নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৬৫০০ টাকা বাড়তি দিলে পরিক্ষায় পাশ করানো হবে অন্যথায় কয়একবার পরিক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। আমাকে গাড়ির শোরুমে যাইতে বলে। বিআরটিএ অফিস থাকতে শোরুমে কেন যাব। বাড়ি দুরে হওয়ার যাতায়াতের সমস্যা র কারেন ২-৩দিন হয়রানির পরে বাধ্য হয়ে টাকা পে করতে হয়েছে।
টাকা না দিলে লাইসেন্স দিবে না প্রথমে আমি নিজে নিজে চেষ্টা করেছিলাম সরকারি সিস্টেমে
অভিযোগের সংক্ষিপ্তসার BRTA-এর ফিল্ড টেস্টে প্রায় ৯৮% শিক্ষার্থীকে ফেল করানো হয়েছে বলে আমরা লক্ষ্য করেছি। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, যারা দালালের মাধ্যমে ঘুষ/অবৈধ অর্থ প্রদান করেছে, তাদের অনেকেই পরীক্ষায় পাস করেছে। অন্যদিকে, আমরা যারা কোনো ধরনের ঘুষ বা অবৈধ অর্থ প্রদান করিনি, তাদের ফেল করানো হয়েছে। এতে আমাদের মধ্যে পরীক্ষা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ফিল্ড টেস্টের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যাচাই, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রকৃতপক্ষে যোগ্য শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করছি।
মটর সাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে বলে শো রুমের কাগজ পত্র ঠিক নাই, পরে শো রুমে গেলে বলে ঠিক আছে, তারপরের দিন আবার বি আর টি এ অফিসে গেলে অফিসের একজন স্টাফ তার নিজস্ব এজেন্ট (দালাল) এর মাধ্যমে বলে ৩০০০ লাগবে। পরে দফারফা করে ২৫০০ দিয়ে করলাম। ২০১৮ সালের ঘটনা
TTC থেকে ডাইভিং প্রশিক্ষণ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স জন্য আবেদন করি এবং পরীক্ষা দিতে যায় পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করে এবং খাতা দেখতে চাইলে খাতা দেখায় না পরীক্ষায় পাস করিয়ে লাইসেন্স করে দিবে বলে টাকা দাবি করে ২৬০০ টাকা দিলে সব করে দিবে। ২৭ থেকে ৩০ জনের সাথে টাকা নিয়েছিল
নাম পরিবর্তন ও ও টাকা জমা দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবি করে বিআরটিএর ভিতরে ব্যাংকের অফিসাররা এক্সট্রা টাকা দিলে টাকা তাড়াতাড়ি নেয়। মিরপুর 14 নম্বর বিআরটি তে এরকম অবস্থা ভিতরে সব কয়টা মহিলা অফিসার ঘুষ খায় সিরিয়াল বন্ধ রেখে মোবাইলে যে কাজ আসে সেই কাজগুলো করে আর বাইরে থাকা লাইনের মানুষদের বলে সার্ভার নাই নেট নাই
অফিস থেকে বলে টাকা দিলে কাজ হবে আর টাকা না দিলে কাজ হবে না
আমি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল কাজ নিজে করেছি সকল পরীক্ষায়(লিখিত, ঝিকঝাক ও মৌখিক) অংশগ্রহন করে উত্তীর্ণ হলেও আমাকে বলা হয় ফাইল জমা দিতে হলে সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে ২০০০ টাকা দিতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দেয়া হয়েছে না দিলে লাইসেন্স করে দিবে না
আমি আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ঝিনাইদা বিআরটিএ অফিসে যায় সেখানে যাওয়ার পরে আমি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি কোনভাবেই তারা আমাকে সহযোগিতা করে না পরবর্তীতে বিআরটিএ অফিসারের কক্ষে যায় বিষয়টা বলি কাউন্টার থেকে আমাকে কোন সহযোগিতা করছে না তখন উনি বলে যে আমাকে দেন আমি সবকিছু করে দিই পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তার কথায় রাজি হই এবং তার কথা অনুযায়ী তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত টাকা কর্মকর্তার হাতে নগদ প্রদান করি। উনি আমার সমস্ত কাগজ জমা নেন এবং আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট রেডি হয়ে আসে দুর্ভাগ্যবশত ওই কর্মকর্তা কুষ্টিয়াতে পোস্টিং হয়ে যায় এবং বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ আমার বাইকের স্মার্ট কার্ড এবং নাম্বার প্লেট দিতে অপারগতা প্রকাশ করে আরও ২000 দাবি করে।
আমাকে শুধু ফিঙ্গার দিতে হবে। বাকি সম্পূর্ণ কাজ তারাই করবে। এই জন্য বারো হাজার টাকা দিতে হবে। কোন পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে না আমি লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাব।
1 মাসের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে দিবে। পরীক্ষা যে ফেল হবে না
For new license the person who is taking the finger and image had taken 100 taka per person otherwise nobody can pass the exam. The examination was open book, the instructor has told us the answer and we wrote them. For the car test they asked to pay more 300 taka for driving and for final license i have to pay more 6000 taka.
প্রথম্বার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিয়ে পাস করার পর ও রেজাল্ট ফেইল এসেছিলো, আমার পাশেই অন্যজন কিছু না পেরেও পাস করেছে তাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম সে ঘুষ দিয়েছে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করিনি। এটাই বাংলাদেশ।
নবায়ন করতে গেছি ওরা আমার কাছে ৩০০০ টাকা চাইছে
বিআরটি থেকে বলা হয়েছিল, আপনি এতদিন নাম্বার কেন করেননি, ২০২১ সালের ফাইল, এটা নাম্বার দেয় না সরকার থেকে, এজন্য অনেক হয়রানি হতে হয় পরিশ্রম আছে। তার জন্য এক্সট্রা খরচ আছে, আপনি কিছু টাকার খরচ দিয়ে যান তাহলে হয়ে যাবে আগামী সপ্তাহে এসে নিয়ে যাবেন। আমি অনেক জোরাজুরি করেও কম দিতে পারি নাই। বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে নাম্বার করেছি।
আমি আমার ছোট ভাইয়ের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম তখন প্রথমবার তাদেরকে ৩৭০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি তারপরও আমার ভাইকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দিয়েছে সেকেন্ড টাইম আবার অ্যাপ্লিকেশন করে ৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে তারপরও ড্রাইভিংটা যেহেতু করতে হবে তাই বাধ্য হয়ে করেছি আমরা আমরা এটার প্রতিকার চাই
আমার গাড়ির কাগজ করতে যেয়েমেহেরপুর বিআরটিএ তে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হইছিলো। একজন অফিস ক্লার্ক নিয়েছিলো ঘুস টা।
They told me that you don't need to do anything, just provide the fingerprint and go to your home, you will get your driving licence just you need to provide 8k to us instantly even before giving the fingerprint