Driving Lisense
Without Exam Passed.100% sure
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Without Exam Passed.100% sure
Driving license not issued. Asked Tk 10000/- via a lady official. I didn't agree, Result: licence not issued. The other people who paid got the DL
আমি মোটরসাইকেল Drive করি ১৫ বছর। তাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম বান্দরবান BRTAতে কোন দালাল ছাড়া অনলাইনে Apply করে। পর্যাপ্ত পড়ালেখা করেই পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার পর যেহেতু আমার পরীক্ষা দিয়েছি তাই ভালোভাবে উত্তর দিতে পেরেছিলাম। আমার পাশে অনেককে দেখেছই ভাল করে লিখতেই জানেনা,তারা কোন মতে নাম আর রোল নাম্বার লিখে খাতা জমা দিয়ে দিয়েছে। আমি ওদের জিজ্ঞেস করেছিলাম এভাবে তো পরীক্ষায় পাশ হওয়া যাবে না। ওরা নাকি দালালের মাধ্যমে আসছে পরীক্ষার অংশগ্রহণ করে নাম আর রোল নাম্বার দিলেই বাকিটা দালালেরা দেখবে।পরীক্ষা শেষে তার বাস্তব প্রমাণ দেখলাম সবাইকে ডেকে ডেকে মার্ক দেয়া খাতা দিয়েছে, আমাকে মার্ক তো দূরের কথা খাতাটাও দেয়নি।একজনের কাছে জিজ্ঞেস করে উত্তর পেলাম কারো মাধ্যমে না আসলে রেজাল্টও দেওয়া হয়না।
আমি তাদের কাছে গিয়ে ছিলাম ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে জানতে এবং কত টাকা খরচ হয় এ বিষয়ে ধারণা নিতে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তারা আমার কাছ থেকে সরকারি খরচের থেকেও 10 হাজার টাকা খরচ বেশি চাই।আমি দিতে অস্বীকার করাতে তারা আমাকে ওখান থেকে বের করে দেয়। এই সকল পিছনে হেল্প টেক্সট একজন থাকে সে পরিচালনা করে। তার নাম —
মিরপুর বিআরটিএ অফিসে মোটরসাইকেলের ডিজিটাল নম্বর প্লেট সংগ্রহের জন্য আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে, নম্বর প্লেট গ্রহণের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) প্রদর্শন করা প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আমার মূল NID বাসায় রেখে আসি, যদিও আমার সঙ্গে NID-এর ফটোকপি ছিল। মূল NID ছাড়া কর্তৃপক্ষ আমাকে নম্বর প্লেট দিতে রাজি হয়নি। আমার বাসা কালিয়াকৈরে হওয়ায় পুনরায় বাসায় গিয়ে মূল NID নিয়ে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করি, অনলাইনে আমার NID যাচাই (Verification) করে নম্বর প্লেটটি দেওয়ার জন্য। তখন তারা জানান, অনলাইনে NID Verification করে নম্বর প্লেট দিতে হলে ২,০০০ টাকা খরচ হবে। আমি বিষয়টি বিবেচনা করে অনেক অনুরোধ করি এবং খরচ কিছুটা কমানোর জন্য বলি, কিন্তু ত
গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন ফাইল আটকে রেখে টাকা চাওয়া।
বাইক রেজিষ্ট্রেশন করতে সরকারি খরচ ১১৭০০+ কিন্তু ওনারা ১৬০০০ এর কমে করবে না। আগের বাইক আমি নিজেই ট্রাই করেছি কিন্তু বিআরটিএ ঝুলিয়ে রাখে। এদিকে পুলিশ ধরলে আরো বেশি ঘুস লাগে তাই ১৬০০০ দিয়েই করালাম। Yamaha Natore
বি আর টি এর দালালের মাধ্যমে
recently, I visite Narayananj BRTA. Ami keu ekjon k ask kori ami ekta driving licences banaite chai...tokhon Ekta Staff amak bole baire daran ashtasi..pore lokta amak bole jodi urgent banan tahole 17000 taka r normal banaile 12000 taka. . Ami boli amito online shob kisu nije nijey korte parbo...and cost o onk kom..but lokta bole nije nije korle apni kokhono exam pass korte parben na...ei holo Narayanganj BRTA er oboshtha.. I think whole Bangladesh brta Like this....without Paying fucking extra money you cant do nothing.... Note: Phone number and name Available
ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড নেওয়ার সময় আলাদা আলাদা ১০০ টাকা করে দিতে হয়েছে। প্রতিবার ১০০ টাকা করে। বিষয়টা যেন নির্ধারিত।
নতুন লাইসেন্স করতে গেলে হাজারো ভুল ধরে পরে ১০০০ টাকা দিলে সব ঠিক।
আমি মোটরসাইকেল এবং হালকা জনের লাইসেন্স করতে গেছিলাম সেখানে আমাকে আপনাকে সকল বিভাগের সহজে পাস করাই দেয়া হবে এই শর্তে সে টাকাটা দাবি করে
চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ-তে একজন আপা থাকেন ১৫০০-১ হাজার টাকার নিচে কোন ফাইল বের করে দিতে চায়না তাকে প্রথমে ৩০০ টাকা দিয়েছি খুব রাগ করেছে পরে আর ২০০ দিয়ে মোট ৫০০ দিয়ে রাজি করিয়ে তারপরে আমার ফাইল বের করিয়েছি আমি শুনেছি আপা প্রচন্ড ঘুষখোর আপার সাথে দেখা করা বা পরামর্শ চাইলেও ৫০ টাকা ১০০ টাকা লাগে।
জাহাজে ভিসিট এ গিয়ে সব ঠিক থাকলেও টুকি টাকি এর জন্যই মামলা র ভয় দেখিয়ে ঘুষ চাইসে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এক জনের হাতে টাকাটা দিতে হয়েছিল, সে ভয় পেয়েছিল আমি কি অন্য কোন রিপোর্টার বা Auditor কিনা। তারপর আড়ালে নিয়ে গিয়ে নিয়েছিল। এখানে উনার ভাগ কতটুকু বলা মুস্কিল।
আমি একটা পুরাতন বাইক কিনি সেটার মালিকানা পরিবর্তনের জন্য চুয়াডাঙ্গা বি আর টি এ তে যায় সেখানে আমার কাছে সব কাগজপত্র ছিল বিক্রেতাও আমার সাথে ছিল তো বিক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া ছিল না, উনারা বললেন পুরাতন বিক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে তারপর কাজ করা যাবে আমি বিক্রেতাকে সাথে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়ার জন্য গেলাম সেখানকার কর্মরত অফিসার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে না, সব কাগজপত্র সঠিক নেই উনি বললেন আমি সবকিছু থাকে ভালোভাবে যাচাই করতে বললাম সবকিছুতেই কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছিল আমি বললাম সঠিক নেই তাহলে স্বাক্ষর করলেন কিভাবে? উনি উনি কোন কথাই শুনলেন না পরে উনি 500 টাকা নিয়ে ফিঙ্গার দেয়ার সুযোগ দিলেন। আমি তাকে ৫০০ টাকা দিয়েছি, তখন সব কাগজপত্র সঠিক হয়ে গিয়েছে আর কোন ভুল ছিল না সবকিছু পানির মতন পরিষ্কা
টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়া হয়।
বলেছিল আমরা এটা নিয়ে থাকি
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হলে দশ হাজার টাকা দিব কোন কিছুই করতে হয় না। টাকা ছাড়া লাইসেন্স পাওয়া খুবই অস্বাভাবিক।
বিআরটিএ তে লাইসেন্স করার জন্য বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের নিম্ন স্তরের কর্মকর্তাদের কাছে দেওয়া হয়েছে।