নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লাইসেন্স এর জন্য ১৪০০০ চাইলো, আগে ২০০০, এরপর পরীক্ষার দিন বাকি ১২০০০।
কিছু করার নাই ঘুস ছাড়া কখনো লাইসেন্স করা সম্ভব না
ফিটনেস এর কাগজ অনলাইনে ওকে হয়ে গেছিল কিন্তু অফিস থেকে সেটা প্রিন্ট না করায় ও সিগনেচার না করায় ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে তারপরে আমি আমার মূল ফিটনেস কপি পেয়েছি।
bike and driving License korte eita nei , nije korle sob papers thik thaklew prosses hoi nah
I Don't know how to drive a car. But still i have a driving licence. Took 1.5 month to complete the procedure in just 6000 thousand taka. This happened in 2019.
There was someone who took the money to ease the process of getting driving licence, otherwise probably would never get licence.
আমার নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ও পরীক্ষা উর্ত্তীণ হওয়া জন্য ২০২৩ সালে একজন বিআরটিএ কর্মকতাকে ৩০০০/ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করে নতুন লাইসেন্স পেয়েছিলাম।
বরিশাল সদরের বিআরটিএ একজন ইন্সপেক্টর ঘুষ চেয়েছে, তার একজন সহকারি আছে, এছাড়াও তার ভাই একজন আছে যিনি বিআরটিএ দালাল, নাম —। বরিশাল বিআরটিএ কে কলঙ্কিত করেছে দুইজন
ড্রাইভিং লাইসেন্স ৫০০০ ঘুস দিয়ে করেছি।।।ফরিদপুর অফিসের হালকা লাইসেন্স করে দিছে।।।অথচ আমি মোটর সাইকেল চালাতে পারি।। কোন দিন চার চাকা ধরি নাই।।। প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষায় এডিসি উপস্থিত ছিল।।।টাকার জোরে লাইসেনস পাশ।।।
অটোমোবাইল কোম্পানিগুলো কে CKD , Type , Mackers code নিতে হয় । যা বিআরটিএ হেডকোয়ার্টারে হয় । এখানে মটরসাইকেলের সিকেডি-৫০-১০০ টাকা প্রতি চেসিস , টাইপ অনুমোদনের জন্য 2w- 200000, 3W-300000,4W - জানি না , রেজিস্ট্রেশনের জন্য 2W-1500, 3W Dhaka -2000000 , 4W -5000 এবং আমরা পরিশোধ করি ।
বিআরটিএর কর্মকর্তারা দালাল সিন্ডিকেট - কর্মচারী, কম্পিউটার দোকানদার ও বহিরাগত দালালদের মাধ্যমে নির্ধারিত ফী নেয়।আমার ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল ও লাইট ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রাকটিকেল পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য দালালকে ৬,০০০ টাকা প্রদান করি। ঘুষ গ্রহণ করেছে বিআরটিএ র অফিসারের ভাগিনা যিনি হালিশহরে একটি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ সেন্টার পরিচালনা করছেন। তাছাড়া চট্টগ্রাম নতুনপাড়া বিআরটিসির একজন ড্রাইভিং প্রশিক্ষক - দেখতে সুন্দর ও দাড়ি আছে- আমার থেকে প্রশীক্ষণ চলাকালীন সময়ে বারংবার লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১১,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করলে আমি আর্থিক অজুহাত দিয়ে প্রস্থান করি এবং তিনি আমার অর্ধেক কোর্স প্রায় ৭ টি ক্লাস করাননি। বরং গাড়ির তেল খরচ বলে ৫০০ টাক ঘুষ নেয়।
ড্রাইভিং টেস্টে ফেল করলেও পাস করিয়ে দিবে বলে টাকা দাবি করেছিলো
আমি ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দিতে গেছি নিজের আত্নবিশ্বাস নিয়ে... কিন্তু গাড়িতে উঠছি আর নামছি বিনিময়ে ১০০ টাকা নিসে... সিগনেচার করতে গিয়ে শুনি আমি ফেইল... পরে অই জায়গায় একজন দালাল এর দেখা পাই... সে ৪হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে পাশ করিয়ে দেয়... নিরূপায় হয়ে টাকা টা দিতে হইছে
আমি মিরপুর-বিআরটিএ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে 4000 টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। টাকা না দিলে আমি ড্রাইভিং টেস্টে ফেইল করবো এটা বলে দেয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
পুলিশ লাইসেন্স করার জন্য সরজমিনে ভেরিফিকেশন করতে আসছিলো চা নাস্তার কথা বলে সে হাদিয়া চাইলো আমার কাছ থেকে আপনি হুজুর মানুষ আপনার কাছ থেকে হাদিয়া চাই একবার সে ভুল ইনফরমেশন দিয়েছে দেন আবার সে দুইবার একবার ১৫০০ একবার এক হাজার দুই বারে সে ঘুষ নিছে
Bike reg korte gele ghush dabi korse nadile onek jamelay fele dibe bole humki dise, ekhon r bike er kagoj koraite parse na
ড্রাইভিং লাইসেন্সের সেবা ছিল এবং লাইসেন্সটি দিতে বিলম্ব করতে ছিল যখন টাকা দিলাম তখন তারা দিয়ে দিল
No possibility without bribe. 1% not possible without bribe through their brokers.
মাঝারি ট্রাক ফিটনেস রিনিউ তে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিলে ফাইল সাইন হয়, ঘুষ না দিলে দোষ না থাকলে দোষ ধরে ফাইল ফেলে রাখা হয়
দ্বীবার্ষিক ব্যক্তিগত গাড়ির ফিটনেস নবায়ন করতে উত্তরাস্থ বি আর টি এ অফিসে যাই। নিজে গাড়ি চালানোর কারনে (সেলফ ড্রাইভ) এসব কাজ অফিস ছুটি নিয়ে নিজেকেই করতে হয়। দায়ীত্বরত অফিসার (বা তার প্রতিনিধি-তার এক হাতে ছয়টি আংগুল আছে) গাড়ির বাম্পারে একটি স্ক্র্যাচ দেখিয়ে বলেন 'এই গাড়ির ফিটনেস দেয়া যাবেনা, গাড়ি রঙ করে নিয়ে আসেন।' কাছাকাছি থাকা একজন আনসার সদস্যের হাতে ফাইল টি দেন। সেই আনসার সদস্য আমাকে অফিস বিল্ডিং-এ একজন ভেহিক্যাল ইন্সপেক্টরের রুমে নিয়ে যান ও টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে গেলে সিসি টিভি আছে এই কথা বলে আমাকে অফিস থেকে বাইরে নিয়ে আসেন ও সিড়িতে টাকা নেন এবং গাড়ির কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলেন। ১০ মিনিট পরেই আমার কাছে এসে ফিটনেসের কাগজটি দিয়ে দেন।