17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতিটি জেলা শহরে ফ্রিতে ড্রাইভিং শেখানো হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে জানার পর সেখানে যাই কিন্তু যাওয়ার পর না না কথা ওজুহাত আমার কথার কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। পরে কিছু পর আমাকে ১৫০০ টাকা দাবি করে টাকা দিলে এখনই ভর্তি হতে পারবো।
চাকরির জন্য বাইক চালানো জরুরী ছিলো। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 12000 দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। তবে এখানে যা বুঝলাম 100 মধ্যে 70 জন টাকা দিয়ে কাজ করেছে...
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা এবং টেস্ট সম্পন্ন করার পর লাইসেন্স কার্ড দেওয়ার দিন যেই লোক লাইসেন্স দিচ্ছিলো সে সবার কাছে ১০০টাকা চাচ্ছিলো। প্রায় ৮-১০ জন ছিলাম। আমি বললাম লাইসেন্স দেন আমি বাসা থেকে টাকা এনে দিচ্ছি, লাইসেন্স হাতে পেয়ে পরে আর অফিস মুখো হয়নি😆😁
ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে শুধু গাড়ি দেখবে আর ফিটনেস প্রিন্ট করে দেবে টাকা প্রথমে দিতে না চাওয়য়ায় সারাদিন অপেক্ষায় করাইছে বলে আজ হবে না আগামীকাল আসেন একজন দালাল এর ২০০০ টাকা চায় তখন ১২০০ টাকা দেই তখন ৫মিনিটে কাজ হয়ে যায়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য লিখিত মৌখিক ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করিয়ে দিবে এই মর্মে ৬০০০ টাকা দাবি করা হয়। পরিস্থিতি ঠিক এমনই ছিল। আমি টাকা দিতে ব্যর্থ হলে ফেল দেখানো হবে। অনেকেই এই পন্থায় লাইসেন্স অর্জন করে। অফিসের সকল খরচ মিলিয়ে মোট ১৬০০০ টাকা দি আমি।
মোটর সাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্র্যাকটিকাল পরিক্ষা এমনভাবে নেয়া হয় যেন কেউ পাস করতে না পারে অথচ রাস্তায় নিরাপত্তার সাথে এই প্রাক্টিকাল এর কোন সম্পর্ক আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে । শেষে 4500 টাকাতে সব দফারফা করতে হয়েছে
আমার ফ্রেন্ড কোরিয়া থাকে এবং ওই দেশে সে ড্রাইভিং লাইসেন্স করবে সে জন্য দেশের যে লাইসেন্স আছে পাশাপাশি বিআরটিএ থেকে প্রত্যয়ন প্রত্র লাগবে আমি গেলাম মিরপুর ১৩ বিআরটিএ ডিরেক্ট অফিসার এর কাছে সে বললো আপনি পারবেন না! আর আপনি করতে হবে এই কাগজ লাগবে এইটা লাগবে কিন্তু গেইট এর বাহিরে দালাল ৩০০০ টাকা ছেয়েছিল আমি সম্মত হই নাই। পরবর্তী কাউন্টার এ জিজ্ঞাস্য করলাম কি করা যায় উনি বললো কাগল পত্র দেন আর আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দেন তারপর আসেন তারপর আসলাম বললো ২০০০ টাকা দেন আমি একটু দরদাম করলাম কিন্তু উনি কোনোভাবে পারবে না আরো কত খারাপ আচরন এবং পরবর্তী উনি করেদিলেন।
আমার ভিসা প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল তারপর আমি বাধ্য হয়ে (ময়মনসিংহ বি আর টি এ) যাই গিয়ে বললাম বিস্তারিত তারপর সেখানে থাকা ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে এমন কিছু শর্ত পূরণ করতে বলেন যেমন : ১/ মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ২/ ভিসা কপি ৩/ অগ্রিম বিমান টিকিট আরও অনেক কিছু। আমি সকল কিছু দেওয়ার পর কর্মকর্তা আমাকে বলেন আপনি চলে যান। পরে আপনাকে জানানো হবে। কিন্তু কোন সময় নির্ধারণ করে দেন নি। ১৫ দিন পরে আমি নিজে থেকে কল দিলাম কর্মকর্তা বললো এভাবে হবেনা আপনি অফিসে আসেন আমি অফিসে গেলাম তিনি বললেন বাংলাদেশে টাকা হলে সবকিছুই সম্ভব আপনি ২০০০০ টাকা দেন ৩দিনের মধ্যে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে যাবেন। আমি বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হল। পরে লাইসেন্স পেয়েছি।
আমি লার্নার আবেদন করার সময় ভুলবশত পেশাদার এর জায়গায় অপেশাদার সিলেকশন করি,পরবর্তীতে আমি লার্নার বাতিলের আবেদন করার পর সহকারী পরিচালক এপ্রোভ করার পর কম্পিউটার অপারেটরের কাছে নিয়ে গেলে সে ১০০০/- টাকা দাবি করে।পরে সহকারী পরিচালকের কাছে অভিযোগ করলে তিনি সেই আবেদন কপি জমা রাখেন,তারপর আজ অব্দি ৩ মাস হলো উনি সেই আবেদন কপি ফরওয়ার্ড ও করেনি আর আমার লার্নার বাতিল ও হয়নি।
দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায় না। আর যদি কেউ অনলাইনে একা একাই টাকা পরিশোধ করে ,তাহলে তাকে ভাইবাতে ফেল করে দেয়া হয় ।আর যারা টাকা দেয় তারা কিছু না পারলেও পাস করে ।আমার জানা মতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ হয় ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার মোটরসাইকেলের জন্য, কিন্তু আমার লাগছে ৯৫০০ টাকা ।আপনি সরাসরি বিআরটিএ যায়ে কোন কাজ করবেন আপনার কাজ হবে না, দালাল দিয়ে টাকা দিবেন সব হয়ে যাবে।
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য গিয়েছিলাম। সেখানে একজন কর্মচারী বলেছিল ৮০০০ টাকা দিলে সে সব কাজ করে দিবে। অন্যথায় আমি পাশ করলেও আমাকে ফেল করে দেওয়া হবে।
নাম্বার প্লেট লাগানোর সময় এবং গাড়ির স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে পৃথকভাবে ১০০ করে মোট ২০০ টাকা চেয়ে বসে।
Ame oi khane jawar por sob kichu bolar por amar ai taka dabi kore er ame chole ashi
Bike drive Exm e fail korly bole taka dew pass korai decce,,,,ami boyos jokon 26 tokon ami amneti pabo,,,,kew e pass kore na taka deley sathe sathe pass
লাইসেন্স করতে গেলে টাকা লাগবেই
আমি গিয়েছাম, গাড়ীর ফিটনেস আপডেট করতে । সেই খানে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কারণ সরকার নাকি অফিস খরচ চালায় নাহ ।
ড্রাইভিং লিখিত ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তির্ন করিয়ে দিবে। ৬০০০ টাকা দাবি করে।যথারীতি এভাবে চলছিল। আমি না দিলে ফেইল দেখানো হতো এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান ছিল।
মিরপুর ১৩ নম্বরে বিআরটিএ তে গাড়ির ফিটনেস চেকিং এর নামে মানুষকে হয়রানি করা হয়, ১০ নাম্বার লাইনে প্রথমবার ফেল আসলো, বের হতেই এক ভদ্রলোক এসে বলল, ভাইজান আপনার ফেলে আসছে আমি চাইলে আপনাকে আজকেই হাতে দিতে পারি, অন্যথায় আপনাকে নাভানা থেকে গাড়ির কাজ করিয়ে এনে আবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চেক করাতে হবে, উনি ১৬ হাজার পাঁচশো চাইছে আমি ১১ হাজার টাকায় ওনাকে কন্টাক্ট করেছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই উনি আমাকে ফিটনেসের কাগজ নিয়ে হাতে ধরিয়ে দিল। বেশী লেখার অপশন নাই তাই শর্টকাট লিখে দিয়েছি। এভাবেই ফিটনেস চেক করার নামে হয়রানি ও ঘুষ দাবি করে থাকে।
BRTA te fitness update er time a 1500tk ghush nise.
I need to pay extra 2 thousand taka to get the fitness certificate as my car is old but don't find any problem to complain then they said as your car is more then 25 years old you have to pay "GHUSH" to get the certificate.