17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Driving licences korte full payment lagbe 15000tk, Amar jawa lagbe na, Smart Card Ready kore dibe.
ড্রাইভিং পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য। বিআরটিএ এর আউটসোর্সিং পিয়ন ৪৫০০ টাকা দাবি করেছিল। পরে ৪০০০ টাকা দিয়ে কাজ হয়েছিল।
Ami 1jon soudi pobasi. 2026 soudi asar jonno Heavy track driver takamul lakba. aita 50 dolar sorkari free. but 50 dolar (7000tk) dila hoi na. exam nia fall kora dai. 30k, 35k amonki 40k nia ai takamul chatipikat dai. ami 32k dia koraici. potoma 7k dia koraita chaici but fall pora 32k dia koraici mot 39k tk lakcha. Noakhali thaka Gajipur asa jawa koroc to acaii. medical o same soudi jabar jonno normal medical 10k. korar pora unfit pora abr 22k dia koraici r fit. mot medical 32k lakcha. NOAKHALI thaka Dhaka asa jawar koroc to aca.
মোটরসাইকেলের ১০ বছর মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরে নতুন করে ২৩ টাকা জমা দিয়ে পাঁচ বছরের জন্য বাইক রেজিস্ট্রেশন আনতে হয় দুই তিন দিন করার পরে পনেরশো টাকা দিয়ে সেই কাজ করিয়েছি।
দালাল ছাড়া কোন কাজ হয়না নিজে নিজে অনেক ট্রাই করছি কিনতি তাড়া ইচ্ছা কৃত ফেল করে দেয়। যখন দালালের মাধ্যমে টাকা দিলাম সেই দিনেই আমি পাশ করলাম। আবার ফিংগার প্রন্ট দিতেও আলাদা ১০০ টাকা দিতে হয় এক কোথায় টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা উর্তীন্ন হতে দেওয়া লেগেছে, টাকা না দিলে ব্যাবহারিক পরীক্ষাই ফেইল করেছিল, লিখিত ও মোখিক পরীক্ষাই সফল হবার পর ব্যাবহারিক পরীক্ষাই সফল হয়েও ফেইল করে দেন পরীক্ষক মহাদয়, বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে ব্যবহারিক পাস করি।
আমি গাড়ির রোড পারমিট, ফিটনেস সনদ ও আরও অনান্য কাজে গেলে তারা বলেন আজ সিরিয়াল নেই, কাল আসেন, ব্যাংক ড্রাফ আগে করে গিয়েছিলাম। আমাকে বলে লাইনে দাড়াতে, লাইনে দাড়ানোর পর সিরিয়াল পাওয়া যায় না, আতছ দালালকে ৫০০০ টাকা দিলেই ঔ দিন সিরিয়াল ছারা সব কাজ হয়ে গেছে।
আমি দেশের বাইরে যাচ্ছি, তাই আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মারক/হার্ড কপিটি প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে কথা বললে তারা জানায় যে, বর্তমানে এই সার্ভিসটি বন্ধ আছে, তাই আপাতত স্মারকটি দেওয়া সম্ভব নয়। তারা আমাকে অনলাইন থেকে পাওয়া PDF কপি ব্যবহার করে চালানোর পরামর্শ দেয়। তবে আমি যদি স্মারকটি সংগ্রহ করতে চাই, তাহলে একজন ব্যক্তির ফোন নম্বর দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। পরবর্তীতে দেওয়া নম্বরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান যে, তিনি কাজটি করে দিতে পারবেন এবং এর জন্য ১২,০০০ টাকা লাগবে।
আমি সবকিছু অনলাইনে টাকা পরিশোধ করি। তারপর কাগজ জমা দিতে গিয়ে তখন পিওন বলে তিন হাজার টাকা লাগবে। আমি বললাম কেন, তখন সে বললো কাগজ দেরিতে করছি তার জরিমানাওতো হতো এর চেয়ে বেশি। তাই তিন হাজার টাকা দেন কাজ হবে। তারপর আমি তিন হাজার টাকা দিলাম তারপর কাগজের উপর লিখলো ওকে
আমি আমার গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করাতে যায় বিআরটি অফিস তখন অফিস সহায় আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে যেটা যৌক্তিক দাবি নয়, আমি সম্পূর্ণ খরচ অনলাইনে বিআরটিএ সার্ভারে জমা দিয়েছি এরপরেও কেন টাকা জমা দিতে হচ্ছে, আমার মত অনেক গ্রাহক আছে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে টাকা দেওয়ার কারনে, অন্যদিকে দিও কাকে সময় আমি আমার কাজ করাতে পারছি না ও সময় ওকাঙ্ক্ষিত কাজটি হচ্ছে না।
Koyjon bollo vai tk na dile jevabei howk fail korabe..Amar emergency dekhe ekjon dalal k 3 hajar tk dichi kaj hoye giyece...
আমি লানার ঠিক ক্যানসেল করার জন্য বললাম উনারা বলল সেটা ক্যানসেল করার জন্য এই আবেদন করা লাগবে ওই আবেদন করুন কিন্তু ক্যানসেল হলো না পরে আমি আবার একটি দালালের মাধ্যমে জানতে পারলাম টাকা না দিলে এটি ক্যান্সেল হয় না তখন আমি ওই দালালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করলাম তারপর এখন বিআরটিএর ওয়েবসাইটে থানা থেকে অঞ্চল করা হয়েছে এরকম তথ্য দিচ্ছি ক্যানসেল হয়েছে
ঘুস না পাওয়া পর্যন্ত কাজ হয়নি ঘুস এর টাকা দিয়ে কাজ করা লাগছিল
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ৩৫০০ টাকা বাড়তি দাবি করে। গুস ছাড়া practical এ কোনো ভাবেই পাস করা যায় না। গুস দিলে ফেল করলেও পাস করানো হয়। আমি এই পর্যন্ত বৈধ ভাবে ২বার চেষ্টা করেছি। একবার ও পাস করানো হয় না।
ওইখানে কিছু দালাল আমার কাছে ৯ হাজার টাকা দাবি করে, আমি অস্বীকৃতি জানাই। প্রথমবার পরীক্ষা দেওয়ার পর, আমি ফেল করি।অথচ আমার বন্ধু মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা, সে টাকা দিয়ে পাশ হয়ে যায় সবকিছুতেই। দ্বিতীয় বার পরীক্ষাতেও ফেল করি।কিন্তু দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সময় ২০১৯ সালে, একজন ভালো ঈমানদার লোক নীলফামারীতে এসেছিল, আমি সে সময় দেখেছিলাম কোন দুর্নীতি হয়নি। মানে তিনি করতে দেয়নি। তৃতীয়বার বাধ্য ও হতাশ হয়ে আমি ৯০০০ টাকা দেই।এবং সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরীক্ষার হলে আমাকে সব প্রশ্নের উত্তর বলে দিয়েছিল, গার্ড হিসেবে দায়িত্ব রত পুলিশ। এবং জিকজ্যাকেও আমি ফেল করি, কিন্তু রেজাল্টে দেখি আমি সবকিছুতেই পাস।
টাকা না দিলে কাজ হবে না
বাইকের নাম পরিবর্তন, বিআটিএ অফিসে আসার পর এদিকে জান ওদিকে জান করতে,করতে দিন শেষ,তারপর দরবেশ বাবাদের স্বাক্ষাত ,তারপর কি আর করা ক্লন্ত হয়ে ঘরে ফেরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া BRTA অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখা যায়, সরাসরি BRTA-এর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কাজ করা বেশ কঠিন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৯৫% মানুষকে BRTA-এর কিছু অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারী বা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা ব্যক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করাতে হয়। মোটরসাইকেলের লাইসেন্সের সরকারি খরচ প্রায় ৬,০০০ টাকা হলেও যোগাযোগের মাধ্যমে করতে গেলে প্রায় ১৩–১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করতে বাধ্য হচ্ছে।
আমি বাদ্য হয়ে টাকা দিয়ে কাজ করেছি
টাকা দেওয়ার পর ও আমি স্মাট কার্ড পাচ্ছি না। দীর্ঘ 1 বছর যাবৎ ঘুরতেছি... স্মাট কার্ড না থাকার কারনে রাস্তা ঘাটে পুলিশ কে টাকা দেওয়া লাগতেছে।