লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল
নাম পরিবর্তন করতে গেলে সরকারি খরচ থেকে ৩০০০ টাকা বেশি দাবি করা হয় এবং যেহেতু আমি পরিশোধ করি নি আমাকে অতিরিক্ত ৩ দিন বেশি সময় দিতে হয় এবং ঘুরতে হয় এক রুম থেকে অন্য রুম এ
Bolse j onk fast kore dibe..license..taka dewar por e o 2 mas por exam date asce
স্মার্ট কার্ডের সংকট দেখিেয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে যারা বিদেশে থাকেন তাদের কার্ড নিয়ে বেশি ঝামেলা করা হয়।
ডিজিটাল নেমপ্লেট উত্তলন ম্যাসেজ এপয়েন্টমেন্ট বন্ধ থাকায়, ৬ মাস যাবৎ আমার গাড়ির ডিজিটাল নেমপ্লেট তুলতে পারিনি। তারপর বারবার পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে বিআরটি এর বিশেষ —র অনুগ্রহ পেতে প্রদানে বাধ্য হই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়েছে ১০৫০০ টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে নাহলে তারা ড্রাইভিং টেস্টে ফেল করে দেয়
শুধু ফেল করে দেয়, বার বার ঘুরতে ঘুরতে অসহ্য হয়ে পড়ে ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে।
ঢাকার যেকোনো BRTA তে Driving licence করতে বাহিরে দালাল অপেক্ষা করে। সরাসরি কেউ নিজে নিজে করতে গেলে তাকে ফেইল করে দেওয়া হয়। আমি Tejgaon BRTA এ করেছিলাম সেখানে অনেক্কেই ইচ্ছে করে ফেইল করে দেওয়া হয় কিন্তু দালাল কে টাকা দিলে পরে পাশ করিয়ে দেন।
আমার নতুন কেনা হিরো এক্সট্রিম মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য চট্টগ্রাম বিআরটিএ মেট্রো- ২ (বড়পোল এলাকায় অবস্থিত) এ গেলে — নামের একজন অফিস সহকারী আমাকে বলেছে আপনি শোরুমের মাধ্যমে না করে সরাসরি কেন এলেন? শোরুমে ৪ হাজার টাকা বেশি নিলেও কাজটা সহজে হয়ে যেতো। আমি বললাম আমি নিজেই করতে পারি। তখন আমার ফাইলে এটা নেই ওটা নেই বলে আমাকে হয়রানি করে। এক পর্যায়ে ফাইল জমা নিয়ে বলে দুই হাজার টাকা চা পানির খরচ দিতে। আমি অস্বীকার করলে ফাইল দিতে অস্বীকৃতি জানায়, বলে এটা উপরে চলে গেছে। পরে অগত্যা ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে।
গাড়ির ফিটনেস ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছে, টাকা পরিশোধ করলে ফিটনেস কোনো বিষয় না।
আমার কাছে কোন টাকা দাবি করেনি, ধন্যবাদ।
প্রাইভেট কারের ফিটনেস নবায়ন বাবদ, কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়ার আগে ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করি
They claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim money
Without physical driving test, the exam will be passed.
টাকা না দিলে ড্রাইভিং টেস্ট ফেইল আসে
আমার গাড়ির মালিকানা পরির্বতন করার জন্য আমি চট্টগ্রাম BRTA যাই সমস্ত কাগজ ঠিক আছে। শুধু মালিকানা পরির্বতন এর ফাইল জমা নিতে ১০,০০০ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু আমি। রাজী হই নাই। শুধু তাই আমি সেখানে যতক্ষণ বসে ছিলাম।ততক্ষণে প্রতিটি লোকের কাছে থেকে ঘুষ নিছে। বিভিন্ন অংকে....... BRTA প্রতিটি অফিসে টাকা চাড়া কেউ কথা বলে নাহ। সরকারে উচিৎ BRTA দিগে নজর দেওয়া
কমার্শিয়াল গাড়ির ফিটনেস
সার টাকা ছারা সই করে না
টাকা না দিলে তারা যদি কেউ পরিক্ষায় পাশ তাহলেও তাকে ফেল করে দেয়। টাকা তারা সরাসরি চায় না বাহিরে থাকা বড় দালল ও জেলার বিভিন্ন প্রানেত থাকা ছোট দালালের মাধ্যমে টাকা আদায় করে। দাললের পরিচয়ে গেলে কোনো সমস্যা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাওয়া যায়।
আমি সরাসরি অফিসে গিয়েছিলাম কাজ করতে, অফিসার রা আমাকে দূর দূর করে সরায় দিচ্ছিলো, আমার কাজে কোন পাত্তাই দিচ্ছিলো না😭 পরে বাধ্য হয়ে দালালের কাছে গিয়ে কাজ দেই😭 এখন আমার কাজ চলমান 👍🏻