ড্রাইভিং লাইসেন্স
৬৫০০ টাকা বাড়তি দিলে পরিক্ষায় পাশ করানো হবে অন্যথায় কয়একবার পরিক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
৬৫০০ টাকা বাড়তি দিলে পরিক্ষায় পাশ করানো হবে অন্যথায় কয়একবার পরিক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে
২০২০ সালে৷ আমার ইমারজেন্সি মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার প্রয়োজন হয়,আমি রানারের জন্য আবেদন করি এবং জমা দেই, আমার পরীক্ষার ডেট পড়ে ছয় মাস পর আমি খুব বিপদে পড়ে যাই তারপর বিআরটিএ তে যোগাযোগ করলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে,তাহলে পরীক্ষার তারিখ এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়ে আসবে আমি বাধ্য হয়ে তার বিকাশ নাম্বারে টকা পাঠাই এবং পরীক্ষার ডেট এক সপ্তাহের মধ্যেই দিয়ে দেয়।
আমি নিজে নিজে দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম এর জন্য মুন্সিগঞ্জ বিআরটিএ তে পরিক্ষা দিতে কিন্তু সব বিষয়ে পাশের পরেও মোটরসাইকেল পরিক্ষায় আমাকে ফেইল করিয়ে দেয়া হয় অনেক রিকুয়েষ্ট করেছি কিন্তু পাস দেয়নি অথচ যারা দালাল ধরে এসেছে তারা মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা অনেকেই কিন্তু তারা পাশ, তারপর এক লোক ডাক দিয়ে বলে একটা দোকানে যেতে আমি গেলাম পরে তারা প্রথমে ১০হাজার দাবি করে তারপর ৫হাজার নেয় আমার থেকে বলে পাশ করিয়ে দিবে তারপর পরের দিন দেখি আমি পাশ, হায়রে বাংলাদেশের সিস্টেম, প্রত্যেকটা সরকারি সেক্টরে এখন দালাল এর কথায় ও নোটে কাজ হচ্ছে আমাদের সরকার কি এইগুলো দেখছে না? সরকারের কাছে দরখস্ত এদেরকে যেনো ছাটাই করে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়!
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। আমাকে গাড়ির শোরুমে যাইতে বলে। বিআরটিএ অফিস থাকতে শোরুমে কেন যাব। বাড়ি দুরে হওয়ার যাতায়াতের সমস্যা র কারেন ২-৩দিন হয়রানির পরে বাধ্য হয়ে টাকা পে করতে হয়েছে।
brtc te free training korai but licences nite gele sobai mile proty students theke 2300 kore tk nei
সব কিছু পাশ করলাম, ভাইভায় গিয়ে নাটক করলো, ফেল করে দিবে আরো আনেক কিছু,,,, পরে ১০ জন মিলে চুক্তির মাধ্যমে ২৫,০০০ টাকা দিয়েছি
আমি একটি বাইক ক্রয় করেছি বগুড়া শহর থেকে আমি বর্তমানে চাকরি করে ঢাকাতে তাই আমি ঢাকা বিআরটিএর নাম্বার করতে চেয়েছিলাম প্রথমে আমাকে না বলেছিল যে এটা হবে না পরে সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি তারপরে হয়েছে
টাকা না দিলে লাইসেন্স দিবে না প্রথমে আমি নিজে নিজে চেষ্টা করেছিলাম সরকারি সিস্টেমে
অভিযোগের সংক্ষিপ্তসার BRTA-এর ফিল্ড টেস্টে প্রায় ৯৮% শিক্ষার্থীকে ফেল করানো হয়েছে বলে আমরা লক্ষ্য করেছি। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, যারা দালালের মাধ্যমে ঘুষ/অবৈধ অর্থ প্রদান করেছে, তাদের অনেকেই পরীক্ষায় পাস করেছে। অন্যদিকে, আমরা যারা কোনো ধরনের ঘুষ বা অবৈধ অর্থ প্রদান করিনি, তাদের ফেল করানো হয়েছে। এতে আমাদের মধ্যে পরীক্ষা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ফিল্ড টেস্টের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যাচাই, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রকৃতপক্ষে যোগ্য শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করছি।
পরিক্ষা পাশ করে দিবে, যেভাবে হয় হোক
২০২০ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই, অফিসের লোকের কোন সহযোগিতা না পেয়ে বাধ্য হয়ে, দালালকে ৮৫০০ টাকা দেই লাইসেন্স করার জন্য, ড্রাইভিং এবং লিখিত পরিখা দিয়েছি, এখন পর্যন্ত আমি লাইসেন্স পাই নাই, বলে ফিনগার আমার আসে নি,তাহলে এখন আমি কি করতে পারি
আমার সকল কাগজপত্র থাকার পরেও তারা সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ফাইল জমা নেবে না। আমার ২০১৯ সালের ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সবগুলোই আছে, ইতিপূর্বে ঢাকায় নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সুবাদে BSP অ্যাকাউন্ট ও ছিল। তারা পরিদর্শনের সময় নাটক শুরু করে দিয়েছিল একা একা রেজিস্ট্রেশন করছিলাম তাই। বারবার বলছিল শোরুম থেকেই করতে পারবেন শুধু। রুম নিবে বাড়তি ৩৮০০ টাকা। পরে সার্জেন্টের ভয়ে বাধ্যগতভাবে বিআরটিএ অফিসের এক দালালের সাথে ২০০০ টাকায় কন্টাক্ট করি। এই হচ্ছে বাংলাদেশের অবস্থা। বিআরটিএ ভূমি অফিস এমন এক বাজে জায়গা যেখানে আপনি সকল কাগজপত্র নিয়ে গিয়েও ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করতে পারবেন না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাইছিলাম পরে ৪৫০০টাকা দাবী করে
অপেদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আমি আবেদন করেছি। এখন কিছু দালাল বলছে আপনি যতই পরিক্ষা ভালো দেন আপনাকে পাস করাবে না যদি আমাদের মাধ্যমে না করান। যেভাবেই হক ফেইল করাবে তবে আমি ও বলেছি আমি একবার ফেইল করে দেখি তাও মহান আল্লাহর কাছে বলতে পারবো আমি সৎ ভাবে চেষ্টা করেছি.... । এখন দেখি কি হয় সমনে পরিক্ষা।
মোটরসাইকেল জিগ্জ্যাগ টেস্টে আমরা প্রায় 100 জনের উপরে পরীক্ষা দিলাম মোটরসাইকেল চালানোর গ্যাপ অনেক কম করে দিছিল তাই মাত্র সাত আট জন পাস করছিল। কিন্তু রেজাল্ট এ দেকলাম ৮০% পাস। সবাই কোন না কোন মাধ্যম ধরে টাকা দিয়ে পাস করিলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আমি পরীক্ষায় পাস করেছিলাম। কিন্তু এরপরও আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। পরে আবার নতুন তারিখ নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়। সেই পরীক্ষার জন্য ঘুষ হিসেবে ৩,৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার পর আমাকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়া হয়।
আমি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স যখন আনতে যাই তখন তখন অফিসার ড্রাইভিং লাইসেন্স না দিয়ে কাগজের সিল মেরে টাইম বাড়িয়ে দিল । আমি জিজ্ঞেস করলাম যে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এখনো আসেনি। বলল যে না এখনো আসে নাই। পরবর্তীতে আমি এক দালালের মাধ্যমে ৫০০ টাকা যখন দেই তখনই সাথে সাথে লাইসেন্স দিয়ে দেয়। আমি নোয়াখালীতে থাকি তাই বারবার নোয়াখালী থেকে এত টাকা ভাড়া দিয়েছে লাইসেন্স নেওয়া পসিবল ছিল না সেজন্যই ৫০০ টাকা দিয়ে কম্প্রোমাইজ করা ছাড়া কোন রাস্তা ছিল না।
আমি আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ঝিনাইদা বিআরটিএ অফিসে যায় সেখানে যাওয়ার পরে আমি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি কোনভাবেই তারা আমাকে সহযোগিতা করে না পরবর্তীতে বিআরটিএ অফিসারের কক্ষে যায় বিষয়টা বলি কাউন্টার থেকে আমাকে কোন সহযোগিতা করছে না তখন উনি বলে যে আমাকে দেন আমি সবকিছু করে দিই পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তার কথায় রাজি হই এবং তার কথা অনুযায়ী তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত টাকা কর্মকর্তার হাতে নগদ প্রদান করি। উনি আমার সমস্ত কাগজ জমা নেন এবং আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট রেডি হয়ে আসে দুর্ভাগ্যবশত ওই কর্মকর্তা কুষ্টিয়াতে পোস্টিং হয়ে যায় এবং বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ আমার বাইকের স্মার্ট কার্ড এবং নাম্বার প্লেট দিতে অপারগতা প্রকাশ করে আরও ২000 দাবি করে।
আমি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল কাজ নিজে করেছি সকল পরীক্ষায়(লিখিত, ঝিকঝাক ও মৌখিক) অংশগ্রহন করে উত্তীর্ণ হলেও আমাকে বলা হয় ফাইল জমা দিতে হলে সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে ২০০০ টাকা দিতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দেয়া হয়েছে না দিলে লাইসেন্স করে দিবে না