মোটর সাইকেলের জন্য নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমার পরীক্ষা সবকিছু ঠিকঠাকমতো হওয়ার পরেও সময়ের কথা বলে আমার কাছে দাবি করি জামি অর্ধেক পরিমাণে পরিশোধ করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পরীক্ষা সবকিছু ঠিকঠাকমতো হওয়ার পরেও সময়ের কথা বলে আমার কাছে দাবি করি জামি অর্ধেক পরিমাণে পরিশোধ করি
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। বর্তমানে আমার সিঙ্গাপুরে Class 3 এবং Heavy Vehicle—উভয় ধরনের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে গাড়ি চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতাও আমার রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এসে বিআরটিএ-এর ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় আমাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিআরটিএ-এর নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি এবং নির্ধারিত পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আমার কাছে অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দাবি করা হয় বলে আমি অভিযোগ করছি। আমাকে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা প্রদান করলে .....
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে এক্সট্রা সরকারি ফি বাদে।
Sob exam thik dear por oww fail. Pore dalal re 3000 disi pass. Even shudhu fingerprint diye chole gese taraw pass. Documents tara joma rakhe . sathe sathe ferot dei na.
সকল কাগজপত্র দেওয়ার পরও যখন পরিক্ষা দেই তখন পরিক্ষা শেষে দুই হাজার টাকা দাবি করে না হয় পরিক্ষায় কৃতকার্য হব না এমন বলে ২০০০ টাকা দাবি করে পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে নিস্পত্তি হয়। ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনটি এপ্রুব হয়।
টাকা না দিলে পাস দেয় না,, আমার দেখা মতে ১০০ তে ১০ জনও টাকা ছারা পাস দেয় না
আমার গাড়ির ফিটনেস করারনোর জন্য বি আর টি এ কর্মকর্তা ২০০০ টাকা চেয়েছিল। শেষে ১২০০ টাকা দিতে হয়েছে।
Ami new driving license korcilam. Shunecilam driving license e taka cara pash kora jay na. Tai akta dalal dhore 5000 taka ghus diyecilam.
আমি আমার বাবা বাইকে স্মার্ট কার্ড নিতে গিয়েছিলাম আর আমার বাবা অসুস্থ থাকায় তিনি যেতে পারেন নি। কিন্তু আমি যাওয়া পর তারা বলেন আপনার কাছে গাড়ির স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে না বল্লাম আমি তার ছেলে কিন্তু তারা কোনো ভাবেই দিতে রাজি নয় একটু পর ওফিসের লোকটা আমাদের বল্লো আপনি একটু বাইরে অপেক্ষা করেন তারা দাবি করেন ৩০০ টাকা দিতে আমরা তা দিতে বাধ্য হয়,, এটা যশোর brta অফিসের ঘটনা। হইতো একাটা কম কিন্তু ওই যে ঘুস তো ঘুসিই
নতুন লাইসেন্স নিয়ে মেলা তামাশা হয় এখানে। বাইক চালাতে পারে এমন ব্যক্তিকেও মেলা বার ফেল করানো হয়, অবশেষে ৫ হাজার টাকা দালাল কে দিয়ে সব ঠিকঠাক করা হয়।
টাকা দিলে করতে পারব না হলে করা হবে না
বাইক নাম পরিবর্তন , টাংগাইল বিআরটিএ অফিস থেকে টাকা নিয়েছে
নেম প্লেট লাগতে বকশিস না দিলে লাগিয়ে দিবে না। পরে ১০০ টাকা দেওয়া লাগছে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে লাঞ্চ টাইম ১:২০ বাজতেই দায়িত্বরত কর্মকর্তা চলে যাচ্ছিল। আমার অপেক্ষার ফলাফল জানতে চাইলে বলে আজ আর হবে না। কাল আসুন। যেহেতু আমার উপ্জেলা থেকে জেলা শহরের বেশ দুরত্বে থাকায় আমি বার বার অনুরোধ করলে ইশারা দিয়ে একটি লোক দেখিয়ে বলেন আপনি উনার সাথে কথা বলেন। উনি চলে গেলেন। আমি অফিসারের দেখানো লোকের সাথে কথা বলার পর অই লোক আমার কাজটা করে দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৬০০০ টাকা বেশিচায়। যেহেতু আমি এর আগেও দুদিন ঘুরে গেছি একা একা কিছুই করতে পারিনি সেহেতু আমিও আজকে সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। তাই একান্ত বাধ্য হয়েই ৬০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলাম। অই লোক অফিসের কেউ না। উনি আয়মান হোন্ডা দোকানে আমাকে নিয়ে গেলেন। আশ্চর্যের ব্যপার অই কর্মকর্তা অই শোরুমে বসেই আমার আবেদন
বিআরটিএ তে আমি সম্পূর্ণ ভাবে লাইট ভেহিকল ড্রাইভিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে আমাকে পাশ দেখানো হয়। কিন্তু বাসায় এসে দেখি মেসেজে আমাকে ফেল দেখানো হয়েছে। পাশ দেখানোর কাগজ আমার কাছে এখনো আছে। পরবর্তীতে বুঝতে পারি, দালালকে ১০,০০০ টাকা না খাওয়ালে নাকি লাইসেন্স পাওয়া যায় না। অবশ্য আমার ৬৫৩ টাকা মোট আবেদন করতে গিয়েই লস গিয়েছে।
আমি আমার লাইসেন্সটি রিনিউ করার জন্য আবেদন করি কিন্তু তা হচ্ছে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাতিল করছিলো তারপর একজনের সহায়তায় ৪০০০ টাকা দিয়ে তা করতে সক্ষম হয়েছি।
প্রথমবার আমি পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে কেননা তারা টাকা ব্যতীত কোন লাইসেন্স এর পাশ দেয় না। তিনটি পরীক্ষা থাকে তিনটি পরীক্ষার মধ্যে দুইটি সম্পন্ন লিখিত মুখিত পাস করার পর ফিল্ড টেস্টে ওনারা রাতের দশটার পর শুধু চারা উদার থেকে টাকা দেয় তাদেরকে পাস দেয় টাকা দেয় না তাদেরকে ফেল করিয়ে দেয়। আমাদের গাড়ি থাকে অনেক একেবারে খারাপ যাতে করে কেউ পরীক্ষা দিতে না পারে।
গাড়ির মালিকানা ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে বাধ্যহয়ে সিস্টেম এ দিতে হয়েছে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে
টাকা না দিলে নানান ভাবে পরীক্ষায় ফেল দিবে বলেছিলো।