নতুন লাইসেন্স
সরকারিভাবে ৩৩০০ টাকায় লাইসেন্স করা হয়। সেখানে দালাল সাত হাজার টাকা না দিলে লাইসেন্স করতে চায় না। আর দালালের মাধ্যমে না গিয়ে সরাসরি গেলে লাইসেন্স ফেল করিয়ে দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারিভাবে ৩৩০০ টাকায় লাইসেন্স করা হয়। সেখানে দালাল সাত হাজার টাকা না দিলে লাইসেন্স করতে চায় না। আর দালালের মাধ্যমে না গিয়ে সরাসরি গেলে লাইসেন্স ফেল করিয়ে দেয়
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষায় ৪ হাজার টাকা দিলে আপনাকে ড্রাইভিং এ পাশ করিয়ে দিবে।অন্যথায় আপনাকে ফেইল দিবে।এতে আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ চালক ও হয়ে থাকেন তাও আপনাকে ফেইল করিয়ে দিবে।আর মানুষ ২মাস অপেক্ষা করার পর এই পরীক্ষার সুযোগ আসে,তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই ৪হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে পাশ করিয়ে নেয়।
বলা হয়ছে না দিলে পরিক্ষায় ফেল দেখাবে না প্রেট্রিকেল ফেইল দিবে
আমি যখন ২০১৮ সালে প্রথম লাইসেন্স নিতে যাই, তখন কার্ড ডেলিভারির সময় আমার কাছে ৫০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করা হয়। আমি ছাত্র বলার পরেও তারা এ দাবি করতে থাকে। তখন আমি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অবশেষে তারা মনক্ষুন্ন হলেও কার্ড দিয়ে দেয়।
আমার ড্রাইভিং এর লার্নার আইডি টি একজন বিআরটিএর বড় কর্তা নিজের কাছে রেখে দিয়েছিল । যার জন্য আমি অনলাইনে লার্নার সাবমিট করতে পারছিলাম না আর আমার লাইসেন্স ও প্রদান করা হচ্ছিল না । ভদ্র লোকের নাম্বার +880 17 1138 0761
কেরানি ঘুস খায়।কাগজ জমা নিতে
আমার প্রাইভেট কারের জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে গেছিলাম, গাড়ি তে সামান্য স্ক্র্যাচ থাকার কারণে বলল কালার ঠিক করে আবার আসেন। পরে একজন বলল ২৫০০ টাকা দিলে স্যার কে দিয়া সাইন করিয়া দিব, না হলে হবে না। টাকা না দিয়া উপাই ছিলো না কারণ ওইটুকু স্ক্র্যাচ খুব সাধারণ বিষয়। মূল বিষয় টাকা ছাড়া হবেই না
দুইবার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলাম। আমি লিখিত পরীক্ষায় খুব ভালো লিখেছিলাম, তবুও প্রথমবার ফেল করি। দ্বিতীয়বার লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেও ভাইভায় ফেল করি। শেষে কিছু না পেরে ৪,০০০ টাকা দিয়ে পাস করিয়ে নিতে হয়েছে।
kisu bolte chacchi nah
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ৬০০০ এর পরিবর্তে ১০০০০ টাকা দিয়া লাগছে।
আমি পরপর ২ বাই ড্রাইভিং লাইসেন এর জন্য আবেদন করি, লিখিত পরিক্ষা দেই কিন্তু রেজাল্টে আমার নাম আসেনা। আমি এক জন জিপিএ ৫ পাওয়া ছার, এখানে এমন কোনো প্রশ আসেনা যার উত্তর দেওয়া কঠিন। সহজ প্রস্ন যা মোটা মোটি সবাই পারবে। অথচ তারা পাশ করায় না। এর পরের বার আমি একজন দালাল ধরলাম আর তাকে ২৫০০ টাকা দিলাম ( তার দাবি ওনুযায়) , তার পরের পরিক্ষায় আমি শুধু অংশগ্রহন করি, প্যটিক্যাল ও ভাইভা পরিক্ষা দেই নি। বাসাই চলে আসি। পরের দিন আমাকে ফোন দেই, আপনার কাজ হয়ে গেছে, কাল এসে আপনার মূল লাইসেন এর টাকা জমা দিয়ে যায়েন। এই হল অবস্থা।
আমি যখন পেশাদার হালকা লাইসেন্স করতে যাই তখন এক অফিসার আমাকে বলে ১৫০০০ টাকা না দিলে ফেল করে দিবে তখন আমি দেই নাই সব পরীক্ষা ঠিক মত দিলাম তার পর ও ফেল আসে | পরবর্তীতে তার সাথে কন্টাক করি আমার আর যাইতে হয় নাই পরীক্ষা দিতে লাইসেন্স হয়ে গেছে |
আমার গাড়ির কার্ড এবং ট্যাক্স টোকেন হারিয়ে গিয়েছিল। আমি পুলিশে জিডি করার পরে। সেটা পুনরুদ্ধার করতে বিআরটিএ কুষ্টিয়া অফিসে গেছিলাম। প্রথমে যে কক্ষে বিআরটিএ লাইসেন্স প্রদান করে সে কক্ষে কথা বলি। পরে আমাকে আরেকটি কক্ষে পাঠানো হয়। যেখানে বিআরটিএ র সম্ভবত কুষ্টিয়া শাখার প্রধান বসেছিলেন। উনি আমাকে অনেক টাকায় দাবি করেন কিন্তু আমি এই স্টুডেন্ট হওয়ায় ওনাকে অনুরোধ করার পরে আমাকে ৮০০ টাকায় ব্যাপারটা সমাধান করতে করে দেন।
আমি বিআরটিএ অফিসে পরীক্ষা দিয়েছি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং আমাকে বারবার ফেল করায় আমি যখন দুই হাজার টাকা বেশি দিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিলাম তখন আমাকে পাশ করায় দিল
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সরকারি ফি বাদ, এক্সট্রা ৯৭০০ টাকা দালালকে ঘুষ দিতে হয়েছে, যারা ঘুষ দেয় নাই বা কোন দালালের মাধ্যমে ছাড়া গিয়েছে তাদের সবাইকে ফেল দিয়েছে।
গাড়ীর কাগজ জমা দেওয়া নম্বর প্লেটের জন্য
দালালের মাধ্যমে পরিশোধ করি
৪ বার ঘুষ ছাড়া চেষ্টা করেছিলাম। কোন কারণ ছাড়াই ফেল করিয়ে দেয়। শেষমেশ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
আমাকে বলা হয়েছিল মেশিনে নাকি আমার গাড়ির ফিটনেস ফেইল করেছে। আমার গাড়ির নাকি হ্যান্ড ব্রেক ঠিক মত কাজ করে না। চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে, এক দালাল বললো "স্যার লাভ হবে না, এইটা অনেক বড় সিন্ডিকেট". ফিটনেস ফেইলের মামলার ভয়ে টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
আমি যখন মালিকানা পরিবর্তন করতে যাই ওই সময় আমাকে কয়েকটি ডকুমেন্টস নিয়ে আসতে বলে এরপর সব ডকুমেন্টস নিয়ে আসলে বিভিন্ন ভাবে ঘুরাইতে থাকে, এই ডকুমেন্টস এইভাবে লাগবে আপনি এইটা ওইটা করে নিয়ে আসেন, তারপর উনার কথামত সব কিছু করার পর বলে যে যে আমি কি জানেন না এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না, আমাকে একটু মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু দেন, এরপর ১০০০ টাকা দিলে বলে যে এইটা কি দিলেন ভাই, ২ টা বাইক মিনিমাম ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা দিতে হবে, পরে ওই টাকা পরিশোধ করার পর সে আর কোনও ডকুমেন্টস দেখে নয়, জাস্ট কাজ গুলা করে দিয়েছে