মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন
মালিকানা পরিবর্তন গিয়ে ৫ ঘন্টায় এত তথ্য চাওয়া হয়েছিলো যাতে করে মাঝপথে আটকে যাই কিন্তু দালাল ধরে টাকা দেওয়ার পর ১০ মিনিটে কাজ হয়ে যায়
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মালিকানা পরিবর্তন গিয়ে ৫ ঘন্টায় এত তথ্য চাওয়া হয়েছিলো যাতে করে মাঝপথে আটকে যাই কিন্তু দালাল ধরে টাকা দেওয়ার পর ১০ মিনিটে কাজ হয়ে যায়
Driving License korar somoy iccha kore fail koriye dey. Tarpor bike + car soho 10800 tk diye driving license kori.
টাকা চাওয়ার পর আমি ২০ হাজার টাকা দিব আমার কাজ টা করে দিন কিন্তু সাফ জানিয়ে দে২৭০০০ টাকা ছাড়া হবে না।
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে এক্সাম দেই। বারবার ফেইল করায় দিচ্ছিলো, পরে বুঝলাম দালাল & মার্কা (একটা সিল দালালদের) ছাড়া পাশ করা জাস্ট ইম্পসিবল। এরপর বাধ্য হয়ে দালাল দিয়েই করাই। এরপর এক্সামের সময় সব এক্সাম ফেইল করি ইচ্ছাকৃত, কিন্তু তবুও লাইসেন্স হয়েছে। this is the power of ghush 😂
দালাল ছাড়া লাইসেন্স করা অসম্ভব বলে জানতে পারি,তাই দালাল দিয়েই করাই।
No one can't even get a valid driving licence from here without paying to the local brokers, even after passing all the tests.
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার পরেও ফেইল দেওয়া হয় আমাকে। বি আর টি এ কর্মচারী ৩০০০ টাকা দাবি করে। তাকে টাকা দেয়ার পর পাশ করানো হয় আমাকে।
আমি ১৬ বছর যাবত মোটর সাইকেল চালক। তার আগেও চেষ্টা করেছি লাইসেন্স নেয়ার কিন্তু পারিনি। পরবর্তীতে আবার চেষ্টা করি গত ২০২৫ সালে। আমি নিশ্চিত ছিলাম লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় ১০০% পাশ করবো। এত বছর গাড়ী চালাই তাই নিজের প্রতি অগাদ বিশ্বাস ছিলো। কিন্তু ঘুষ না দেয়ায় আমি ফেল। লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক। আমি কিন্তু বিএসএস পাশ। তারপরও লিখিত পরীক্ষায় ফেল করলাম। পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেলাম অথচ লাইসেন্স পরীক্ষায় ফেল। কত কঠিন তাদের পরীক্ষা। মনে হয় বিসিএস এর চেয়ে কঠিন। যাইহোক আর লাইসেন্স নেয়া হলো। আমার খুব কাছের একজন ঘুষ দিয়েছিল সে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ২০% ও চালাতে পারেনি তাকে লাইসেন্স দিয়ে দিলো।
brta te amar new licence korar jonno ami dalal ke oi samoy 5000 taka besi diechi amar licence korar jonno jodio pore ami nijei sob practicle exam e pass kori but dalal chara khob kom kaj hoi esob e and holeo onk jamela pohate hoi
আমার গাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার লাগানো আছে। রংপুর বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আমার গাড়ির সরজমিন পরীক্ষা করার সময় আমাকে এলপিজি সিলিন্ডার খুলে না ফেললে ফিটনেস দিবেন না বলে জানান। ফিটনেস না দিয়ে তিনি অন্য গাড়ির কাছে চলে যান। তখন এক লোক এসে ২০০০ টাকার কথা বলেন। পরে ২০০০ টাকা দিলে ফিটনেস দিয়ে দেন। ইন্জিনিয়ার সাহেব নিজ হাতে টাকা নেন না। তার টাকা নেওয়ার জন্য লোক আছে। আমি ২০২৪ সালে এবং ২০২৬ সালে ২০০০ টাকা করে দুইবার ফিটনেস করিয়েছি। এটাই এখানকার এলপিজি করা গাড়ির ফিটনেস করানোর রেট বলে জানতে পেরেছি।
পূর্বে যারা চট্টগ্রাম বি আর টি তে লাইসেন্স করছে তাদের থেকে জানলাম এখানে দালালের সাথে কন্ট্রাক্ট করা ছাড়া লাইসেন্স প্রথম মনে করছি একবার ট্রাই করে দেখবো। কিন্তু ইমার্জেন্সি লাইসেন্স প্রয়োজন হওয়ার কারণে দালাল ধরলাম সরকারি ফি দেওয়ার বাহিরে দালাল কে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ঘুষ না দিলে আপনি ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করতে পারেন। ড্রাইভিং পরীক্ষার দিনে প্রায় শত শত লোক দালালের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে টাকা দিয়েছে। শুধু দালালরাই নয়, এমন লোকও আছে যারা আসলে সহজ পথ বেছে নিতে চায়। এই প্রবণতাটি খুবই সাধারণ। এটা রক্তে মিশে আছে। এমন মুসলিম লেবাস দারি কর্মচারীরাও ঘুষ হিসেবে টাকা চায়; এই ধরনের লোকেরা মনে করে এটা তাদের জন্য খুবই হালাল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এরজন্য বাধ্য হয়ে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছিলো ২০১৮ সালে একজন দালালের মাধ্যমে। আরো টাকা দিতে হবে। আজ পর্যন্ত প্রিন্ট হয় নি বাড়তি টাকা পাওয়ার লোভে ।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে গেলে ওখানে কর্মকর্তা টাকার মাধ্যমে সব কাজ করে দেয়।জে কিনা ৪/৫হাজসর টাকার ড্রাউভিং লাইসেন্স এর জন্য চায় ১২হাজার টাকা। তার পর আর কি টাকা দিয়েই করতে হয়।
I was missed my exact date. For this reason 500 taka was given by me.
আমি একজন প্রবাসী ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে ফাইল জমা দিতে গিয়ে টেবিলে যিনি বসা আমাকে বললেন নতুন লাইসেন্স এখন রিজেক্ট হচ্ছে আপনি আমাদের সাথে কন্টাক্টে আসুন আমরা নিশ্চিত লাইসেন্স করে দিবো ১৫ দিনের মধ্যে ।টাকা ১০০০০ লাগবে।
Driving test porikkhay pass korar poreo phn diye 2500 taka dabi kora hoy
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা শেষে টাকা চাওয়া হয়। আগের বার টাকা দেই নাই জন্য ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছিল ।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স রিসিভ করার জন্য রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে যাই, সেখানে মোটা করে একজন ব্যাক্তি যে কার্ডটি দিয়ে থাকেন তিনি কার্ড নেয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করেন। আমার ইমার্জেন্সি থাকায় দিতে বাধ্য হই।
আমি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং এর জন্য যোগাযোগ করি থেকে ৭ হাজার টাকা বেশি তারা আমার কাছ থেকে নিয়েছে। এভাবে অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।