টাইপ এপ্রুভাল
সিকেডি গাড়ির টাইপ এপ্রুভাল এর জন্য ৪৫০০০০ টাকা দাবি করা হয় কিন্তু ৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করায় তারা ক্ষেপে যায় আরও বাকি টাকা না দিলে ভবিষ্যতের কাজ থামিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সিকেডি গাড়ির টাইপ এপ্রুভাল এর জন্য ৪৫০০০০ টাকা দাবি করা হয় কিন্তু ৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করায় তারা ক্ষেপে যায় আরও বাকি টাকা না দিলে ভবিষ্যতের কাজ থামিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকারি ফিয়ের অতিরিক্ত ৪৫০০ টাকা নিয়েছে।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেছি। সব ওকে তবুও লাইসেন্স হয় না। টাকা দিলেই হবে যাবে। দেখি টাকা ছাড়া হয় কিনা।
নতুন লাইসেন্স, সরাসরি টাকা দাবি
আমি মিরপুর 2 থেকে একটা ইউজ বাইক কিনছি।।। তারা বিটিআরএ এর একজনের nb দিচ্ছে ।। তাকে এসএমএস দিয়ে জানতে চাইলাম কত টাকা লাগবে ।। বললো ১০ হাজার।। বললাম কম নিতে ।। বললো হবে না
I wanted to do name transfer of my car.as I am a busy I contacted with a person who is doing many types of work related to BRTA.like 3rd party. He told me name transfer processing govt.fee is18000 taka.and I have to pay ghush another 20000 taka.otherwise my transfer process will be very slow. I told him my all the documents are genuine. Why do I give ghush.he told me the BRTA officer would not accept this you can try yourself. But the total process is clumsy. To avoid harassment i gave him extra 20 thousand as ghush.
মটর সাইকেল র ভ্রাভিং লাইসেন্স। টাকা দিলে পাস।
আমি ড্রাইভিং পরীক্ষায় পার্কিং সঠিকভাবে করার পরও আমাকে ফেল দেয়া হয় অথচ যারা গাড়ির স্টেয়ারিং ও ধরতে পারে না তারা ঠিকই পাশ করে। আমি প্রশ্ন করলে বাইরে আসেন বলে আমাকে আর একজন লোক কে দেখায় দেয় মেইনগেটের বাইরে। এরপর তার তার সাথে দরকষাকষির পর ১২০০০ টাকা চুক্তি ২ মাসের মধ্যে প্রিন্টেড কার্ড এর প্রতিশ্রুতি দেয়। রাতে আমারে মোবাইলে পরীক্ষায় পাশের মেসেজ আসে। পরে বুঝি যে এটা পুরা একটা সিন্ডিকেট। সরকারি লোক যারা আছে তারা ফাঁদে ফেলে আর দালালদের কাছে পাঠায়। দালালরা টাকার লেনদেন করে আর বাকী কাজ সমাধান করে দেয় সরকারী লোকদের দিয়ে। আমার বিদেশ আসার তাড়া থাকায় আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই!
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য কোন পরীক্ষা ছাড়া পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছিল ৬০০০ টাকা
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ৩০০০ টাকা ঘুষ নেয়।
গাড়িতে CNG সিলিন্ডার থাকলে ফিটনেস দিতে চায় না টাকা দিলে ফিটনেস হয়
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গাড়ির ফিটনেস নবায়নের জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি যথাযথভাবে পরিশোধ করেছি। কিন্তু সরকারি ফি প্রদানের পাশাপাশি আমাকে অতিরিক্তভাবে ১,২০০ টাকা ঘুষ হিসেবে প্রদান করতে হয়েছে। এই টাকার জন্য কোনো সরকারি রসিদ বা বৈধ প্রমাণপত্র দেওয়া হয়নি। আমাকে বলা হয় যে, এই অতিরিক্ত টাকা প্রদান করলে কোনো ধরনের ঝামেলা, অপ্রয়োজনীয় আপত্তি বা বিলম্ব ছাড়াই গাড়ির ফিটনেসের কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। অন্যথায়, স্বাভাবিক নিয়মে গাড়ি পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন বিষয়ে ‘অবজেকশন’ দেওয়া হতে পারে এবং এতে ফিটনেস প্রক্রিয়া জটিল ও দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও আমাকে বোঝানো হয় যে, শুরুতে ১,২০০ টাকা প্রদান না করলে পরবর্তীতে এসব অবজেকশন বা জটিলতা সমাধানের জন্য আরও বেশি টাকা খরচ হতে পারে।
এটা ২০২১ সালের ঘটনা ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় আমি কোনো প্রকার দালাল ছাড়া উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। কিন্তু অফিস সহকারী আমার ফাইল জমা নিচ্ছিল না। তারপর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
টাকা দিলে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করে দিবে
আমি গেলাম নতুন গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন করতে, গাড়ির শোরুম থেকে সকল পেপারস নিয়ে। তারপর বিআরটিএ থেকে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার ফরম দেয়, আমি দুই বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে আসি। তারপর থেকে শুরু হয় আসল খেলা, তাদের দাবিকৃত টাকা না দিলে সার্কেল প্রধান গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন পেপারে স্বাক্ষর করবে না বললো।। খুঁজ নিয়ে দেখলাম, যাঁরা যাঁরা নতুন বা পুরাতন গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন করতে আসছে সবাইকে সমপরিমাণ অর্থ ঘুষ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হচ্ছে।।।।
ঘুষ ছাড়া লাইসেন্স হয়না। পাশ করলেও ডিসকোলাফাই করে দে। পুনরায় পরীক্ষা দেওয়া লাগে আবার। ঘুষ দেওয়া নাকি অফিসের সিস্টেমই এটা নাকি নিয়ম। ঐ জায়গায় প্রতিষ্ঠানের কমর্কতারা থেকে শুরু করে ম্যাজিস্ট্রেট সহ সবাই।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন এবং স্মার্ট কার্ড হাতে পাইতে টোটাল ১০০০০ টাকা দেয়া লেগেছিল আজ থেকে ৪ বছর আগে
ড্রাইভিং টেষ্টে পাশ করার জন্য উচ্চমান সহকারী ৯০০০টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দিয়েছেন
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কিছু দিনের মধেই শেষ হবে। আমি নবায়ন এবং মেটরযান সংযোজনের বিষয় নিয়ে আলাপ করার পরে আমাকে দালাল ধরিয়ে দেয় বিআরটিএর লোক। ২০০০০ টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে আমি রাজি না হলে বলে টাকা না দিলে শরীয়তপুর বিআরটিএ থেকে কোন লাইসেন্স বের হয়না। তারপর আমি কথা না বাড়িয়ে চলে আসি। কিছুদিন আগে আমার বন্ধু নতুন লাইসেন্স করেছে, ওর মতে সুধু বিআরটিএ না, সাথে যেই মাজিস্ট্রেট এবং ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ ভাইবা বোর্ডে ছিলো তারা সবাই এই সিন্ডিকেটের সাথে জরিত। শরিয়তপুর বিআরটিএ নিয়ে প্লিজ কিছু করেন
On May 19th, 2026 I applied at Halishohor BRTA for second hand car ownership transfer and received Acknowledgment copy same day. Its been more than 3 months now but I have still not received SMS from BRTA for givinf my finger print for new smart card under my name. I already visited BRTA more than 5 times in last 3 months and they cannot guarantee me when I might receive the SMS to provide fingerprint. I checked in many Facebook groups on the same issue, where many brokers are asking 1500-1800 taka to get the job done, but when I ask them what is the fee related to no one can give any firm answer.