লাইসেন্স কার্ড পাওয়ার জন্য
লাইসেন্স কার্ড এর জন্য আবেদন করার পড় সব ঠিক থাকার পড় আবার ফোন দিয়ে বিআরটিএ অফিস এ নিয়ে টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়ার পর ও তারা কাজ করে দেয় নি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লাইসেন্স কার্ড এর জন্য আবেদন করার পড় সব ঠিক থাকার পড় আবার ফোন দিয়ে বিআরটিএ অফিস এ নিয়ে টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়ার পর ও তারা কাজ করে দেয় নি
দুই বার পরিক্ষা দিয়েছি পাস হইনা। বাইক থেকে পা পরে নাই। ড্রাইভিং ভুল হয়নাই। কিন্তু অজানা কারনে পাস দেয় নাই। ৩য় বার পরিচিত এক ভাই ৩০০০ টাকা নিয়ে কাকে জানি দিলো আমি পাস। পরে বুঝলাম কেন আমি ফেইল করতাম।
মিরপুর বিআরটিএ হেল্প ডেস্ক এই প্রকাশ্যে এমন দালাল বসে থাকে যারা ১০ মিনিট এ ২-৩ টা রুমে গিয়েই যে কাজ করা যায় সেটার জন্য ২৫০০ টাকা দাবি করে বসে। আমি প্রথমে ভবি হয়তো অনেক কঠিন কাজ তাই তাকে ১০০০ টাকা বলি, সে ২৫০০ তেই অনড় থাকে। এরপর আমি নিজে অফিসে ঢুকে ৬-৭ টা রুমে খোঁজ করে ১ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ করে এসে পড়ি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সরকারি ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত আরো ৩০০০ টাকা করে বিভিন্ন মাধ্যমে কিংবা দালালদের মাধ্যমে আদায় করে। এই টাকা এসব অফিসের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। টাকা না দিলে টেকনিক্যালি আটকে দেয়। হয়রানি এড়াতে সবাই এখন নির্দ্বিধায় ঘুষ দিয়ে দেয়।
Take extra money for driving license, otherwise they didn't pass u in driving license exam
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দালালকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল
আমি বিনা মূল্যে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের ফরম জমা দিতে গেলে দায়িত্বরত এক ছেলে বলে মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে সেটা সাথে না থাকায় এবং ঐদিনই লাস্ট ডেট হওয়ায় ছেলেটি বলে সেটা সে মেনেজ করে দিবে ৪০০০ টাকা তাকে দিতে হবে। অথচ বিজ্ঞাপ্তিতে মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে এরকম কিছু উল্লেখ ছিলো না।
"আপনারা তো ডাক্তার মানুষ, এই টাকা কয়েকদিনেই কামাই করে নিবেন" এই বলে আমার কাছে ১৭০০০ টাকা দাবি করেছে। রাগে আবেদনই করিনি। (only motorcycle license) (med student speaking)
প্রথমে একটা পরামর্শঃ সিটি কর্পোরেশনের পর “পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ” নামে দপ্তর বাড়াবেন প্লিজ। এরপর, আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে জানতে পারলাম, দালাল ধরে লাইসেন্স না করলে কিংবা আপনার বড় কোন মামা-খালু বা সরকারী কানেকশন না থাকলে আপনি যত ভালই পরীক্ষা দেন, আপনাকে ফেইল দেখানো হবে। কোনভাবেই আপনি দালাল ছাড়া পাশ করতে পারবেন না। আর দালাল ধরলে কোনরকম পরীক্ষা দিলেই আপনি পাশ। এটি কিভাবে সমাধান হবে আমার মাথায় আসে না। যুগ যুগ ধরে এই পদ্ধতি চলমান আছে।
আমার ড্রভাইং নবায়ন করতে গিয়েছিলাম, সেখানে আমার সরকারি সকল ফি প্রায় ৪১২৫ টাকা দশ বছরের জন্য। সেখানে সে আমার কাছে মোট ১০,০০০ টাকা দাবি করে প্রায় ৫,৮৭৪ টাকা আমার কাছে ঘুষ চায়। আমায় এমন কথাও বলে যদি ১০,০০০ টাকা না দেও এই জন্মে লাইসেন্স এর মুখ দেখা লাগবে না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাই দিছে কোন পরিক্ষা দেওয়া লাগে নাই। স্বয়ং ম্যাজিস্ট্রেট সামনে চিলো
নতুন লাইসেন্স করার জন্য। ১১ হাজারের মধ্যে অর্ধেক হয়তো সরকারি ফিছিল বাকি অর্ধেক লাইসেন্স করে দেওয়ার জন্য। তারা বলেছিল টাকা না দিলে পরীক্ষায় পাশ করাবে না
আমি সকল প্রকার ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস করেছিলাম, কিন্তু আমাকে জানানো হলো নির্ধারিত ৪০০০ টাকা না দিলে ফেল হয়ে যাবো কারণ বাকিরা সবাই টাকা দিয়েছে। আমার প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
১৫ বছর যাবত গাড়ীর ফিটনেস করাচ্ছি। অনেক কষ্টে ফিটনেস করানোর জন্য গত মাসে সিরিয়াল নিয়েছি। কাছাকাছি আসার পর আমার কাছে ১৫ বছর আগে যে গাড়ী সিএনজি করেছিলাম সেটার কাগজ চেয়েছে। না দিলে লাইন থেকে বের করে দিবে। ৩৫০০/- টাকা দিলে করে দিবে। তখন বাধ্য হয়ে ৩৫০০/- টাকা দেই। এর আগে কখনোও গাড়ী সিএনজি করার কাগজ চায় নাই। এ সরকার আসার পর এই নতুন ব্যবস্থা।
ঘুষ না দিলে পাশ হবে না মর্মে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে দেয়া হয়েছে।
টাইপ অ্যাপ্রোভাল নিতে গেলাম। ৯ মাস ঘোরানো হলো। পরে পেমেন্ট করলাম। পেয়ে গেলাম।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করে লার্নার সংগ্রহ করেছি। একাধিকবার ভালো পরীক্ষা দিলেও আমাকে অকৃতকার্য দেখানো হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা কন্টাকে পরীক্ষায় নাম মাত্র উপস্থিত হয়ে মাত্র তিন দিনের মাঝে প্রফেশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাই
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য তিনটি পরিখ্যে দিতে হয় আমি তিনটি পরিখ পাস করার পরেও আমাকে ১ ট পরিখায় ফেল করাইয়া দেয় দালাল। পরে আমাকে বাধ্য করা হয় ঘুস দেওয়ার জন্য নায়তো আবার ১ মাস পরে আমাকে নতুন আবেদন করে আসতে হবে
এইখানে জনপতি ৪-৫ হাজার টাকা বেশী নিয়ে থাকে।টাকা না দিলে সে যতই ভালো পরিক্ষা দিক ও ফেল।আর দিলে এমনিতেই পাস এই জন্য সড়কে এতো মৃত্যু। এইখানে সরকার নজর রাখে না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার জন্য এক্সট্রা ৩০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। এবং এই টাকাটা বিআরটিএ এর কর্মকর্তারাই নিয়েছেন। যাকে দিয়েছি সে বলেছে একদম ওপর পর্যন্ত সবাই কে টাকাটা দেওয়া লাগবে ভাগে যোগে।