ড্রাইভিং পরীক্ষার সময়, বিআরটি কর্মকর্তা ঘুষ নিয়েছে।
৩০০০টাকা ছাড়া পাশ করায় না তারা।আমারে ফেল করাইছে। টাকার জন্য
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
৩০০০টাকা ছাড়া পাশ করায় না তারা।আমারে ফেল করাইছে। টাকার জন্য
মিরপুরে স্বয়ংক্রিয় টেস্টে হ্যান্ডব্রেক পুরোপুরিভাবে শক্ত করে না টেনেই বললো হ্যান্ডব্রেক টেস্টে ফেইল এসেছে, বাকি সব টেস্টে পাশ। কি আর করা... অর্ধেকটা দিন ব্যাপক জ্যাম ঠেলে গিয়ে, বহুত ঝামেলা করে রোদের মধ্যে লাইনে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে তারপর ফিটনেস না নিয়েই চলে যাবো তা কি আর হয়?
গাড়ির ফিটনেস করতে গেছিলাম। নানা অজুহাতে ফিটনেস করেন নি পরবর্তীতে টাকা চাওয়া হয়। পরিশোধও করা হয় তারপরও কাগজ এখনো দেয়নি আরও দাবি করা হচ্ছে
ফিংগার দেওয়ার জন্য১০০টাকা না দিলে ফিংগার নিচ্ছে না, আর অফিস খরচ ৩০০০ না দিলে ড্রাইভিং পাস হবে না
টাকা ছাড়া কোন ভাবেই পাশ করা সম্ভব হচ্ছিল না।অনেক বার ট্রাই করেছি কিন্তু কোন ভাবেই পাশ করতে পারছিলাম না।আমার কাছে দুবাইয়ের লাইসেন্স থাকার পর ও ওরা আমাকে বারবার ফেল করাচ্ছিল।উপায় অন্তর না দেখে আমি টাকা দেয়ার পর নাম মাত্র পরিক্ষা দিয়ে পাশ করি।
আজ ২৭.০৮.২০২৬ টাঙ্গাইল সদর বিআরটি অফিসে গিয়েছিলাম, নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে, সেখানে যেয়ে অফিস এর লোকজনের সাথে কথা বলি, তারা ১২০০০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়ে বসে।
এই পরিমাণ অর্থ না দিলে কারো লাইসেন্স হয়না বা ফেইল করে দেওয়া হয়। আর এই অর্থ দিলে আপনি প্র্যাকটিক্যাল এ উপস্থিত থাকলেই আপনার লাইসেন্স কনফার্ম।
বিআরটিএ রুট পারমিট অফিসে যে হযরত বসে থাকে মিট করার জন্য ১০০০ টাকা
মোট ৩০০ জন জন প্রতি ২০০০ টাকা হলে ৩০০*২০০০=৬,০০,০০০ টাকা মোট ছয় লক্ষ টাকা যেটার অফিসিয়ালি কোন রুলস নাই কোন কৈফিয়ত নাই লজ্জা শরম হীন ভাবে চেয়ে নিচ্ছে।
বি আর টি এ তে আমি যখন গাড়ির টেস্টিং এ নিয়ে যাই তখন সবকিছু টেস্ট করার পরে আমার নতুন গাড়ি এবং রিকন্ডিশন গাড়ি সেটাকে তারা হ্যান্ডব্রেক স্লো বুলিয়ে ফেল দেখিয়ে দিল পরে তাৎক্ষণিক এটা 5000 টাকা দেওয়ার পরে আমার এটা ঠিক করে দিল
ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করতে প্রথমে লার্নার করতে হয়,,লার্নার আবেদন ফি সরকারী ভাবে ৩৪৫ টাকা হলেও প্রথমে লার্নার ১০০০ টাকা নেয়,,,এর পর পরিক্ষার দিন সকালে দালালের মাধ্যমে ৬০০০ টাকা দিলাম,,,, হল রুমে সবাইকে পরিক্ষার উত্তর পত্র দিলো এবং উত্তর বলে দিলো ব্লাকবোর্ড এ ,, আমাদের পরিক্ষার্থী ছিলাম ৬০/৭০ জন,, একটু পর রেজাল্ট টাংগিয়ে দিলো নোটিস বোর্ড এ,, এখানে ৭/৮ জনের ফলাফল সীট এ নাম নাই,,আমি একটু তাদের সাথে কথা বললাম ভাই সবাই পাস করল আপনারা ফেল করলেন কেন উত্তর তো ব্লাকবোর্ডে লিখে দিলো আপনারা কি লিখেন না,,,তখন ওরা বলল আপনি আজকে কত টাকা দিয়েছেন আমি বললাম ৬০০০ টাকা চেয়েছে আমি তাই দিয়েছি,,তারা বলল আমরা টাকা দেই নাই বলে আমাদের এই অবস্থা।। পরে তাদের কে বললাম এখন কি তাহলে আপনারা আবার নতুন করে পরে পরিক্ষা তারা
আমার বিদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। দেশেও ড্রাইভিং করার অভিজ্ঞতা ছিল। তারপরও ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে টাকার লেনদেন করা লেগেছিল। আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। প্রথমবার টেস্ট দিয়ে পুরাই ভরকে যাই। এই কোন দুনিয়ায় প্রবেশ করলাম? কার মারফত পরীক্ষা দিলাম তা জানতে চাচ্ছে। টেস্টের গাড়িতে দুটি একসেলেটর। যিনি পাশে বসে থাকেন তিনিই গাড়ি চালান, থামান। বিশাল সিরিয়াল দ্রুত ফিনিশ করার জন্য। শুধু মারফতধারী যারা তাদেরই পাশ দেয়। শতকরা 4-5% ফেইল দেয় যারা লোক না ধরে পরীক্ষা দেয়। কি আর করা, বিআরটিসির একজনকে ধরে, তার মাধ্যমে যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করি, ওইদিন পরীক্ষায় যাওয়াও লাগেনি। তিনিই বলে দিয়েছেন আপনার পরীক্ষা দিতে হবে না। আমি আর আমার ছোট ভাই দুজনে টাকা দিয়ে লাইসেন্স করে ফেলেছি। এমন উদ্দ্যোগের জন্য ধন্যবাদ।
I tried many times but unable to complete my driving license, Then a broker demand for 17000 taka. I paid and get my E-driving license.
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছিলাম। সেখানে আমার নির্ধারিত ফির বেশি টাকা।
আমি একজন নতুন মোটরবাইক চালক হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করতে যাই। সেখানকার একজন উর্ধতন কর্মকর্তা আমাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেওয়ার কথা বলে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। কিন্তু সরকারি আবেদন ফি অনেক কম হওয়ায় আমি এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখান করি।
নাম পরিবর্তন করতে গেলে সরকারি খরচ থেকে ৩০০০ টাকা বেশি দাবি করা হয় এবং যেহেতু আমি পরিশোধ করি নি আমাকে অতিরিক্ত ৩ দিন বেশি সময় দিতে হয় এবং ঘুরতে হয় এক রুম থেকে অন্য রুম এ
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল
Bolse j onk fast kore dibe..license..taka dewar por e o 2 mas por exam date asce
স্মার্ট কার্ডের সংকট দেখিেয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে যারা বিদেশে থাকেন তাদের কার্ড নিয়ে বেশি ঝামেলা করা হয়।
ডিজিটাল নেমপ্লেট উত্তলন ম্যাসেজ এপয়েন্টমেন্ট বন্ধ থাকায়, ৬ মাস যাবৎ আমার গাড়ির ডিজিটাল নেমপ্লেট তুলতে পারিনি। তারপর বারবার পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে বিআরটি এর বিশেষ —র অনুগ্রহ পেতে প্রদানে বাধ্য হই।