নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন ভুক্তভোগী আমার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য আবেদন করেছিলাম প্রায় দুই বছর আগে কিন্তু আমি কোন দালাল ধরি নাই দুই মাস পরে পরীক্ষার তারিখ হলে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমি ময়মনসিংহ বি আর টি এতে যায় উনারা আমাদেরকে একটি হল রুমে নিয়ে যাই নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলছে আমি মনে করেছিলাম যাইহোক দেশটা মনে হয় অনেকটা ভালো হয়ে গেছে কিন্তু বক্তব্য দেওয়ার শেষে আমাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয় খাবার শেষ করার পর আমরা মাঠে পরীক্ষা দিতে যাই পেকটিকেলে পরীক্ষার শেষে আমাকে জিজ্ঞেস করা হলো কার মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করেছি কিন্তু আমি বলি যে আমি নিজেই আবেদন করেছি আমার এ কথাটা যেন তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল আমি এটা বুঝতে পারি নাই আমার এডমিট কার্ডে লেখা ছিল পাস
Bank a Fitness er main free paid korsi but BRTA theke 3000 taks dabi na dile kono certificate dibe nah .kono upai na peye ghus diye certificate nese.
প্রথমবার আমি পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে কেননা তারা টাকা ব্যতীত কোন লাইসেন্স এর পাশ দেয় না। তিনটি পরীক্ষা থাকে তিনটি পরীক্ষার মধ্যে দুইটি সম্পন্ন লিখিত মুখিত পাস করার পর ফিল্ড টেস্টে ওনারা রাতের দশটার পর শুধু চারা উদার থেকে টাকা দেয় তাদেরকে পাস দেয় টাকা দেয় না তাদেরকে ফেল করিয়ে দেয়। আমাদের গাড়ি থাকে অনেক একেবারে খারাপ যাতে করে কেউ পরীক্ষা দিতে না পারে।
বিআরটিএ তে আমি সম্পূর্ণ ভাবে লাইট ভেহিকল ড্রাইভিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে আমাকে পাশ দেখানো হয়। কিন্তু বাসায় এসে দেখি মেসেজে আমাকে ফেল দেখানো হয়েছে। পাশ দেখানোর কাগজ আমার কাছে এখনো আছে। পরবর্তীতে বুঝতে পারি, দালালকে ১০,০০০ টাকা না খাওয়ালে নাকি লাইসেন্স পাওয়া যায় না। অবশ্য আমার ৬৫৩ টাকা মোট আবেদন করতে গিয়েই লস গিয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে লাঞ্চ টাইম ১:২০ বাজতেই দায়িত্বরত কর্মকর্তা চলে যাচ্ছিল। আমার অপেক্ষার ফলাফল জানতে চাইলে বলে আজ আর হবে না। কাল আসুন। যেহেতু আমার উপ্জেলা থেকে জেলা শহরের বেশ দুরত্বে থাকায় আমি বার বার অনুরোধ করলে ইশারা দিয়ে একটি লোক দেখিয়ে বলেন আপনি উনার সাথে কথা বলেন। উনি চলে গেলেন। আমি অফিসারের দেখানো লোকের সাথে কথা বলার পর অই লোক আমার কাজটা করে দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৬০০০ টাকা বেশিচায়। যেহেতু আমি এর আগেও দুদিন ঘুরে গেছি একা একা কিছুই করতে পারিনি সেহেতু আমিও আজকে সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। তাই একান্ত বাধ্য হয়েই ৬০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলাম। অই লোক অফিসের কেউ না। উনি আয়মান হোন্ডা দোকানে আমাকে নিয়ে গেলেন। আশ্চর্যের ব্যপার অই কর্মকর্তা অই শোরুমে বসেই আমার আবেদন
ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে
টাকা না দিলে নানান ভাবে পরীক্ষায় ফেল দিবে বলেছিলো।
আমি সবকিছু করার পর প্রাকটিকালে ফেল করিয়া দিয়ে টাকা দিলে পাশ কর দেয়
গাড়ির নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
দালালে মাধ্যমে দাবি করে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এক্সট্রা ২০০০ নিচে। চার বছর আগে ড্রাইভিং লাইসেন্স করছে এখনো কার্ড পায় নাই।
বাইক নাম পরিবর্তন , টাংগাইল বিআরটিএ অফিস থেকে টাকা নিয়েছে
বাইক নাম পরিবর্তন, এর জন্য টাকা চাওয়া হয় সরাসরি টাকা দেওয়া হয়েছে,
তিনবারে পরীক্ষা দিছি পাস করে না। টাকা ঘুষ দিয়েছি অটো পাস করাই দিছে। পরীক্ষা ছাড়া
সিলেট কারিগরি ট্রেন সেন্টারে যুব উন্নয়নের অধীনে সরকারি ভাবে ড্রাইভিং শিখতে ভর্তি হই। এরপর লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিতে গেলে ৩০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে ৩য় পক্ষ যারা সরকারি কোনো চাকুরীজীবি নয় তবে সরকারি চাকরিজীবী যিনি আছেন তার অধীনস্থ হয়ে কাজ করে যাতে সরাসরি ঘুষে তার নাম না আসে। বিনা ঘুষে বা দালাল ছাড়া পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলে অকৃতকার্য দালাল বা ঘুষ দিয়ে পরীক্ষা দিলে কৃতকার্য। তাদের এই অপকর্মের কারণে আজ রাস্তায় এতশত দূর্ঘটনা আর অকালে জড়ে পরে কত হাজার প্রাণ। আমাদের দেশের মানুষ কি কখনো ভালো হবেনা, তারা এসব দূর্নীতি বাদ দিবে না।
নবায়ন করতে হলে টাকা লাগবে ১৩ হাজার
আমার দশ বছরের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর থ্রি কাজ করাতে গেলে অফিস সহকারী দুই সপ্তাহ যাবত ঘুরায়, তারপর এক সপ্তাহ পর আসুন বলে, যাওয়ার পর বলে আজকেও আমাদের এডি স্যার আসে না এডিছার না আসলে হবে না, সারাদিন বসে থেকে বিকেল চারটায় এক ভাইয়ের পরামর্শে ওনার হাতে ৫০০ টাকা দিলে, পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ করে দেয়।
আমি আমার লাইসেন্সটি রিনিউ করার জন্য আবেদন করি কিন্তু তা হচ্ছে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাতিল করছিলো তারপর একজনের সহায়তায় ৪০০০ টাকা দিয়ে তা করতে সক্ষম হয়েছি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ৩৫০০ টাকা বাড়তি দাবি করে। গুস ছাড়া practical এ কোনো ভাবেই পাস করা যায় না। গুস দিলে ফেল করলেও পাস করানো হয়। আমি এই পর্যন্ত বৈধ ভাবে ২বার চেষ্টা করেছি। একবার ও পাস করানো হয় না।
ঘুস না পাওয়া পর্যন্ত কাজ হয়নি ঘুস এর টাকা দিয়ে কাজ করা লাগছিল