ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং এর জন্য যোগাযোগ করি থেকে ৭ হাজার টাকা বেশি তারা আমার কাছ থেকে নিয়েছে। এভাবে অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং এর জন্য যোগাযোগ করি থেকে ৭ হাজার টাকা বেশি তারা আমার কাছ থেকে নিয়েছে। এভাবে অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
বি আর টি এর ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রাক্টিকেল এক্সামে আমি ঘুষ না দেওয়াতে দাঁড়িয়ে থাকা তাদের দালাল রা আমি সঠিকভাবে পাস হওয়ার উপক্রম হলে তারা আমাকে ভুল ইশারা করে পরে আমি ফেইল হয়ে যায় অথচ আমার সামনে পিছনে এমন বহু লোক লাইসেন্স নিয়েছে যারা গাড়ি চালাইতেও পারেনা
মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন বাবদ বিআরটিএ টাকা পরিশোধ করার পর কাগজ পাতি জমা দেওয়ার সময় অফিস থেকে আমাকে বলে দুই হাজার টাকা বেশি না দিলে ফাইল কেউ ধরবে না টাকা জমা দিয়েছি পাঁচ মাস হলো এখনো কোন অগ্রগতি নেই
Protita driving licence er jonno 12hajar tk charge kore jeikhane shorkari vabe fee holo sob milaye 6k moton driving test e zig zag e pass kore dibe bole extra tk dabi kore
License er jonne 12k dalali fee dite hoicilo
Licence er sob kaj 1din e koriye dibe bole govt fee er sthe additional 5000 dabi kore. onk bolar por o kaj hoy nai. nijer job er chuti na thakay mene nici.
নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করানোর সময় বাধ্যতামূলক অতিরিক্ত 6 হাজার টাকা দিতে হয়.
বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে তারা ফেল করে দেয় পরবর্তীতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিলে পরীক্ষা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে দেয়
১ম বার ড্রাভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিতে গিয়ে কোন দালাল এর সাথে পরিচয় ছিলো না বলে সব কিছুতে পাশ করেও মাঠে বাইক চলানোর সময় মোড় ঘুরাতে গিয়ে হালকা পা টা নামাই বেলেন্সের জন্য এতে আমাকে বাদ দিয়ে দেয়। কিন্তু অপর দিকে একজন লিখিত দেয় কিন্তু ভাইবা না দিয়েও সে লাইসেন্স পায়।পরে জানতে পারলাম দালাল না ধরলে হবে না।তাই বাধ্য হয়ে ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে লাইসেন্স করাইতে হইল ২য় বার।
ড্রাইভিং লাইসেন্স আটকে টাকা দাবি করে পরে কোনো উপায় না পেয়ে টাকা পরিশোধ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাই
আমি দুইবার পরিক্ষা দিছি লিখিত ভাইবাতে টিকছি ড্রাইভিংয়ে আটকে দেয় পরে টাকা দিয়ে করছি প্রমান সহ আছে
নাম পরিবর্তন করতে সর্বমোট ৯০০০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছিল। মিরপুর বিআরটিএ থেকে দালাল ধরে কাজ করাতে হয়েছে অন্যথায়, অফিস থেকেই নানা তাল বাহানা করে ঘুরাতো।
আমার বাইক মিরপুর বিআরটিএ থেকে নাম ট্রান্সফার করি। এরপর বায়োমেট্রিকের আসলে আমি খুলনা বিআরটিএ তে যাই। সেখানে প্রথমে বলে এটা সব না ঢাকা থেকে করে আনতে হবে। এরপর অন্যভাবে বললে, ১ হাজার টাকা চায়। ২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজটা করে দেয় আমি তখন ৭০০ টাকা দিয়েছিলাম। ঘটনা জুন ২০২৬ এর
আমি আমার সদ্য ক্রয়কৃত গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে সিলেট বিআরটিএ অফিসে যাই। এ সময় সেখানে কর্মরত একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আমার মালিকানা পরিবর্তনের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য ৩,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি কিছুটা কম টাকা দেওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি তাতে রাজি হননি। ফলে, বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত ৩,০০০ টাকা প্রদান করেই আমাকে আমার কাজটি সম্পন্ন করতে হয়।
৪৫০০ ফাইন+ ফ্রি মোট ১১০০০ টাকা চেয়েছে দিলে কোন কিছু করা লাগবে না শুধু পরিক্ষায় উপস্থিত হলে হবে।
আমার প্রকৃত ফি ছিলো 2500/- টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে 7500/- লাইসেন্স প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছে।
Garir Bank Draft kora cilo, kintu Taka na dile number hoyna ei office e. Pore 2000 taka dia number kora lagce.
আমি অনলাইনে মাধ্যমে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি, এবং পরীক্ষার ডেট অনুযায়ী আমি রিটেন পরীক্ষা অ্যাটেন্ড করি রেজাল্টে পাস করি কিন্তু ব্যবহারীকে মোটরসাইকেল ভালো চালানোর পরেও, একবারের জন্য আমার পা মাটিতে পড়ে না তারপরেও আমার রেজাল্ট ফিল আসে। আমি জানতে চাইলে যিনি রেজাল্ট ঘুষোক তিনি আমাকে বলেন আপনি কি কোন মাধ্যম দিয়ে আসছেন আমি বললাম না আমি নিজে নিজে আবেদন করে পরীক্ষা দিতে আসছি, তখন সে বলে আপনি সারা জীবন খেলে পড়বেন পাস হবে না। আমি বললাম কি করলে পাস হবে তখন বলে মাধ্যম দিয়ে আসেন, আমি বললাম ভাই আমি কোন মাধ্যম চিনি না কাউরে চিনি না, তখন একজনকে ইশারা দিয়ে দেখায়া দিল তার সাথে কথা বললাম তারপরে সে আমাকে বলে ৩৫০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম ভাই আমি ছাত্র মানুষ অনুগ্রহ করে আমার প্রতি একটু দয়
লাইসেন্স পেতে টাকা লাগে
নেত্রকোনা জেলাতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ১১০০০ দিয়েছি, পাসপোর্ট অফিসে নিয়েছে ২০০০ টাকা বেশি, কি বলবো সকল জাগায় ঘুষ লাগে৷ নেত্রকোনা পাসপোর্ট অফিসের অবস্থা খুবি খারাপ, রাতে ১০ টার সময় গেলেও পাসপোর্ট করা যায় টাকার অংক বাড়ালে৷