ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা
টাকা না দেওয়ায় লিখিত পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দেওয়ায় লিখিত পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছে।
আমার বলা হয় টাকা না দিলে যত ভালোই পরীক্ষা দেই না কেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাব না। আর টাকা দিলে কোন পরীক্ষা দেয়া লাগবে না। সব কাজ হয়ে যাবে।
একজন দালালের মাধ্যমে করেছিলাম, তাঁকে এই টাকা দিতে হয়েছে। মূল খরচ সম্ভবত ৩২০০ টাকা ছিলো
মিরপুরে মাদ্রাজ সিকিউরিটিতে ফিংঙার দিতে পাঠানো হয়। ভোড় ৬ টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছরের পরে সিরিয়াল পেয়ে ফিঙার নেয়না। বলে সার্ভারে সমস্যা। আঙুল দিলেও কাজ হয়না। নেটওয়ার্ক ক্যাবল বা ওয়াইফাই ডিসকানেক্ট করে রাখে। এভাবে দুদিন যাওয়ার পরে তৃতীয় দিন রিকোয়েস্ট করে ২০০০ টাকা দিলাম। সাথে সাথে নেটওয়ার্ক আসলো। সার্ভার সচল। ১৫০০০ টাকা কন্ট্রাক্টে লাইসেন্স করি।
বাইকের রেজিষ্ট্রেশন নিজে নিজে করতে চাইলে কত্ত সত্ত ভুল। আর দরবেশ বাবা ধরে টাকা দিয়ে করলে সব সঠিক। কাগজ কিংবা নাম্বার প্লেইট আনার সময় শুধু শুধু এই কাগজ সেই কাগজ বলে পাবলিক হয়রানি । কিন্তু টাকা দিলেই সব সমাদান।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার যাবতীয় কিছু নিজে করার পর পাশ করেও অদৃশ্য শক্তি আমার ফাইনাল পেমেন্ট আটকিয়ে দেয়। পরে দালাল ধরে ৩০০০৳ পেমেন্ট করার মাধ্যমে সব ওকে হয়ে যায়।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে ফেল করায় দেওয়া হয়
Amar car fitness renewal korar shomoi ora stuff dea 2k demand kore. Ami still renewal kori nai.
মালিকানা সংক্রান্ত নানা কাগজপত্র দেখাতে বলেন, বিআরটিএ পোর্টালে তেমন কোন কাগজ এর কথা উল্লেখ নেই। চাহিদা মাফিক কিছুই লাগবেনা যদি ২৫০০ টাকা প্রদান করি। বাধ্য হয়ে ২৫০০ প্রদান করি।
আমার বাইকে নাম্বার লাসেন্স করা জন্য বৈধ্য উপায় এ সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সরকারি ফিস ও জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু যে দিন নাম্বার প্লেট বের হয় সেদিন একটা কর্মচারি ঘুষ ছাড়া নাম্বার প্লেট লাগিয়ে দেই নাই,, আমাকে বলেছিল ২০০ টাকা লাগবে তাহলে লাগায় দিবে অন্যাথায় নিজে যেখানে খুশি সেখানে থেকে লাগায় নিতে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি আমি। এইটা সত্য কথা, যাচাই এর জন্য আমি আমার নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সব দিতে পারি
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। পর পর দুইবার পরীক্ষা দিয়েছি কিন্তু পাশ করতে পারছিলাম না। বিআরটিএ অফিসে কথা বললাম যে আমি তো পরীক্ষা ভালো দিচ্ছি তাহলে কেন পাস করছি না। এক কম্পিউটার সহায়ক বলল, ভাই টাকা না দিলে পাশ হবেন না,। তারপর উনি এক দালালের সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিল। সর্বশেষ তাকে ২৫০০ টাকা দিলাম। এবং পরবর্তী ড্রাইভিং পরীক্ষা আমি উত্তীর্ণ হলাম।
driving licens banayte taka lage 5000tk er moto. amar theke nise 9500tk
গত কয়েকদিন আগে আমি আমার বসের গাড়ির ফিটনেস টেস্ট এর জন্য মিরপুরের বিআরটি র অফিসে যায়। ওখানে নামার অনেকেই আমাদের কে জাসৃট বলতে থাকে উনারা সব কিছু করে দিবে। সব আনঅফিশিয়াল লোক, দালাল দিয়ে ভরা। একজন লোক আমাদের পিছু নেয়, সঠিক কোনো দিক নির্দেশনা না থাকায় আমি একটু কনফিউজড ছিলাম। ঐ লোক টি এসে আমাদের পেপারস ওয়ার্ক গুছিয়ে দেয়। আমরা কিছু না বলা সত্বেও আমাদের সাথে থাকে। তার পর ফিটনেস চেক এর একজন এর সাথে কি কথা হয় তার। শতভাগ ফিট থাকার পরেও, আমাদের গাড়িকে আনফিট দেখানো হয়। পরে ৩০০০ টাকা দাবি করা হয় ফিট দেখানোর জন্য। টাকা পে করার সাথে সাথে ফিটনেস লেভেল গুড লিখে আপডেট করে দেওয়া হয়েছে।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য দালালের মাধ্যমে বিআরটিএ অফিসার দাবি করে ৫০০০ টাকা পরিশোধ না করলে লাইসেন্স কিছু করাবে না
সরকারিভাবে কার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, ভাইবা, প্রাকটিক্যাল সকল পরীক্ষা দিয়ে সফলভাবে উর্ত্তীণ হয়েছি। কিন্তু, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অগ্রীম ভয়ভীতি, যেমন: যদি তুমি ফেল কর, তাহলে কিভাবে তুমি লাইসেস্ন পাবে? তোমার সময় আরো নষ্ট হবে। রাস্তায় গাড়ী চালাতে আরো অপেক্ষা করতে হবে। এই ভয়ে অগ্রীম ঘুষ দিয়েছি। যদিও বা নিজের উপর ভরসা ছিল যে, সবকিছুতেই পাস করব।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য এক এক করে দুই বার অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে, সাথে পাঁচ বছর তাদের পিছনে ঘুরতে হয়েছে
নতুন বাইকের রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ফিংগারপ্রিন্ট দেয়ার দিনে দিতে হলো ৫০০ টাকা। রেজিষ্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার দিনে দিতে হলো ৫০০টাকা। রংপুর বিআরটিএ এর সবাই আসলে ফেরেস্তা।
আমি বিআরটিএ দালাল ছাড়া লাইসেন্স পাই না কখনোই পাইনি যদি আমি নিজে করতে চাই আমি কখনোই লাইসেন্স পাবো না
বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছি একাই। সংগে ছিল সকল ডকুমেন্টস। একা একা পরীক্ষা দিয়েছি, লিখিত, ভাইবা, মোটরসাইকেল চালানো সকল কিছুতেই পাশ করেছি। কিন্তু যারা পরীক্ষা নিয়েছে, তারা অটোমেটিক ফেইল করিয়ে দিছে। কারণ আমি দালাল ধরিনি। যদি দালাল ধরতাম তাহলে পাশ করতাম। খোঁজ নিয়ে দেখছি, যারা দালাল ধরেছে সকলেই পাশ করেছে। কিন্তু যারা ধরেনি তারা পাশ করেনি। পরে আমি একটা দালালকে ৬,০০০/-টাকার বিনিময়ে পাশ হই। এবং এ থেকে শিক্ষা পেয়েছি যে, বিআরটিএ সকল অফিসার গোপনে দালাল সংক্রান্ত লোকেদের সাথে জড়িত।
আমি গিয়ে বললাম আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট হইছে। লাইসেন্স টা দেন। তারা জানায় এখনো আসে নি।পরে একজন ভ