17,322 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অপেশাদার লাইসেন্স এর জন্য ড্রাইভিং টেস্ট দেয়ার জন্য গাড়িতে বসলাম।জিগ্যেস করলো গাড়ি চালাতে পারেন।বললাম হ্যাঁ। বলে কে পাঠাইছে? আমিও মজা করে আন্দাজেই একটা নাম বললাম।বলে জাপানিজ কোড বলেন?🤦🏼♂️ এরপর সেটা তো আর জানিনা।তো আমি সুন্দর মত ড্রাইভিং করলাম।L parking সুন্দর মতই করেছি।তাও পরে দেখি কাগজে ফেইল।এরপর দালাল ধরেই করানো লাগছে।ড্রাইভিং লাইসেন্স এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৪ হাজার টাকা দাবি করেছে।
মালিকানা পরিবর্তন করতে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে ৫। না দিলে কাগজ দিবে না টাকা না দিলে এজন্য দিয়েছি
মটরবাইক্ রেজিস্ট্রেশন এর কাগজ জমা দিতে গেলে ১৫০০ টাকা চাইল, আমি বললাম ব্যাংকে সব ফিস দিয়েছি এর রিসিট গুলো দেখালাম। তখন বললেন এটা আলাদা দিতে হবে তা না হলে জমা হবেনা, তখন কি আর করা
Officer Taka nay bodli hoi aj 2 bochor hocchay kaj akono ni, taka na dayias kaj o korchilo na
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে চাইছিলাম, তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিয়ম মাফিক আবেদন করি এবং ডকুমেন্টস জমা দেই, কিন্তু মাসখানেক চলে যাওয়ার পরেও অনলাইনে আপডেট হয়না। পরবর্তী তে দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করার কয়েকদিন এর মধ্যে কাজ হয়ে যায়, ১১,০০০/- টাকা ফি এর সাথে অতিরিক্ত ৯,০০০/- মোট ২০,০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা লাইসেন্সের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ১০,০০০ টাকা প্রদান করি। উক্ত অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়েছি।
গাড়ির বাৎসরিক ফিটনেস নবায়ন করতে গেলে ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে বিআরটিএ অফিস
নতুন বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে বাড়তি যেখানে ১১ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশনের খরচ বাট আমাকে দিতে হইছে ১৫ হাজার টাকা
Without money Brta table not Moving
2 bar tk chara liscence er jonno try korsi but oai nai. Ora tokhon thekei tk dabi korsilo. 3rd time na pere disi and bikalei message paisi je hoyea gese.
দালালের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ১০০০০/- ও গাড়ির নাম বদলাতে ৩০০০০/- পরিশোধ করতে হয় ।
২০১৪ সালে প্রথম বারের মত ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করি। পুরো প্রসেস শেষ হবার পরে অদ্ভুত এক ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হই, যেইদিন বায়োমেট্রিকের জন্য ফিংগারপ্রিন্ট আর ছবি তুলতে যাই। ছবি তোলা শেষ হলে, আমাকে এক কাউন্টারে পাঠানো হয়, হাতে লেখা একটা স্লিপ দিয়ে। সেখানে যাওয়ার পরে কাউন্টারের ভদ্রলোক হাত থেকে স্লিপ নিয়ে বলে, "২০০ টাকা দেন।" আমি কিছু জিজ্ঞেস না করেই দিয়ে দেই। সে এরপরে আমার হাতে ধরায় দেয়, দুইটা ২০ টাকা দামের লটারীর টিকেট (সেটারও অলরেডি ড্র শেষ হয়ে গিয়েছে এমন এক্সপায়ার্ড টিকেট)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "এইটা কী দিলেন? লটারীর টিকেট আমি কেনো নিবো? তারউপর এটার ড্র হয়ে গেছে মাস দুয়েক আগে"। আমাকে উনি বললো, "ভাই, ঝামেলা করেন না, আমরা ছোট চাকরী করি।" সেই অফিসে প্রতিদিন কম করে হলেও ৫০০০ মানুষ যায়।
আসসালামু আলাইকুম। ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছিলাম। এর জন্য ঘুষ গুনতে হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ঘুষ দিয়েও কোন লাভ হয় নাই। কারণ সে লাইট ড্রাইভিং লাইসেন্সটা এখনো হাতে পায়নি। ঘটনাটি ২০২৩ সালে মার্চ মাসের ঘটনা । ড্রাইভিং লাইসেন্স আমার বাড়িতে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখনো পায়নি। আর কতদিন আমাকে এই অপেক্ষায় থাকতে হবে
আমাকে ডেকে নিয়ে বলে আপনার লাইসেন্স তারা তারি আসবে, তার জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে আমি এক্সাম পাশ করার পর ও।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা তে লিখিত পরীক্ষায় পাস করি এবং মৌখিক পরীক্ষা দিতে গেলে চারটা প্রশ্ন করে দুইটা পারি বাকি দুইটা পারেনি পরবর্তীতে আমাকে বলে আপনি অপেক্ষা করেন আবার ডাকা হবে সবার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত ডাকেনি আমি নিজে থেকে রুমে গিয়ে বললাম আমাকে কেন ডাকা হয়নি। পরে বলল আপনার পরীক্ষা একবার হয়েছে পরবর্তীতে আবার পরীক্ষা দিতে হবে আমি বললাম আপনি তো বলেছিলেন যে আমাকে আবার ডাকবেন বাহিরে গিয়ে সবকিছু ভালোমতো শিখতে। কর্তব্যরত বিআরটিএ কর্মকর্তা আমাকে বলে বাহিরে আনসারের সাথে কথা বলেন সমাধান হয়ে যাবে। ওরে বাহিরে আনসারের সাথে কথা বলার পরে আনসার বলল ৩০০০ টাকা দিলে অটোমেটিক পাশ হয়ে যাবে। কোন পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।
Tk na dewar karone fail dewa hoy, porer bar tk diye pass korsilam
দালাল কে টাকা দিতে হয়েছে।বিনিময়ে ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়া লাগে নি। লাইসেন্স আপনাআপনি হয়ে গেছে।
Deriving mart card খুঁজে পায় না। ৫০০টাকা দিলাম আর পেয়ে গেলো। টাকা যে চোখ আছে সেদিন বুজেছিলাম।
ড্রাইভিং টেস্ট পরীক্ষা দেওয়ার পর বললো আপনি ফেইল করেছেন। টাকা না দিলে পাশ হবে না।
সর্বসাকূল্যে ১২০০০৳ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায় না। সরাসরি অফিস কর্মকর্তারা এটি করে থাকে