সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,৩৩৯ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। পাস করার পরেও ফেল করাইছে পরে শুনলাম সবাই টাকা দিয়ে করে

Dhaka, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১০০

ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমি বায়োমেট্রিক দিতে গেছিলাম। উনারা টাকা ছাড়া বায়োমেট্রিক গ্রহণ করে না। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা দিতে হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর, রংপুর ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.০ হাজার

গাড়ির ফিটনেস করতে যাওয়া।

গাড়ির ফিটনেস করতে গেলে টাঙ্গাইল বিআরটিএ টাকা না দিলে কোন কাগজ দেয় না।। বড় স্যারেরা এটা সরাসরি নেয় না।। অফিস পিওন এর হাত দিয়ে নেয়।। পিওন ২০০০ টাকা ছাড়া কাগজ দেয় না।। ঘোরাগুরি করায়। ৫ দিন পর কাগজ দিছে তাও ২০০০ টাকা ঘুশ দিয়ে।। আমি ওখান কার প্রতেক গাড়ির চালক দের কাছে শুনছি তারা বলেছে গাড়ি প্রতি তারা ২০০০ নেয়।। এসব টাকা নেওয়ার মুল হতা অফিস পিওন।। মুলত বড় স্যার রা ওর মাধ্যমে টাকা গুলা হালাল করে৷। ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারও ২০০০ টাকা ছাড়া কেও ফিটনেস সদন পাবে না।। পিওন কে দেখলে মনে হবে এ তো গরিব। না ও বেনসন ছাড়া খায় না।। ওর সমস্ত কিছু তদন্ত করা হোক।।

টাঙ্গাইল, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১৩.০ হাজার

লাইসেন্স

দালাল ছাড়া লাইসেন্স হয় না। দালা দিয়ে করতে হলো, টাকা লাগলো ১৩০০০ । স্মার্ট কার্ড পেতে লাগলো আরও ২ বছর। এই ২ বছরের মধ্যে ডেট বাড়াতে যেতে হলো কয়েকবার, এখানে লাগলো আরও টাকা।

ঢাকা মিরপুর বিআরটিএ, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১২.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স নতুন

দালালের মাধ্যমে প্রথমে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নাই পরে সমস্ত পরীক্ষা শেষ হলে বাকি টাকা আমি পরিশোধ করি

ঢাকা, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

মোটরসাইকেলের মালিকানা নাম ট্রান্সফার।

আমি একটা ১৫০ সিসির মোটরসাইকেল ক্রয় করি এবং তার মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আমি সরকারের সমস্ত ফ্রি পেমেন্ট করি। কিন্তু বিআরটি তে যে দেখলাম তারা বলে এই কাগজ ঝামেলা ওই কাগজের ঝামেলা কাগজ ঠিক করে নিয়ে আসেন। আমার কাগজ সবই ঠিক ছিল। তারপর আমি BRTA তে দুই দিন গেলাম আমি বুঝতে পারিনি তারা টাকার জন্য এরকম করছে। পরে বড় ভাইয়ের কাছে ফোন দিলাম। পরে আমাকে জানালো এখানে নিজের কাজ নিজে করা যায় না। পরে একটা দালাল ধরলাম।এবং সরকারি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা পেমেন্ট করার পরেই আমার কাজ দশ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়ে গেল।

ঢাকা, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

বাইকের নাম পরিবর্তন

কাগজ জমা দিয়েছে। এই সমস্যা, সেই সমস্যা বলে টাকা চাইছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না। বাইক ৬ মাসের ব্যবহার করা। একেবারে নতুন। তারপরও টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে প্রায় ২ ঘন্টা লাগছে। Nrbc জমা দিয়েছি, সরকারি খরচ ৩৬৯০ টাকা। আমার কাছ থেকে ৩৭০০ টাকা নিয়েছি। জায়গাটা এইরকম ব্যাংকের কর্মকর্তা ১০ টা বেশি নিয়েছে তাও মহিলা কর্মকর্তা।

মিরপুর ১৩, ঢাকা, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১৩.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ঘুষ

মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কক্সবাজার বিআরটিএ অফিসের অফসাররা ঘুষের মাধ্যমে লাইসেন্স দেন ঘুষ না ফেলে ফেইল করিয়ে দেন।

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳১২.০ হাজার

মটর সাইকেল নাম পরিবর্তন

আমি মোটরসাইকেল কিনেছি আমি এবং আমার মালিক আমরা দুজনেই বি আর টি অফিসে যাই যাওয়ার পর আমরা অফিসে ঢুকি আমরা একজনকে বলি স্যার আমরা মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য আসছি উনি ওই অফিসের এক জনকে দেখিয়ে দেয় ওনার কাছে যান ওনার কাছে যাওয়ার পরে উনি আমাকে বলে এগুলো অনেক ঝামেলা এগুলো এত সহজে করা যায় না বলে আপনি এক কাজ করেন আপনি নিজে নিজে এগুলো করতে পারবেন না পরে আমি বলি উপায় কি তাহলে পরে সে আমাকে বলে আপনি ১২০০০ টাকা দেন আমরা করে দিচ্ছি আমি বললাম মালিকানা পরিবর্তন করতে এত টাকা তো লাগেনা তারপর উনি একটু রেগে গেল আমাকে বলল এডি এটি স্যারের রুমের যাওয়ার সাহসই তো আপনারা পাবেন না পর আমি ওখান থেকে ফেরত এসে পড়ছি মালিকানার চেঞ্জ করি নাই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫০০

মোটরসাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন

মোটরসাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন এর সব কিছু আমি নিজে নিজে করেছি, কোন দালাল না ধরে। যখন সব কাজ হয়ে গেছে তখন আমার ফাইলটা জমা নিয়ে আমাকে একটা রিসিভ কপি দেওয়ার কথা যেটা দিয়ে আসল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমি মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবো। তখন ঐখানের স্টাফরা আর আমার ফাইল জমা নেই না। একজন বলে ঐখানে যান, সে আবার আরেকজনকে দেখায় দেই আর হাসাহাসি করে। পরে একজন বলে ৫০০ টাকা না দিলে জমা নিবে না। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিই। যখন কম্পিউটার অপারেটর এর কাছে রিসিভ রিসিট আনতে যাই সে ও জানতে চাই নিচে টাকা দিয়েছি কি না!!

কুষ্টিয়া, খুলনা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১১.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমি পরিক্ষা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরিক্ষায় পাশ করার পর ও ফেল আসছে অথচ পরের দিন ওইখানের এক লোক বললো টাকা ছাড়া পাশ আসবে না।তখন টাকা নিয়ে পরিক্ষাও দেওয়া লাগলো না সাইন করায় নিয়ে আসলো ওই লোক আমাক দেয়নি।ম্যাজিস্ট্রেট এর পাশের লোকটা সাইন দিয়ে দিলো।

ঢাকা, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

Driving license renewal/ motor cycle inclusion

I am a navy officer having driving license more than 20 years. I liked to include motorcycles in my driving license. TI ask money, moreover i am a RAB officer. I declined, they make me fail. I am shocked. I have also international license. I mail to concern authority. In BRTA all exam are passed if u pay , don’t pay they will never make u pass.

Gabtoli BRTA, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

মালিকানা পরিবর্তন

টাকা চেয়েছে অন্য কোথায় থেকে নাকি ফাইল তুলতে হবে। তারপর তাদের অনেক খাটাখাটুনি করতে হবে এগুলো বলে।

নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১২.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স করা

আমি দালাল ছাড়া নিজে নিজে ড্রাইভিং এর ব্যবহারিক এবং লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর রেজাল্ট বোর্ডে গিয়ে দেখি আমি ফেল তাই পরবর্তীতে দালাল দিয়ে বারো হাজার টাকা দেওয়ার পর দেখি পরীক্ষা দিয়ে পাস দিয়েছে

ঢাকা , নিকুঞ্জ, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.৮ হাজার

Driving License

আমি ড্রাভিং লাইসেন্স করার জন্য প্রথমে কোন ধরনের ঘুষ না দিয়ে চেষ্টা করি কিন্তু আমাকে ফেল দেখায়। পরে দালালের মাধ্যেমে ঘুষ দিয়ে পরিক্ষা দেয় আমি পাস করে যায়।

Dhaka, ঢাকা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য