Name Transfer
Table and Broker Fees
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Table and Broker Fees
কুড়িগ্রাম বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ছবি তোলার সময় অপারেটর ১০০ টাকা দাবি করলে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি। ঘটনা গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। বিষয়টি আমাকে খুবই প্রভাবিত করে তাই শেয়ার করলাম।
গাড়ির ফিটনেস হবেনা বিভিন্ন অজুহাত টাকা দিলে কোন অজুহাত নাই। আর ফিটনেস করতে টাকা দিতে হবে এটাই নিযম। টাকা ছাড়া ফিটনেছ পাওয়াটাই অনিয়ম। বলে রাখা ভালো এই টাকা সরকারি ফি বাদে।
আমি অপেশাদার ড্রাইবিং লাইসেন্স করতে চাইছি। তারা আমার কাছে মোট ৯০০০ টাকা চাইছে এবং তাই দিতে হবে। আমি কাজ দিছি তবে পুরা টাকা এখনো দেয়া হয় নাই কিন্তু দিতে হবেই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড গ্রহণের সময় ১০০ টাকা খরচ চাওয়া হয়েছিল । আমি বলেছি বিকাশ নাম্বার দেন সেখানে দিচ্ছি তারপর ভয় পেয়ে বলেছে আপনি চলে যান ।
After I passed on the exam, the update on the online I got failed. then I find out someone to solve this most of time those Broker standing in front of the gate to solve this kind of problem so they’re asking me for 4000 taka for solving this issues so that night I was paid them 4000 and the update report was I got past in that exam.
গাড়ির সব ফাইল জমা দেওয়ার পর ঘুষ দিলে নাম্বার ৭ দিনে পাওয়া যায় আর ঘুষ না দিলে ২/৩ মাস সময় লাগে।
Uttara BRTA Taka na Dile fitness e fail
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স চুরি হয়ে যাওয়ায় নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে আমাকে থানায় গিয়ে একটি জিডি (GD) করতে হয়। এ জন্য আমি চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানায় যাই। থানায় প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়ে জিডি করার পর, কর্তব্যরত একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন, “চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য কিছু দিন।” কিছুটা বিব্রত ও লজ্জায় পড়ে আমি নিজের পকেট থেকে ২০০ টাকা বের করে তাকে দিই। তিনি টাকাটি রেখে দেন এবং আমাকে জিডির একটি কপি দেন। এরপর সেই জিডির কপি নিয়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ BRTA অফিসে যাই। সেখানে আমার মোটরসাইকেলের নামে আগে থেকে কোনো মামলা বা pending case আছে কি না—এ সংক্রান্ত একটি সনদ/প্রত্যয়ন প্রয়োজন ছিল। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর BRTA-এর সংশ্লিষ্ট কর্মচারী আমার কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ৫০০ ট
আমার দুই বন্ধুর নতুন ২ টা মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন এর কাগজ জমা নেবার সময়, এটা নাই ওটা নাই (যদিও সব পেপার সঠিক ছিল) বলে বার বার এখানে ওখানে পাঠিয়ে বিরক্ত করলো সারাদিন। দিন শেষের সময় দুই হাজার করে টাকা নিয়ে তারাই আবার বললো পেপার টেপার কিছু লাগবে না। SMS পাইলে অফিস এ এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েন। যেহেতু আমাদের যাওয়া-আসা এবং অনেক সময় ধরে তাদের কাজে ধর্ণা দেয়া কষ্টের ছিল, তাই তাদের চাওয়া অনুসারে দুই হাজার করে টাকা দিয়ে কাজ টা শেষ করাই কম কষ্টের মনে হইল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষা দিতে গিয়েছিলাম।টাকা ছাড়া কাজ হয় না।তাই আর কি করার।দিতে হয়েছে।
# ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে আমার ভোগান্তির অভিজ্ঞতা ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক ভোগান্তির শিকার হয়েছি। প্রথমবার আমি এবং আমার ভাই দুজনেই দালালের মাধ্যমে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম। তখন আমাদের কোনো ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করা হয়নি, এবং প্রক্রিয়াটিও তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। কিন্তু এক থেকে দুই বছর পর বিআরটিএর কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সময় আমার ডাটাসহ অনেক মানুষের তথ্য সিস্টেম থেকে হারিয়ে যায়। ফলে আমার লাইসেন্স-সংক্রান্ত রেকর্ড আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর কারণে আমাকে আবার নতুন করে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। দ্বিতীয়বার আমি ভেবেছিলাম দালালের সাহায্য না নিয়ে নিজেই নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স করব। এতে খরচও কম হবে। কিন্তু তখন ড্রাইভিং পরীক্ষার সময় আম
উনারা তো নিজে নেই না টাকা। তাদের মাধ্যম আছে হ্যালো করলেই হয়ে যায়। এর সাথে পুলিশ ও জড়িত। ভেরিফিকেশন এর নামে আবার ৫০০ টাকা।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে টাকা চায়। টাকা ছাড়া ফেইল করার ভয় দেখায়
আমি বিআরটিএ গিয়ে সবগুলোতে উত্তীর্ণ হই। পরে ড্রাইভিং টেস্টে ফেইল করে দেয়। পরে তাদের একজনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি যোগাযোগ করে গেছি কিনা।আমি না উত্তর দেই এবং তাকে জিজ্ঞেস করি যে কত টাকা দিলে পাশ করে দিবে।তিনি ৪০০০ টাকা দাবি করেন।যেটা ফি এর বাইরে।
আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। আমি নিজে থেকে আবেদন করতে চাইলেও পূর্বে লাইসেন্স গ্রহন করেছে এমন পরিচিত লোকজনের কাছে এই প্রকৃয়া জানতে চাই, এবং সকলেই এক বাক্যে জানায় যে দালাল ধরা ব্যতীত ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া অসম্ভব। যা হোক আমি এক পরিচিতের মাধ্যমে একজনের সাথে যোগাযোগ করি যেখানে আমাকে সর্বমোট ১১০০০(এগাড়ো) হাজার টাকা পরিশোধে বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়ার কথা বলা হয়(জোয়ার সাহারা-খিলক্ষেত), কিন্ত যেখানে সরকারী ফি হচ্ছে তার অর্ধেক। উল্লেখ করা রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষার আগেরদিন উত্তর সহ প্রশ্ন প্রদান করা হয়। যদিও আমি গাড়ীর স্টেয়ারিংও ধরি নাই কখনও এবং প্রাকটিকাল পরীক্ষায় ফেল করা সত্তেও, টাকার বিনিময়ে আমাকে ঠিকই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
টাকা না দেয়ায় কাগজপত্র ভুল আছে মর্মে ঠিক করতে বলে বারবার।
Sob documents thik chilo,fitness thik chilo,,but car er fitness certificate neyar jonno document submit korar somoy 500 tk na dile sign korbe na..
4000 tk dite badho hoyechilam
টাকা না দিলে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। এবং কি একভারে না পাওয়ার ভয়। টাকা দিলে সব কিছু কোন জামেলা ছারাই হয়ে জাবে। দ্বাইত্য তাদের😀