ড্রাইভিং লাইসেন্স করা
পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে নূন্যতম ২৫০০ টাকা লাগে। ডোপ টেস্টে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা ঘুশ না দিলে অনেক লেট করে যেটা ইচ্ছাকৃত। এমনকি থানায় ওসি পর্যায়ে আরও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে নূন্যতম ২৫০০ টাকা লাগে। ডোপ টেস্টে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা ঘুশ না দিলে অনেক লেট করে যেটা ইচ্ছাকৃত। এমনকি থানায় ওসি পর্যায়ে আরও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়।
ড্রাইভিং না জানা ব্যক্তিদের। টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এতে দেশে রোড এক্সিডেন্ট এর মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
বাইকের কাগজ বানাতে দুই থেকে তিনবার ঘুরানো হয় আমাকে সব ফাইল ঠিক থাকার পরেও উনি বলতেছে যে বুঝনা হবে না কেন পরে আমি বললাম কি করতে হবে পরে ৫০০ দিতে চাইলাম নিল না যেহেতু এর আগেও আমি আরো দুইবার এসে ঘুরে গিয়েছি তাই এবার আশা করে এসেছিলাম যেভাবেই হোক কাগজটা নিয়ে যাব যে তো আসা যাওয়া অনেক খরচ আমার জন্য পরে এক হাজার টাকা দিলাম পরে সাইন করে দিল এবং কনফার্ম হল
মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন করতে সরকার নির্ধারিত ব্যাংক জমা টাকার বাইরে ২০০০ টাকা অফিস খরচ দিতে হবে। আর ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলেই পাশ।
গাড়ির ফাইল নিজে নিজে জমা করতে গেলে অফিস খরচের নাম করে একটা নির্দিষ্ট টাকা চাওয়া হয় । বিআরটিএ এর লোকেরা শোরুমের মাধ্যমে নিয়মিত এই কাজ করে আসছে । ফাইল প্রতি সর্বনিম্ন ১০০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫/৬০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে এবং আদায় ও করে । তাদের ভাষ্যমতে এ খরচ না দিলে এডি স্যার ফাইল পার করবে না । এভাবে তারা ঘুষ নিয়ে থাকে ।
প্রয়োজন হলে আমার দেশে চুরি করে আমি আমার জীবিকা উপার্জন করব কিন্তু সৎ পথে খাওয়া এ দেশে অনেক কষ্টদায় লাইসেন্স মেয়াদ শেষ হয়েছে আরো অনেক আগে তাদের দরজায় ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে ক্লান্ত আর লাইসেন্স মোবাইল করার কোন পরিকল্পনা নেই দুইটা তিনটা মোবাইল চুরি করতে পারলে মনে করেন দিব্যি চলে যায় সৎভাবে খেয়ে বাঁচতে গেলে নানান পেরেশানের মুখে পড়তে হয় আমি দুই বছর লাইসেন্স নবায়নের পেছনে ব্যয় করেছি ওই সমু কি আমাকে সরকার ফিরিয়ে দেবে তারা বলে অনলাইনে আবেদন করা যায় কিন্তু তাদের দুয়ারে ঘুরতে ঘুরতে লাইসেন্স নিয়ে আজ শেষ হয়ে গেলে আর অনলাইনে আবেদন করা যায় না আসলে কি এই দেশে গরিব মানুষের কথা শোনার মত কেউ নাই শত কোটি টাকা পাচার কারা করে এই নামধারী অফিসারগুলো নিয়ে করে কিন্তু আমরা সাধারন মানুষের জন্য সরকারতেছে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা হয়েছিল মিরপুর বিআরটিসি বিআরটিএ তে। সেখানে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস করাই দেওয়ার জন্য বি আর টি এ কর্মকর্তা চার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার সব পরীক্ষা ভালো হয়েছিল এমনকি ড্রাইভিং টেস্টও হয়েছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি ঘুষ দিতেই হয়েছে না হলে ফেল করে দিবে।
বি আর টিএ অফিসের পিয়ন আমাকে সাইটে ডেকে নিয়ে বলে ২০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না,ফাইল জমা নেওয়া হবে না।
মালিকানা পরিবর্তন করতে যেয়ে কোনো দালাল ছাড়া সব কিছু করেও বিআরটিএ অফিসে ২০০০ টাকা না দিলে তারা সব কাগজপত্র জমা নিবে না, তার জন্যই ২০০০ টাকা দিয়েই কাগজপত্র জমা দেয়া লাগছে। তারা তো সরকারী চাকরি করেই তারপরও এই টাকা ছাড়া কাজ করে না, সবার কাছে থেকেই ২০০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে তারা এই কাজ সম্পূর্ন করে, টাকা না দিলে মাসের পর মাস পরে থাকে কাজ হয় না।
12000 টাকা না দিলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দিবে
প্রথমবার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিতে গেলে তারা অনেক কলা কৌশলে আমাকে বাদ দিয়ে দেয় তারপর দ্বিতীয়বার যখন চেষ্টা করি তখন পরীক্ষা দেয়ার আগেই এক কর্মকর্তা জানায় এভাবে পরীক্ষা দিলে আবারো বাতিল হয়ে যাব তার থেকে তাদের সাথে সমঝোতা করলে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে দিবে কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না শুধু আমাকে না এরকম আরো অনেককে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
প্রথমে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিজে নিজে এপ্লাই করে এক্সাম সমপন্ন করি, বাসায় স্লেসে রাতে রেজাল্ট দেখলাম ফেইল, সিলেট বি আর টি এর এক পিয়নকে বললাম ভাই পাশ করার উপায় কি উনি বল্লেন ৪৫০০ এক্সট্রা দিলে পাশ নিশ্চিত। নিজে নিজে পাশ করতে পারলে সবাই ত আর দালাল দরতনা। যাইহোক সে বলল ভাই আমি ৫০০ খাবো সারদের ৪০০০ দিলেই আপনার পাশ চলে আসবে। পরের ডেইটে ঠিকমত এক্সাম ই দেইনাই টাকা দেওয়া ছিল তাই পাশ , ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হয়ে গেছে। শুধু তাই না আমার বাইকের রেজিষ্ট্রেশন আমি নিজে করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা প্রক্রিয়া এত জটিল করে রাখছে আপনি চাইলেও পারবেন না, তাই শুরুমের মাধ্যমে করালাম।
Name transfer fitness genuine thakle magistrate bole apni line chinen na,name transfer gush chara dey na
দালালরা এসে বলেছে যে তাদের মাধ্যমে করলে কাজটা সহজ হবে এবং নিজে নিজে কাজ করতে গেলে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না আবেদন বাতিল হবে।
আমি সাধারণ একজন মানুষ আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্নীতি গ্রস্থ খাত হলো বিআরটিএ এখানে প্রতি মিনিটে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করে নিয়ে যায় দালাল এবং অফিসাররা। একটি গাড়ির ফিটনেস করতে নিয়ে গেলে প্রথমে নানা অযুহাত দিয়ে ফিটনেস দেয়না পরবর্তীতে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ঘুস দিলেই মুহূর্তেই ফিটনেস হয়ে যায়। আমি সাধারণ একজন মানুষ তবে দীর্ঘ দিন পুর্বাচল বিআরটি অফিসের ওখানে ছিলাম নিজের চেখে দেখেছি। বিআরটিএর একজন অতি নিম্ম পদের কর্মকর্তারাও গাড়ি ব্যবহার করে এক একজন কর্মকর্তা প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করে নিয়ে যায় ওখানকার যিনি ডিডি আছেন তিনি তো লক্ষ্য টাকা ইনকাম করেন। হয়তো আমার কথাগুলো আপনাদের কারো কাছে অবাস্তব মনে হতে পারে কিন্তু আমি একবিন্দু মিথ্যা বলছি না। সাংবাদিকসহ স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ
আমি পেশাদার লানার করতে গিয়ে অপেশাদার হয়ে যাই আমার ভুলে।সেই লানার বাতিলের জন্য আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা যাচ্ছে
জরুরী হিসেবে করতে দিলে আমার নিকট ৭০০০ টাকা দাবি করলেও পরে ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলাম।
Went to get Vehicle Fitness Certificate. All documents were fine. Car had no issue. Fitness certificate issued but they asked for 2000 Taka for Tea Without that the certificate will not be handed over. I paid the Tea Fee
কুষ্টিয়া BRTA তে গাড়ির ফাইল জমা করে না। বতর্মান BRTA এর সহকারী পরিচালক —। তিনি একা ২ জেলাতে অফিস করে, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, ১মাস কুষ্টিয়া তে জয়েন করেন,, তিনি সর্বপ্রথম এসে গাড়ির শোরুম এর সাতে চুক্তি করে সাধারণ মানুষ যেন গাড়ির ফাইল জমা নিজে নিজে করেত না পারে।নিজে জমা করতে গেলে বলে শোরুমে যান, শোরুমে গেলে ৩,৪ হাজার টাকা দাবি করে, শোরুম কে বলি এত টাকা কেন, কিসের টাকা বলে BRTA এর সহকারী পরিচালক —, স্যার টাকা নেয়। আবার গাড়ির ফাইল আমি নিজে যদি অনলাইন করি, তাহলে ঐ ফাইল কোনো দিন গাড়ির নাম্বার হয় না। শুধু ঘোড়াই। — বাইরের জেলা হলে গাড়ির নাম্বার দেয় না, ৫হাজার দাবি করে। আর যদি ২০ সালের ফাই হয় ১০ হাজার টাকা দাবি করে। বাকি অফিসার সবাই ভালো, পেয়েছি
মহিলা অফিসার প্রথমে আমার ফাইলে সমস্যা আছে বলেছিলো। সাথে বলেছে খাজা এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানে যেয়ে ফাইল ঠিক করে নিয়ে আসেন। যখন বললাম আমি এখানেই ঠিক করতে চাচ্ছি, তখন সেই মহিলা অফিসার বলেছে তাহলে আমাকে এখানেই ২০০০টাকা দেন। আমি টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু সেই মহিলার নাম আমার মনে নাই।