজিলি করা যায়,,
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য এপ্লাই করেছি। অনলাই খরচ ৪০০০, কিন্তু সরাসরি এক্সাম দিয়ে পাশ করা যায়না। আমি খবর নিয়ে জেনেছি। মোটামুটি কেউই পাশ করেনি নিজে দিয়ে। তো দালাল দিয়ে করাচ্ছি। ৮০০০ টাকা বেয়াসি দিয়ে
কার ড্রাইভিং পরীক্ষা দেয়ার সময় কার এর ভেতর ডুকে যেকোনো জায়গায় ৫০/১০০ টাকা ফেলে দিলে আপনি অটো পাশ হয়ে যাবেন !
ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস করা সত্ত্বেও ফেল করানো হয় , কাগজ আটকে রেখে হয়রানি এবং চা নাস্তার জন্যে এই টাকা নেয়া হয়। দিলে ১ দিনেই অনূমোদন এবং ইস্যু করে দেয়
আমি মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট আনতে গেলে তারা আমাকে বলে যে আমার সিরিয়াল আসতে অনেক দেরি হবে। অথচ আমি কোনো সিরিয়াল দেখতে পাইনি। এরপর তারা বলে, ৫০০ টাকা দিলে নাকি আমার নাম্বার প্লেট পাওয়া যাবে
বিআরটিএ ড্রাইভিং পরীক্ষা, ৩ হাজার টাকা দিলেই আপনি লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করবেন। তবে সমস্যা অন্য জায়গায়! ওদের গাড়ির ফিটনেস নেই এবং ডানের দরজায় এক গাড়িতে মিররও নেই। এটা নিয়ে অভিযোগ জানালে অন্য গাড়ি দেয়, সেটার আবার রাস্তার পাশ কম যেখানে গাড়ির থেকে ১.৫ গুণ প্রশস্ত রাস্তা হওয়ার কথা সেখানে খুবই চাপা করে দিয়েছে রাস্তা যাতে পাশ করা প্রায় অসম্ভব। আমি পরীক্ষার কয়েকঘন্টা আগেও বাইরে ২বার টেস্ট দিয়ে জিগজ্যাগে পাশ করেছি এমনকি NSDA থেকেও পাশ করেছি কিন্তু BRTA যেভাবে পরীক্ষা নেয় সেখানে একা-একা গিয়ে পাশ করে আসা সম্ভব না। আমি যখন দেখলাম পাশ করা সম্ভব না তখন বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
আমি দেশের বাহিরে যাবার জন্য জরুরি ভিত্তিতে স্মার্ট কার্ড আবেদন করতে গিয়েছিলাম বিআরটিএ সার্কেল ২ অফিস কেরানিগঞ্জে। এই কার্ডটি সরকার থেকে বিনা মুল্যে দেয়া হয় যদি সঠিক কাগজপত্র থাকে। সেখানকার অফিসারেরা শুধু মাত্র আবেদন গ্রহণ করার জন্য ৬ হাজার টাকা ঘুষ চেয়ে বসেন নাহলে আবেদনই গ্রহণ করবেননা। যেহেতু আমি বিপদে ছিলাম তাই বাধ্য হয়ে সেই টাকা দিয়ে চলে আসি। কার্ডটি পরে আমি ৭ দিনের মাথায় পেয়েছিলাম
সব কাগজ ঠিক ছিলো, তাও অফিসার বলছিলো কাগজ সাজানো হয় নাই, অফিস সহকারীরা বলতে ছিলো এভাবে কাগজ রাখতে কে বলো।আরো দূর ব্যবহার,
Non-Professional (10-Year Validity) ৳4,500 – ৳5,000 ৳4,700 – ৳5,200 but i need to pay a broker 11,500 taka
রোড এক্সিডেন্ট এর মৃত ব্যক্তি ও গুরুতর আহত দুই ব্যক্তি বিআরটিএতে দাবীকৃত টাকা উত্তোলন করতে ১৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
ফিটনেস নবায়ন করার জন্য গাড়ি নিয়ে গেলে। তারা চেসিস চেক করে। চেসিস ঠিক আছে। তারপর বলে আপনার গাড়ির রঙ ঠিক নেই। অফিস থেকে লেটার হেডে আবেদন নিয়ে আসেন। ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপর তাদের এসিস্টেন্ট আমাকে ডাক দেয়। বলে রেট ১৫০০/-। এটা দিলে হয়ে যাবে। আমি বাধ্য হয়।
লাইসেন্স পেতে টাকা চাওয়া হয় ৬০০০ পরে ৪০০০ টাকায় রফা হয়
SEIP প্রকল্পের আওতায় বিনামুল্যে ৪ মাস মেয়াদি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যেখানে শতকরা ৯০ জন লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করার যোগ্য। কিন্তু আমাদের ব্যাচ এর সবার থেকে ১৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়। আমরা যারা নিয়মিত ক্লাস করতাম আমাদের শতভাগ নিজের উপর বিশ্বাস ছিলো যে পাশ করবো । কিন্তু প্রথমবার ওই টাকা না দেওয়ায় ফেল করানো হয় । তারপর টাকা দিয়ে নাম লেখানোয় পাশ করানো হয় । যদিও এই টাকা আমাদের নিজের পকেট থেকে দিতে হয়নি কারণ আমরা ৪ মাসে ১২০০০ টাকা ভাতা পেয়েছি। কিন্তু যারা সরকারি প্রকল্পের ছাত্র নয় তাদের কাছ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়ে থাকে । এই ঘটনা ২০২৩ সালের (বিআরটিএ জোয়ার সাহারা) ।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করলাম
বাইকের নাম ট্রান্সফার করতে গেসিলাম। প্রতিবার গেলে আমাকে বলে অন্যদিন আসতে কিংবা ফোন দিয়ে জানানো হবে। বাইকের কাগজের অনেক স্তুপ, সেখানে নাকি খুজতে অনেক সময় লাগবে। সব কিছু নিয়ে গেলে বলে কাগজে সমস্যা আরো অনেক কিছু। এভাবে ৩ মাস ঘুরার পর আমার পরিচিত এক দালাল কে ৪ হাজার টাকা দিলে ১ ঘন্টায় নাম ট্রান্সফার করে দেয় এমনকি ট্রান্সফার এর কাগজ বাসায় পৌছায় দেয়।
পালসার ১৫০ সিসি ২০২১ এর মডেল সেকেন্ড হেন্ড চলতি বছরে ক্রয় করি এবং এ বছরেই রেজিস্ট্রেশন করতে যাই।১২৮০০ টাকা প্রায় চালান দেয়ার পরও BRTA অফিসে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা নেয়।
চাঁদপুর brta পরীক্ষা যতই ভালো দেই না কেন ফেল করব বলে। পরে ৫০০০ টাকা দিলে সব ক্লিয়ার আর পরীক্ষা দিতেই হয় নি। লিখিত আর ফিংগার দিয়েছি শুধু 😁😁😁