গাড়ির লাইসেন্স
লাইসেন্স পাইনি আজ অবধি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লাইসেন্স পাইনি আজ অবধি।
পাবনা BRTA-তে গাড়ির ফিটনেস আপডেট করতে গেলে প্রায় ২,৬০০–২,৮০০ টাকা অতিরিক্ত ঘুষ দিতে হয়। গাড়ি একেবারে নতুন ও ভালো অবস্থায় থাকলেও। আমি নিজে দুইটি নতুন/আপডেট মডেলের গাড়ির ফিটনেস কয়েকবার আপডেট করতে গিয়ে প্রতিবারই এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। বলা হয়, এটি নাকি এখানকার নিয়ম বা “সিস্টেম”। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। যে কেউ যেকোনো দিন গিয়ে বিষয়টি যাচাই করতে পারবেন। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, গাড়ির অবস্থা খারাপ হলেও একইভাবে টাকা নিয়ে ফিটনেস পাস করিয়ে দেয়। অন্যদিকে, একই গাড়ির ফিটনেস অন্য BRTA অফিসে আপডেট করতে গিয়ে আমাকে কোনো অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়নি। তাই পাবনা BRTA-তে ফিটনেস আপডেটের নামে এই অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
তেজগাঁও BRTC ট্রেনিং ইনস্টিটিউট য়ে SICIP এর চার মাস মেয়াদে মোটরযান ড্রাইভিং ও মেইনটেনেন্স প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার সময় যে ব্যবহারিক পরীক্ষাটা নেওয়া হয় সেটা একটি নামমাত্র পরীক্ষা। এখানে টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাশ করানো হয়। এই প্রক্রিয়ার সাথে বিআরটিসি এবং বিআরটিএ উভয়েই জড়িত।
টাকা না দিলে কাজ হয় না কাগজ আটকে রাখে
টাকা না দিলে কাজ কাজ হয় না, কাগজ আটকে রাখে
আমি অনলাইনে আবেদন করি নিজেই। পরে অফিসে খোজ নিতে যাই যে, আমার পরিক্ষা কবে। ২০২১ সালে নারায়ণগঞ্জ অফিসে ফা নামক ব্যাক্তি আমাকে বলে যে, এভাবে পরিক্কজা দিলে পাশ করলেও আপনাকে পাশ করাবেনা। সে আমার কাছে টোটাল ৮৫০০ টাকা দাবি করে, নয়তো পাশ হবেনা বলে দেয়। BRTA এর অফিসের প্রত্যেকে দূর্নীতিবাজ। অবশেষে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সব পরিক্ষা দিয়েও ফেল। পরে ৪০০০/- টাকা পিয়োন কে দিয়ে আবার পরিক্ষা দিয়ে পাস।
Licence ar jnno deoha hy. Tarpr o num ar banan vul ase
আমি একটা ব্যাকডেইট লাইসেন্স করেছি আমি ইউরোপে থাকি মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করি উনার পরিচয় হচ্ছে, —, সহকারী পরিচালক ড্রাইভিং লাইসেন্স শাখা, উনি আমার কাছে দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা পরে অনেক সময় কথা বলার পর উনি রাজি হন এক লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা এবং সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশে পেমেন্ট করা হয় আমি ভিডিও করতে চাইছিলাম কিন্তু উনার পিএস সব সময় মোবাইলে দেখে নজর দিয়ে রেখেছে তাই ভিডিও করতে পারিনি।
দালাল ছাড়া পাশ করা সম্ভব নয়। তারপরও ২বছর লেগেছে লাইসেন্স হাতে আসতে। হয়রানির তো শেষ নেই
প্রিলিমারী এবং অন্যান্য পরীক্ষা পাশ করিয়ে দিবে।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে অপেশাদার করতে
পিরোজপুর brta তে দালাল ও মেজিস্টেট ও অফিস সহকারি রা মিলে টাকার মাধ্যমে বাইক ও গাড়ির লাইসেন্স দেয়া হয়। আমি দেখেছি জারা জিক জেক পড়িক্ষা য় ফেল করার পড় ও তাদে পাস হয়ে জায়। তাদের সাথে কাথা বলার পড় তারা বলে 14000 টাকায় কন্টাক্ট হয়েছে
আমাকে বলা হয়েছিলো *আপনি শুধু পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবেন * বাকিটা আমরা দেখবো।
Will provide driving license even i I fail !
প্রথমে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম । কিন্তু সবকিছু ঠিক থাকার পরও প্রথমবার ফেল করিয়ে দেয়। অন্যদিকে যারা দালাল ধরছিল তাদের মাঠে এক্সামও দেওয়া লাগে নাই শুধু নাম লিখে চলে আসছে, তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে গেছে । পরে বাধ্য হয়ে আমাকেও দালাল ধরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করা লাগছে। BRTA তে সব বাইনচোদ একসাথে জড়িত।
আমার কাছে মেসেজ আসে যে গাড়ি ফিট। কিছুক্ষনের মধ্যেই সার্টিফিকেট পাব। এমন সময় এক লোক আমার ফাইল হাতে নিয়ে এসে বলে আপনার চাকার মাপ গড়মিল আছে। ১৪০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম আমারতো ফিটনেসের মেসেজ এসেছে। বলে যে, ঐ মেসেজে কাজ হবেনা। গাড়ি নিয়ে চলে যান। পরে ৫০০০/- নগদ দেয়ার ৫ মিনিট পরেই আমার সার্টিফিকেট হাতে দিয়ে দেয়।
বিআরটিএ ড্রাইভিং ট্রেইনিং এ ভর্তি হই আমি।যেখানে তারা(ট্রেইনিং ড্রাইভাররা) জানায় যে কাগজ আগাবে না এই যতই চেষ্টা করা হোক না কেন যদি এই ১০০০০ টাকা না দেয়া হয়। এভাবেই সবাই করে এবং করলে আপনার কাজ দ্রুত হয়ে যাবে এবং ঝামেলা ছাড়া। আমার পরিবারের ৩ সদস্যের এই ঝামেলায় পড়তে হয় লাইসেন্স করিয়ে নিতে মোট ৩০০০০ টাকা। পুরোটাই সিন্ডিকেট।খালি ড্রাইভার না সব স্তরের সবাই জরিত কম বেশি কারন ড্রাইভার রা কেউই বার্তি টাকা কম বেশি চায়না সবাই ১০০০০ এর আশেপাশে দাবি করেছে।এই টাকা ছাড়া নাকি কাজ আগায় না।
চাঁদপুর সদর বি আর টি অফিসে আমার মোটরসাইকেলের নাম্বার রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে ফাইল খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার কাজটি করে না, পরবর্তীতে আরেকদিন কাজটি করার জন্য বি আর টি তে যাই তখন বিআরটির পিয়ন — উনি বলেন উনাদেরকে খামে করে টাকা পাঠিয়ে দেয় এছাড়া কোন কাজ হয় না নিরুপায় হয়ে আমিও উনাকে ১৫০০ টাকা ফাইল খরচ দিয়ে তারপর কাজটি করে আসি।
সরকারিভাবে লাইসেন্স করতে যাচ্ছি বলে অর্ডার করতে অনেক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আপনি আমরা প্রদান করুন দ্রুত লাইসেন্স হয়ে যাবে।