নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২২-২৩ অর্থবছরে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিয়ে পাস করি তারপর সমস্ত কাগজ জমা দিবো ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য কিন্তু বলে আপনার এই কাগজ নেই ওইটা নেই ফাইল জমা নেয় না,,যা যা কাগজ চাইলো সব সংগ্রহ করে আবার জমা দেওয়ার জন্য গেলাম হইল না তারপর বাধ্য হয়ে দালালকে ১২০০ টাকা দিয়ে ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য ডেট নিলাম,,,
আমি আমার মোটর বাইকের নাম্বার প্লেট এবং স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে বলা হয় আপনি অনেক দেরি করে আসছেন নিতে আপনাকে এখন দেয়া যাবে না পরবর্তীতে ঘুষের বিনিময়ের দেয়া যেতে পারে বলা হয় আমি বাধ্য হয়ে দিয়েছি কারণ আমি একটি জব করি প্রতিনিয়ত তাদের সাথে যোগাযোগ করার উপায় ছিল না এবং বারবার তারা আমাকে প্রচারিত করতেছিল
ট্রাফিক পুলিশ আমার দুই মাস হয় নাই নতুন মোটরসাইকেলটা গাড়িটা ধরেছিল। আমি বলেছিলাম তিন মাসের ভিতরে আমি গাড়ির কাগজপত্র করে নিব। ম্যাজিস্ট্রেট আমার কথা না শুনে গাড়ির নামে মামলা দিয়ে দেয়। সারাদিন তাদের অফিসে ঘুরি কিন্তু গাড়িটা আমার দেয় না ছেড়ে গাড়িটা রেখে দিয়েছিল ফাড়ির ভিতরে। সারাদিন হয়রানির পরে রাত দশটা বাজে আমাকে একজন ট্রাফিক পুলিশ বলে, ১০,০০০ টাকা দিলে গাড়িটা ছেড়ে দিব। এই যে দুর্নীতির একটা অভিজ্ঞতা আমি সারা জীবন কখনো ভুলবো না। পরে আট হাজার টাকা দিয়ে আমি গাড়িটা নিয়ে যাই বাড়িতে।
আমার মোটরসাইকেল টির ১০ বছরের কাগজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাও আমি বিআরটি তে যাই সেখান থেকে আমাকে বলে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে মানি রিসিট নিয়ে আসেন। আমি ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে মানি রিসিট নিয়ে এসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ জমা দেই। তখন আমাকে বলা হয় ২০০ শত টাকা দেন যদি আজি পেতে চান। টাকা না দিলে দেরি হবে। অবশেষে ২০০ টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে আসি।
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
আমি এই জাবত ১০ বার BRTA তে এপ্লাই করেছি। কোন পরিক্ষা তে ফেল করিনি আমাকে ফিঙ্গার পিন্ট ও চোখের ছাপ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তি রশিদ ও দিছে কিন্তুু ২০২০ সাল থেকে এখনো লাইসেন্স হাতে পাইনি মূল লাইসেন্স এর জন্য। ১০,০০০ ঘুষ দাবি করে গাজীপুর BRTA একই ভাবে রাজশাহী BRTA আমার কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্ত রশিদ আছে
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। সেই অফিসের এক কর্মচারি বলে তোমার কিছুই করতে হবে না।আমাকে ১০০০০ টাকা দিবা সব কিছু হয়ে যাবে।তারপর টাকা দিলাম পুরোটাই যখন রিটেন পরিক্ষা দেওয়ার পর মৌখিক পরিক্ষা দেই তখন মেজিস্টেট তখন ৫ টি প্রশ্ন করে আমি ৩ বলতে পারছিলাম। তারপর সে আমাকে লালকালি দিয়ে বের করে দেয়। অনেকই কিছুই ধরে নাই তাও পাশ। আমার পাশে৷ একজন যখন লিখিত পরিক্ষা দিয়েছে তার নিজের নাম খাতায় লিখতে পারে না।এই হলো দেশের অবস্থা।
বলেছিল: কার্ড নিতে হলে আগেরদিন জানাতে হয় আজকে তো দিতে পারব না, কিছুক্ষণ পর বললো এসেছেন যখন ১০০ টাকা দেন আপনার একটা উপকার করি , আমার অন্যদিন আসার মতো ছুটি না থাকায় ১০০ টাকা দিয়েদেই, সাথে সাথে কার্ড দিয়ে দেয়।
When I attended to give thumbs impression for my driving license. They let me know that the file is not updated to take thumb impressions. Then I told him what can i do. Receiving sms i came to give my thumbs. With a exchange of Tk.5000/- i had to settle that issue.
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে তার জন্য ১৩ হাজার টাকা দিতে হবে
আমি বিআরটিএ অফিসে যাই আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ করার জন্য তখন অফিস সহকারি আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় যা থেকে আমি ৯০০০ টাকা পরিশোধ করি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি দুর্নিতি ও ঘুষ কারবার চলে কুমিল্লা বি আর টি এ তে, এখানে গোপনে সাধারণ জনগণের থেকে প্রচুর পরিমাণ ঘোষ নেওয়া হয়, ৪০-৫০ জন দালাল কাজ করে এই বি আর টি এ তে, এখানে এদের ধরতে হলে সিভিল ভেসে সাধারণ মানুষ সেজে এই চক্রকে শনাক্ত করা সম্ভব। তাই এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি।ইনশাআল্লাহ আশাবাদী এই অভিযোগটি ধ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
লাইসেন্স পরীক্ষা, ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়া পরে পাশ করেছি তারপরও অফিসিয়াল কাজ বাবদ টাকা দাবি করেন। ২০১৮ সালের ঘটনা।
গাড়ির স্মার্ট কার্ড আনার সময় ৩০০ টাকা ডিজিটাল গাড়ির প্লেট লাগানোর সময়১০০
কেনা বাইক রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ ঠাকুরগাঁও বিআরটিএ অফিসে গেলে তারা আমার কাছে ১৮০০ টাকা দাবি করে। কারণ ফাইল জমা করতে দেরি হয়ে গেছে। টাকা ছাড়া কোন ভাবেই তারা আমার ফাইল জমা নিচ্ছে না। অগত্যা বাধ্য হয়ে তাদেরকে ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। ঘটনাটা ২০১৮ সালের দিকে।
একটা প্রাইম মুভার গাড়ি নিছি, ২ মাস হলো এখনো নাম্বার করাতে পারি নাই, সরকারি জমা ১৭৫০০০ টাকা। BRTA চট্টগ্রাম বালুছড়া অফিস ঘুস চাচ্ছে ১,৩০,০০০/- টাকা। এ বাড়তি টাকা না দিলে গাড়ির নাম্বার দিবে না
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ হওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল বি আর টি এর কর্মকর্তাদের ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও লাইসেন্স করার জন্য দিতে হয়েছিল সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পোস্টটি দেওয়া লাগছে
আমার জরুরি ড্রাইভিং লাইসেন্স কারার জন্য ২০ হাজার টাকা নিছে, ঢাকা তেজগাঁও বিআরটিএ
আপনারা জানেন না ভাই দেশের কি অবস্থা। বিরাটিতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজই হয়না। আপনাকে শুধু শুধু ঘুরাবে সারাদিন কোন কাজ করে দিবে না। আর যে আমাদের সাথে ওদের কন্টাক্ট আছে। গোপনে ওদের একটা চিহ্ন থাকে যারা বুঝতে পারে যে এটা এই দালালের। ওই ফাইলগুলো যখন সেই দালাল হয় তাদের পরিচিত। তখন তারা কাজ করে দেয়। দালাল ছাড়া গেলে আপনি সারাদিন ঘুরবেন কোন কাজ হবে না। দালালের মাধ্যমে গেলে আপনার ফাইলে সমস্যা থাকলেও ওই চিহ্ন যখন দেখবে সব কাজ করে দিবে। কারণ বিআরটিএ অফিসাররা ওই দালাল থেকে কমিশন খায়।
গাড়ির ফিটনেস বা রোড পারমিট বলেন ব্যাংকে টাকা জমার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা দিতেই হবে না দিলে আপনার কাজ হবে না৷