125cc bike licences.for 2 years
125 সিসি ডিসকাভার মোটরসাইকেল। লাইসেন করতে ১৪৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
125 সিসি ডিসকাভার মোটরসাইকেল। লাইসেন করতে ১৪৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
to pass my driving license exam
Hehehahdhehjajshdhsjsjdjej
Bike registration করতে বেশি টাকা চায়। কি আর করা না দিয়ে উপায় নাই।
Paid for getting a driving license without exam
বি আর টি এ তে সিস্টেম করে রাখছে, নরমাল ভাবে পাশ করাইনা। পরিক্ষা দিয়ে অফিসে গিয়ে ঘুষ দিলে পাশ করাই দেয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিজে নিজে আবেদন করায় সব কিছু সঠিকভাবে পারার পরও আমাকে ফেইল বা অকৃতকার্য করিয়ে দেয়া হয়। পরে দালালের সহায়তায় পাশ করি প্রায় ৬৫০০ টাকা বাড়তি দিয়ে
সিলেট BRTA অফিসে ঘুষ ছাড়া একটা ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করানো যেন অসম্ভব! কাগজপত্র ১০০% সঠিক নিয়ে গেলেও অফিসার সাইন করেন না। ২/১ জনকে সাইন দিলেও পরীক্ষায় ফেইল দিয়ে দেয়—এমন অভিযোগও শুনতে হয়। লাইসেন্সটি আমার খুবই প্রয়োজন। তাই বারবার হয়রানি ও ভোগান্তির পর শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করেছি। সঠিক কাগজপত্র নিয়ে সরকারি নিয়মে সেবা নিতে গেলেও যদি এভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
They asked the money
নতুন ট্যেক্স টোকেন প্রিন্টের জন্য বিকাশের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের পরেও ট্যেক্স টোকের আসেনি, এটা নিয়ে সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করি। ওনারা ৫০০০/- টাকা দাবি করে, আর বলে সাথে সাথে করে দিবে। আমি বলছি লাগবে না। তাই এখনো ট্যক্স টোকেন ছাড়া চলছি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য লিখিত ও ভাইবাতে পাশ করলেও প্র্যাক্টিক্যালে ফেইল দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে শুধু ফিংগার প্রিন্ট দিয়ে চলে আসি। কোনো প্রকার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়াই পরবর্তীতে পাশ চলে আসে এবং লাইসেন্স পাই।
গাজীপুর ডিসি অফিসের ভেতরে ফটোকপির দোকানদার আমার থেকে সরকারি ফির অতিরিক্ত ১০ হাজার নেয়। পরে পরীক্ষায় ফেল করেও লাইসেন্স পেয়ে যায়।
ami prothombar driving exam diyechilam. practicale fail korechilam. next exame amar practical er assessor ke 4000 taka diye pass korte hoyeche.
Hhhhhh!gfgh hjnbv hhjjbvv hbb
জোয়ার সাহারা, খিলখেত, বিআরটি এ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ৪ বার গাড়ি চালিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। প্রতিবারই ফেল করিয়ে দিয়েছে। আমার দেশের বাইরের লাইসেন্সও আছে, দীর্ঘদিন গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা আছে। ৫ম বার ১৫০০০টাকা দিয়ে দালাল দিয়ে করাতে দিলাম, পরীক্ষাও দেয়া লাগেনি। পরীক্ষা ছাড়াই ৩ দিনের মধ্যেই লাইসেন্স করে দিয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৪ বার পরীক্ষা দিয়েছিলাম। দালাল দিয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে লাইসেন্স পেয়েছি।
নতুন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করতে ঘুষ সিন্ডিকেট ১২-১৫ হাজার টাকা নেয় সবার থেকে। বিশাল এক চক্রে! দিনের আলোতে টাকা নিচ্ছে কুকুরগুলো, সন্ধার পর টাকা ভাগাভাগি চলে লাইট অফ করে। এক স্টুপিড কান্ট্রির স্টুপিড সিস্টেম!
নতুন মোটরসাইকেল কিনলে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যার ফাইল সে জমা দিতে পারবে। কুষ্টিয়াতেও এটাই হত। কিন্তু গত এক মাস যাবত নতুন এডি এসেছে, এই এডি আসার পরপরই নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। নতুন বাইক কেনার পরে শোরুমের মাধ্যমে ছাড়া ফাইল জমা নিচ্ছে না। আর শোরুমের মাধ্যমে দিতে গেলে তিন হাজার টাকা বেশি লাগছে। কারণ এই তিন হাজার বিআরটিএর কর্মকর্তারা নিবে। সরাসরি কোন ফাইল নিচ্ছে না কুষ্টিয়া বিআরটিএ। গত এক মাস আগেও যেখানে সরাসরি ফাইল নিয়েছে। আশেপাশের প্রতিটা জেলায় সরাসরি ফাইল নিচ্ছে এবং শোরুমের মাধ্যমেও নিচ্ছে। এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত, কুষ্টিয়া বিআরটিএর নতুন এডি, একজন ইন্সপেক্টর ও তাদের চেলা পেলা।
আমি যখন ২০১৮ সালে প্রথম লাইসেন্স নিতে যাই, তখন কার্ড ডেলিভারির সময় আমার কাছে ৫০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করা হয়। আমি ছাত্র বলার পরেও তারা এ দাবি করতে থাকে। তখন আমি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অবশেষে তারা মনক্ষুন্ন হলেও কার্ড দিয়ে দেয়।
Ami driving lisence ar notun gari registration korte chaichilam er jonno chaiche
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষায় ৪ হাজার টাকা দিলে আপনাকে ড্রাইভিং এ পাশ করিয়ে দিবে।অন্যথায় আপনাকে ফেইল দিবে।এতে আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ চালক ও হয়ে থাকেন তাও আপনাকে ফেইল করিয়ে দিবে।আর মানুষ ২মাস অপেক্ষা করার পর এই পরীক্ষার সুযোগ আসে,তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই ৪হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে পাশ করিয়ে নেয়।