নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের নাম্বার প্লেট এবং স্মার্ট কার্ড করার জন্য সব ডকুমেন্ট নিয়ে গেছিলাম, নিজের কাজ নিজে করবো বলে, কিন্তু বি আর টি এ অফিসার আমার কাগজপত্রের অনেকগুলা ভুল ধরে অহেতুক হয়রানি করে, বাহিরে দোকান আছে ওখানে যান ৮ হাজার টাকা দিবেন ওরা সব করে দিবে। বাস্তবতা হলো ওরা ঘুষ খায় ওইখানে অবস্থিত দালাল এবং দোকানদার দের মাধ্যমে। প্রতিবার একটি করে কাজ নিয়ে যাবেন প্রতিবারই কোন না কোন ভুল ধরে আপনাকে ফেরত পাঠাবে, আর ঘোরাতে থাকবে যেন বাধ্য হয়ে আপনি ঘুষ দেন, একজন মানুষ চাকরি বা ব্যবসা বাদ দিয়ে কয়দিন বিআরটিএ অফিসে যেতে পারে?
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ৳12000 পেয়েছে
২০২০ সালে নতুন লাইসেন্স করাতে টাকা দেওয়া লাগছে খরচের চেয়ে ৩০০০ টাকা বেশি
গাড়ির নাম্বার প্লেট এর জন্য, সরকারি অফিসে দালাল বসে কাজ করে এটা আমার ভিষণ খারাপ লেগেছে।
Amr driving licence er jonno figure dita jai,tokhon dayitta thaka ghushkhor bola figure neacha na,por e ashen.onk smy opakha kora gela bola, taw hosca na..sa somoy bola 4tar por e ashen..field exam dea.4tar por gela,kew na thakai amr kace misty khawa er jonno 500 tk dabi kora.jahatu ami akta beshorkari job kori suti nawa possible na besi.tai 200 tk dila.sa amr Figure ney.
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা পাস করার জন্য 12000 টাকা চেয়েছিল রংপুর বিআরটিএ অফিসে
লাইসেন্স এর জন্য টাকা দিয়েছি
টাকা দিলে হবে না দিলে হবে না
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে এটা লাগবে, নইলে বার বার ফেল করানো হবে। এমনটাই বলা হয়েছিল।
নতুন গাড়ি, তবুও কোথায় নাকি কার্বন আছে দাবী করে সাথে সাথে রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য প্রথমে ১হাজার টাকা দাবী করে। পরে ৫০০ টাকায় দফারফা করে। এটা কান মচলিয়ে পয়সা নেয়ার মতন। এটা খুবই কমন ব্যাপার বিআরটিএ তে। আর দালাল আছে প্রচুর, যারা এই দূর্নীতি আরও বাড়িয়েছে।
আমরা মোট ৭৬ জন ছিলাম। সবার কাছে ৩২০০ টাকা করে ঘুস নিয়েছে। শুধু পরীক্ষায় পাশ করবাবে বলে। ঘুস না দিলে অবধারিত ফেল। তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
ড্রাইভিং এ পাশ করতে গেলে ৩০০০ লাগবে, এই টাকা দিলে ফেল করলেও পাশ আসলেও তাই হয় ! ঝিনাইদহ বিআরটিএ দালাল অফিস
আমি BRTA এর অধিনে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষায় সব কিছু ঠিক ঠাক দিলেও ওয়েব সাইটে রেজাল্ট চেক করে দেখি আমাকে ইচ্ছা করেই ফেইল দিয়ে দেয়। তারপরে সেখানের কর্ম রত এক ব্যাক্তি আমার কাছে থেকে ৪ হাজার টাকা নেয় লাইসেন্স পরিক্ষায় পাস দেওয়ার কথা বলে। টাকা দেওয়ার পরে আমাকে পাস দেওয়া হয়
আমি গাড়ি চালাতে পারি তাও আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়, এরপর ৩০০০ টাকার চুক্তিতে পাস করে দেয় দালাল। তেজগাঁও বি আর টি এ ঘটনা।
Ami return a pass tk nadewar karone jikjak a fell kori dice
আর্জেন্ট নতুন লাইসেন্স আবেদন করতে লেগেছে 20'000/= ডিসেম্বর 2025 এর ঘটনা। এরপর অপেক্ষা করতে করতে একদিন বাংলাদেশ এম্বেসিতে গিয়ে দেখি সবাই নতুন লাইসেন্স প্রিন্ট করে এনেছে। এপ্রিল 2026 বাংলাদেশে লাইসেন্স প্রিন্ট বন্ধ । খুজনিয়ে জানলাম টাকা দিলে সব হয়। আরো 15,000/= টাকা দিলাম, এক সপ্তাহের বিতরে ঢাকা থেকে লাইসেন্স আমার কছে চলে আসে। ঘুষ দিলে হয়, না দিলে হয় না। সরকারী সচিব দের হাতে দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। এদের একটা ব্যবস্থা করা জরুরি হয়েগেছে।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করতে টাকা লাগে বাড়তি টাকা লাগিয়েছে।১১৫০ টাকা লেগেছে।
অপেশাদার লাইসেন্স এর জন্য ড্রাইভিং টেস্ট দেয়ার জন্য গাড়িতে বসলাম।জিগ্যেস করলো গাড়ি চালাতে পারেন।বললাম হ্যাঁ। বলে কে পাঠাইছে? আমিও মজা করে আন্দাজেই একটা নাম বললাম।বলে জাপানিজ কোড বলেন?🤦🏼♂️ এরপর সেটা তো আর জানিনা।তো আমি সুন্দর মত ড্রাইভিং করলাম।L parking সুন্দর মতই করেছি।তাও পরে দেখি কাগজে ফেইল।এরপর দালাল ধরেই করানো লাগছে।ড্রাইভিং লাইসেন্স এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ১৪ হাজার টাকা দাবি করেছে।
মালিকানা পরিবর্তন করতে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে ৫। না দিলে কাগজ দিবে না টাকা না দিলে এজন্য দিয়েছি
পঞ্চগড় বি আর টি অফিসে টাকা না দিলে পরীক্ষায় বিভিন্নভাবে ফেল করে দেওয়া হয়