সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,৩৩৯ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩০০

বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিতে ঘুষ

আমি ঢাকায় থাকি কিন্তু গ্রামের বাড়িতে আমার নামে একটি বাইক আছে। সেই বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়ার জন্য নওগাঁ বিআরটিএ থেকে মেসেজ পেলাম। কিন্তু আমি ঢাকাই থাকি তাই আমি যেতে পারিনি, রিসিট নিয়ে আমার বাবাকে যেতে বললাম। আমার বাবা যথা সময়ে রিসিট নিয়ে বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড উঠাতে নওগাঁ বিআরটিএ অফিসে গেল। তখন সেখানে কর্মরত কর্তা আমার বাবাকে বলে যে, আপনাকে কার্ড দেওয়া যাবে না। আপনার ছেলেকেই আসতে হবে। পরে অফিসার আমাকে ফোন করে বলে যে, আপনাকে ছাড়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া যাবে না। আমি বললাম, আমি তো ঢাকাতে আছি, নওগাঁতে আমি আরও ৬-৭ মাস পরে যাবো। আমার বাবার কাছে রিসিট আছে, আপনি দিয়ে দেন, তখন উনি বলল যে তাহলে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে। তখন উনি আমার বাবার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ঘুষ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি দেন।

নওগাঁ, রাজশাহী ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৯.০ হাজার

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন

লাইসেন্স করতে চাইলে আগে দালালকে ৯০০০ টাকা দিতে হবে না হলে যতই ভালো ড্রাইভারহন লাভ নেই আাপনাকে ফেইল করে দেবে

কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳১.২ হাজার

বাইকের মালিকানা পরিবর্তন

নাম পরিবর্তন করছিলাম ৯ মাস আগে ফিংগার দেওয়ার ডেইট আসে না বি আর টি এ তে গেলে ১৫০০ টাকা দিলে ফিংগার নিয়ে নিল।আমি বিদেশ চলে যাবো এই ভাবে তো ফিংগার না দিয়ে অপেক্ষা করতে পারি না। বি আর টি এর ইট জানালা দরজা সবাই ঘুস খাই।

যশোর, খুলনা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

মোটরবাইক রেজিস্ট্রেশন

বরগুনা সদর বিআরটি আফিস গত২৮ জুলাই আমি ফাইল জমা দি আজ থেকে ১মাস৩দিন আগে আমার সাথে আরো অনেক জমা দেয় কিন্তু তারা দেয় তথাকথিত দালাল বা সুপারিশ এর মাধ্যমে আমি সরাসরি নিজেই দেই তাদের ফাইল বের হয়ে আসে কিন্তু এখন আমার ফাইল বরগুনা বিআরটি অফিস এর ধুলো জমে কারণ আমি তথাকথিত দালাল এর মাধ্যমে ফাইলটি জমা করি নাই। দালাল এর মাধ্যমে জমা দেওয়া মানে এক্সাটা ৩০০০ টাকা বেশি লাগে

বরগুনা, বরিশাল ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৫ হাজার

Driving licence

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছিল। জানতাম যে টাকা না দিলে ফেল করিয়ে দেবে। তাই বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়েছে।

রংপুর, রংপুর ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳২.০০ লাখ

৩০ বছর আগের গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনে ২ লাখ টাকা দাবি

আমার মৃত বাবার Toyota AE110 গাড়ির মালিকানা আমার আম্মুর নামে পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ নানান লিগাল কাগজপত্র সহ ২ লাখ টাকা দাবি করেছিল। ওটা না দিয়ে শেষমেশ আমার ও আব্বার এই শখের গাড়ি অর্ধেক দামে কাগজ ছাড়া বিক্রি করে দেই

Dhaka, ঢাকা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

Driving licence

আজ নীলফামারিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা ছিলো আমার (মোটরসাইকেল) । এখানে আমায় ৩০০০/= অতিরিক্ত দিতে হয়েছে কোনো তৃতীয় জনকে । শুনেছিলাম এমনি এমনি পার হওয়া যাবে না । পরিক্ষা শেষ এ হয়েছেও তাই । আমি প্র্যাকটিকাল এ কিছুটা ভুল করেও পাস পেয়েছি, লেখিত পরিক্ষা আর ভাইবা এমনিও ভালো হয়েছে সাধারণ ভাবেই ।

Nilphamari, রংপুর ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৪.৫ হাজার

লাইসেন্স তৈরি সাপেক্ষে

আমি নোয়াখালী টিটিসি এর অধীনে ট্রেনিং করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। পরবর্তীতে টাকা ছাড়া তারা পাশ দিবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এবং দালাল পেরন করে সমঝোতার জন্য। এই পরিস্থিতি দেখে আমি আর আগাই নাই‌ ।

নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৫ হাজার

নাম পরিবর্তন

আমি প্রথম এ মিরপুর গেলাম আমার বাইকের নাম পরিবর্তন করার জন্য এরপর আমি সকল কাগজ পত্র কিনে রেডি করে টাকা জমা দিয়ে বাইক চেকিং এর কাজ সেস করে সেই ফাইল নিয়ে গেলাম নির্দেশিত রুমে পরে আমার কাগজ চেক করে দেখে বলল এটা কার মাদ্ধমে করতেছেন আমি বললাম একাই পরে বলল যান এটা বি এস পি করে আনেন দোকানে গেলয়াম করার জন্য বলে ২৫০০ টাকা লাগবে করে দিতে পরে যার কাছে থেকে কাগজ কিনেছি তার কাছে গেলাম সেটাকা নিয়ে বলল ভাই ভিতরে আমাদের লোক আছে তাদের টাকা দেয়া লাগে , আগেই বললাম আমাদের দেন টাকা তাইলেই ত হইয়ে যায় , এই পর্যন্ত ৬ বার বাইক কিনেছি সেম কাহিনী ২ হাজার অতিরিক্ত দেইয়া লাগে ঘুষ , দালালের নাম এক্স মিরপুর বি আর টি এ এর গেটের সামনেই বসে

ঢাকা, ঢাকা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১২.৫ হাজার

লাইসেন্স বানানো

ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর জন্য গিয়েছিলাম। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তাই টাকা দিয়ে লাইসেন্স বানিয়ে এখন গাড়ি চালাই।

কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৮.০ হাজার

প্রথম লাইসেন্স

২০২০ সালে ড্রাইভিং প্রেক্টিকেল এক্সামে পাস করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া লাগে। যদিও আমি ভালো ড্রাইভার ছিলাম।

সিলেট, সিলেট ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময়

টিটিসি থেকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা, সেখান থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে বসে।

কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১২.০ হাজার

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে

দালালের মাধ্যম ছাড়া এখানে কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারবে না। এই দালাল বি আর টি এ কর্মকর্তা এবং কম্পিউটার অপারেটর ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের একটা সিন্ডিকেটের যুগ সাজসের ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়। আমার কাছ থেকে ১২০০০ টাকা নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। টাকা ছাড়া এমন কোন ব্যক্তি নাই যে এখান থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে আমি এটা হচ্ছে নরসিংদী বিআরটিএ

নরসিংদী, ঢাকা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১০.০ হাজার

গাড়ির নাম পতন পরিবর্তনের জন্য

আমি একটি সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কিনেছিলাম সেটির কাগজপত্র নাম ট্রান্সফারের জন্য আমি বিআরটি তে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু কেউ তেমন গুরুত্ব দেয়নি এবং কাজ খুবই ধীরগতিতে করছে যখনই আমি একটি দালাল ধরে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি আমার কাজ করার জন্য তখনই এক সপ্তাহের মধ্যে নাম ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়েছে এমন একটি দেশে থাকি যেখানে টাকা ছাড়া কিংবা দালাল ছাড়া একটি কাজ করারও সম্ভব নয়

যশোর, খুলনা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১.০ হাজার

গারির ফিটনেস

২০২৫ সালে ঢাকা মিরপুর বি,আর,টি,এ, তে গারির ফিটনেস করাতে যাই। বি,আর,টি,এ, এর গেট এ ঢোকার আগ পর্যন্ত আমার গারির হেড লাইট ১০০% ঠিক ছিল। যেই রাম্প এ ওঠাল, আমার গারির হেড লাইট ফিউস হয়ে যায়। আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে ফিরনেস দিতে। এটি একটি সিন্ডিকেট যার সাথে অফিস কর্মকর্তারাও জড়িত। আপনি একজন অসহায় সেবাপ্রার্থী বাংলাদেশী নাগরিক।

ঢাকা, ঢাকা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৬.০ হাজার

মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন

আমি সরাসরি বিআরটিএ অফিসে গেলাম কেরানীগঞ্জ, আমি বিআরটিএ একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি নিজে মালিকানা পরিবর্তন করতে চাই, আমি অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে গেলাম, আমার মোটরসাইকেলের পুরানো ফাইলটি বের করার জন্য, সে আমার ফাইলটি খোঁজার জন্য ভিতরে গেল এবং ৩০ মিনিট পর আসলো, সে আমাকে বলল আপনার ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারপর সে অনেকক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখার পর আমাকে বলল নিজে নিজে কিছু করা যাবে না আমাদের মাধ্যমে করতে হবে, সে বলল আমাদেরকে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তাহলে আপনার মালিকানা পরিবর্তন হবে, সে আমাকে আর বলল এ টাকা আমি একা খাব না এখানে বিভিন্ন লোককে দিতে হবে, তারপর কোন কিছু উপায় না পেয়ে আমি তাকে বললাম ঠিক আছে আমি আপনাকে ৬০০০ টাকা দিব আপনি কাজটি করিয়ে দেন, তারপর সে ফাইলটি খুঁজে পেলো।

কেরানীগঞ্জ বিআরটিএ, ঢাকা ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য