Bike Registration smart card
আমার বাইকের স্মার্ট রেজিষ্ট্রেশন কার্ড মানিব্যাগ সহ চুরি হয়ে গিয়েছিল । BRTA হালিশহর শাখায় যোগাযোগ করলে উনারা ঘুষ দাবি করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাইকের স্মার্ট রেজিষ্ট্রেশন কার্ড মানিব্যাগ সহ চুরি হয়ে গিয়েছিল । BRTA হালিশহর শাখায় যোগাযোগ করলে উনারা ঘুষ দাবি করেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ৫০০০ ঘুস দিয়ে করেছি।।।ফরিদপুর অফিসের হালকা লাইসেন্স করে দিছে।।।অথচ আমি মোটর সাইকেল চালাতে পারি।। কোন দিন চার চাকা ধরি নাই।।। প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষায় এডিসি উপস্থিত ছিল।।।টাকার জোরে লাইসেনস পাশ।।।
আমি ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দিতে গেছি নিজের আত্নবিশ্বাস নিয়ে... কিন্তু গাড়িতে উঠছি আর নামছি বিনিময়ে ১০০ টাকা নিসে... সিগনেচার করতে গিয়ে শুনি আমি ফেইল... পরে অই জায়গায় একজন দালাল এর দেখা পাই... সে ৪হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে পাশ করিয়ে দেয়... নিরূপায় হয়ে টাকা টা দিতে হইছে
বরিশাল সদরের বিআরটিএ একজন ইন্সপেক্টর ঘুষ চেয়েছে, তার একজন সহকারি আছে, এছাড়াও তার ভাই একজন আছে যিনি বিআরটিএ দালাল, নাম —। বরিশাল বিআরটিএ কে কলঙ্কিত করেছে দুইজন
আমার নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ও পরীক্ষা উর্ত্তীণ হওয়া জন্য ২০২৩ সালে একজন বিআরটিএ কর্মকতাকে ৩০০০/ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করে নতুন লাইসেন্স পেয়েছিলাম।
There was someone who took the money to ease the process of getting driving licence, otherwise probably would never get licence.
বিআরটিএর কর্মকর্তারা দালাল সিন্ডিকেট - কর্মচারী, কম্পিউটার দোকানদার ও বহিরাগত দালালদের মাধ্যমে নির্ধারিত ফী নেয়।আমার ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল ও লাইট ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রাকটিকেল পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য দালালকে ৬,০০০ টাকা প্রদান করি। ঘুষ গ্রহণ করেছে বিআরটিএ র অফিসারের ভাগিনা যিনি হালিশহরে একটি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ সেন্টার পরিচালনা করছেন। তাছাড়া চট্টগ্রাম নতুনপাড়া বিআরটিসির একজন ড্রাইভিং প্রশিক্ষক - দেখতে সুন্দর ও দাড়ি আছে- আমার থেকে প্রশীক্ষণ চলাকালীন সময়ে বারংবার লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১১,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করলে আমি আর্থিক অজুহাত দিয়ে প্রস্থান করি এবং তিনি আমার অর্ধেক কোর্স প্রায় ৭ টি ক্লাস করাননি। বরং গাড়ির তেল খরচ বলে ৫০০ টাক ঘুষ নেয়।
I Don't know how to drive a car. But still i have a driving licence. Took 1.5 month to complete the procedure in just 6000 thousand taka. This happened in 2019.
bike and driving License korte eita nei , nije korle sob papers thik thaklew prosses hoi nah
ড্রাইভিং টেস্টে ফেল করলেও পাস করিয়ে দিবে বলে টাকা দাবি করেছিলো
অটোমোবাইল কোম্পানিগুলো কে CKD , Type , Mackers code নিতে হয় । যা বিআরটিএ হেডকোয়ার্টারে হয় । এখানে মটরসাইকেলের সিকেডি-৫০-১০০ টাকা প্রতি চেসিস , টাইপ অনুমোদনের জন্য 2w- 200000, 3W-300000,4W - জানি না , রেজিস্ট্রেশনের জন্য 2W-1500, 3W Dhaka -2000000 , 4W -5000 এবং আমরা পরিশোধ করি ।
আমি মিরপুর-বিআরটিএ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে 4000 টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। টাকা না দিলে আমি ড্রাইভিং টেস্টে ফেইল করবো এটা বলে দেয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
দ্বীবার্ষিক ব্যক্তিগত গাড়ির ফিটনেস নবায়ন করতে উত্তরাস্থ বি আর টি এ অফিসে যাই। নিজে গাড়ি চালানোর কারনে (সেলফ ড্রাইভ) এসব কাজ অফিস ছুটি নিয়ে নিজেকেই করতে হয়। দায়ীত্বরত অফিসার (বা তার প্রতিনিধি-তার এক হাতে ছয়টি আংগুল আছে) গাড়ির বাম্পারে একটি স্ক্র্যাচ দেখিয়ে বলেন 'এই গাড়ির ফিটনেস দেয়া যাবেনা, গাড়ি রঙ করে নিয়ে আসেন।' কাছাকাছি থাকা একজন আনসার সদস্যের হাতে ফাইল টি দেন। সেই আনসার সদস্য আমাকে অফিস বিল্ডিং-এ একজন ভেহিক্যাল ইন্সপেক্টরের রুমে নিয়ে যান ও টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে গেলে সিসি টিভি আছে এই কথা বলে আমাকে অফিস থেকে বাইরে নিয়ে আসেন ও সিড়িতে টাকা নেন এবং গাড়ির কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলেন। ১০ মিনিট পরেই আমার কাছে এসে ফিটনেসের কাগজটি দিয়ে দেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রথম আমি ওয়েবসাইটে চেষ্টা করি। সকল তথ্য সঠিক দেয়ার পরও ওয়েবসাইট ঠিক ভাবে কাজ করছিলো না। বুজলাম অন্নান্য সেবার মতো এখানেও ওয়েবসাইট অকার্যকর করে রাখা হয়েছে যাতে সরাসরি যোগাযোগ করি। অগত্যা দালাল ধরতে হলো। দালাল চৌদ্দ হাজার টাকা চাইলো। রাজি হয়ে গেলাম বিভিন্ন রকমের অসুবিদা এড়ানোর জন্য। টাকা দেয়ার সাথে সাথে দেখলাম কর্মকর্তার ফোন। অতপর otp বিনিময় । ওয়েবসাইট ওনারা স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করছেন যা আমাকে করতে দেয়া হয়নি। লাইসেন্স ও ইসু হয়ে গেলো এক দিন এর মধ্যে।
Driving license er practical porikkhay pass koranor jonno amar kase taka dabi kore.ami taka na deoay amake pass korano hoy na. 2 bar amake ghuriye 3rd time a amake pass koray day .
দালাল ছড়াই নিজে নিজে নতুন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করতে ওজন ইনপুট ভুল হয়, এটা সমাধান করতে অফিসে গেলে কুড়িগ্রাম brta দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দালালের কাছে যেতে বলে, দালাল ৪০০০ দাবি করে, ৪০০০ দেওয়ার পরদিন গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন সম্পুর্ন হয়।
বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়ে পরবর্তীতে এক হাজার টাকা পরিশোধ করে সেটা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হয়
টোটাল ৮০০০ টাকার বিনিময়ে বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্সে পাই। পুরাটাই একটা গ্রুপ, আগে ২ বার ভাইভা ফেল করে দিছিল। টাকা দেয়ার পর পাশ।
পুলিশ লাইসেন্স করার জন্য সরজমিনে ভেরিফিকেশন করতে আসছিলো চা নাস্তার কথা বলে সে হাদিয়া চাইলো আমার কাছ থেকে আপনি হুজুর মানুষ আপনার কাছ থেকে হাদিয়া চাই একবার সে ভুল ইনফরমেশন দিয়েছে দেন আবার সে দুইবার একবার ১৫০০ একবার এক হাজার দুই বারে সে ঘুষ নিছে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের সেবা ছিল এবং লাইসেন্সটি দিতে বিলম্ব করতে ছিল যখন টাকা দিলাম তখন তারা দিয়ে দিল