17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
২১ দিনের মাথায় আমার গাড়ি নাম্বার দেওয়ার কথা কিন্তু ৩ মাস হয়ে গেছে নাম্বার পাইনি। খরচ ১০৫০০ টাকা কিন্তু আমি দিয়েছি ১৫৫০০। এখন আমার কাছে ২০০০ টাকা আরও চাওয়া হচ্ছে। চাওয়ার পরেও নাম্বার দিচ্ছে না।
চাঁদপুর brta পরীক্ষা যতই ভালো দেই না কেন ফেল করব বলে। পরে ৫০০০ টাকা দিলে সব ক্লিয়ার আর পরীক্ষা দিতেই হয় নি। লিখিত আর ফিংগার দিয়েছি শুধু 😁😁😁
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য কথা বলা হয়েছে। মোটরসাইকেল ড্রাইভিংয়ের জন্য দাবিকৃত টাকা ৯৫০০৳ লাইট লাইসেন্স করিয়ে দিবেন বলে ১১০০০৳ টাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
ঘুষ দিয়া ছাড়া, সেবা নিতে যেয়ে বিভিন্ন রকমের করার কারণ দেখিয়ে, আমার গাড়ির লাইসেন্স নবায়ন, তিনবার বাতিল করে দেয়, পরে দালালকে ঘুষ দিয়ে, একবারেই করতে পেরেছি
এখানের ঘুষ প্রদান না করলে ১০০ জনে ৯৯ জনের ড্রাইভিং লাইসেন্স কমপ্লিট হয় না। আর ঘুষ প্রদান করলে কোন পরীক্ষা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা নাই।
দিনাজপুর বিআরটিএ অফিসে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী আছে যারা টাকার বিনিময় ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার রেজাল্ট ও মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা বিশেষ সুবিধা প্রদান করছে। যার অর্থ 7000 থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। এবং এই অর্থ প্রদান না করলে আপনাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং বাহানা করে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করছে না।
২০১৯ সালে আমি নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, আমি ঘুষ এর পক্ষে কখনই ছিলাম না এবং থাকবোও না, তাই নিজেই সব কিছু করার সিদ্ধান্ত নেই। লার্নার কার্ড নিজেই করেছিলাম, কিন্তু বিপাকে পড়লাম মেইন লাইসেন্স করার সময়, BRTA তে কর্মরত যিনি আছেন, তিনি নিজেই ঘুষ দাবী করলেন ৬০০০ টাকা চেয়ে বসলেন সব খরচ সহ। তার মানে, ৩৩৪০ টাকা খরচ (২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী), আর বাকীটা ঘুষ। পরে আর লাইসেন্স করা হয় নি। এখন ২০২৬ সাল এ এসে আবার লাইসেন্স করতে দিয়েছি। আমার পরীক্ষা ১৭ আগস্ট ২০২৬। দোয়া করবেন যেন, ঘুষ ছাড়াই পরীক্ষায় পাস করতে পারি।
আমি একটি সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কিনি সেকেন্ড হ্যান্ড শোরুম থেকে, ওই শোরুমে যিনি মোটরসাইকেলটি বিক্রি করেছেন উনি উনার নামে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেন। পরবর্তী তে আমি যখন ওই শোরুম থেকে গাড়িটি কিনে আমার নামে কাগজপত্র পরিবর্তন করে নেই। পরবর্তীতে যখন আমি বিআরটিএতে ফাইল জমা দিতে যাই তখন উনারা বলে যে টাকা জমাতে অন্য একজনের নামে কাগজপত্র আপনার নামে এই কাজটা হবে না এই টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন হবে না। পরে আমি যখন অনেক রিকোয়েস্ট করি তখন বিআরটিএর এক কর্মকর্তা আমাকে বলে আমি আপনার এই টাকাটা কাজে লাগিয়ে দিব কিন্তু আমাকে 10000 টাকা দিতে হবে। পরে তার সাথে নেগোসিয়েশন করে পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হই, এবং পরিশোধ করি। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় আজও আমার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন হয়নি
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভাতে ফেইল করিয়ে দেয়। পরে অফিসের পিয়ন — এর মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দিলে পাশ করিয়ে দেয়।
নিজে চেষ্টা করে কিন্তু লাইসেন্স বানাতে পারি নি।।পরে দালাল এর মাধ্যমে সব কিছু সহজে হয়ে যায়।কোন ঝামেলা ছাড়া। বর্তমানে গাড়ির নাম ট্রান্সফার করতে ও একই জিনিস ফেইস করছি।
বিআরটিএ থেকে গাড়ির লাইসেন্সের জন্য এপ্লাই করেছিলাম। এবং সবাই বলসে দালাল না ধরলে পাস করতে দেয় না। এবং সত্যি সত্যি যেয়ে দেখলাম যারা দালাল ধরসে ওদের গাড়িতেও উঠা লাগে নাই। ওখানের যিনি প্রধান তিনি পর্যন্ত এর সাথে জড়িত। যেহেতু লাইসেন্স জরুরী তাই আমিও সেইম ওয়েতে নিয়ে নিসি ঝামেলায় না যেয়ে।
শোরুম এবং পারসোনাল সকল কাগজপত্র সহ যখন আমি নিজে সাবমিট করতে যাই এবং একাধিক দিন চেষ্টা করি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাকে ঝুলিয়ে রাখা হয় এরপর যখন বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করি ১৫০০ টাকা দেয় এবং এক দিনে নাম্বার বের করে দেয়।
আমার গাড়ি ১০০% ওকে ছিল। তাই আমি কনফিডেন্ট নিয়ে গিয়েছিলাম। বাট ওখানকার ইন্সপেক্টর আমার গাড়িতে বাম্পার আছে বলে রিজেক্ট করল ফিটনেস ইসু করতে। পরে স্থানীয় দোকানদারের মাধ্যমে পনেরশো টাকা দিলাম; এতে করে একই গাড়ির বাম্পার সে আর দেখতে পেল না এবং ফিটনেস পেলাম।
এই লোকটা একটা আস্ত বদমাশ। আমার একাধিক ট্রাক আছে যেগুলোর নিয়মিত কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। যেহেতু বিআরটিএ-র বেশিরভাগ কাজ অনলাইনে হয়, আমি ঘুষ দেওয়া এড়ানোর চেষ্টা করি। কিন্তু ওর কারণে আমাকে তা করতে হয়েছে। মাঝে মাঝে ও ভুলেও যায় এবং আবার টাকা চায়। দৈনিক ব্ল্যাকারের পরিমাণ আড়াই লাখ থেকে তিন লাখ টাকা। কক্ষ নং-১০০১
To make a new driving licence
মিরপুর ১১ তে ৫০০ টাকার বিনিময়ে লাইন ব্রেক করে ফিঙ্গার প্রিন্ট করায়। লাইন ম্যানের কাছে এই টাকা দিতে হয়। অন্যথায় ৭-৮ ঘন্টা সময় লাগায়।
৩০০০ টাকার বিনময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়েছিলো মিরপুর বি আর টি এ। তারা এমন ভাবে ট্র্যাক সাজায় যে ১০ বছর এক্সপেরিয়েন্স লোক পাস করবে না। এমন কি যে ট্রাক চালায় ১০ বছর ধরে সে ও ফেল করেছে কার ড্রাইভিং এ।
ঘটনাটি ২০২৩ সালের,, ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা তে লিখিত প্রাক্টিক্যাল পাস হলেও ভাইবা তে জানানো হয় আমি ফেইল। উপায়ন্তর না পেয়ে স্থানীয় এক দালাল কে জানালে তিনি ৫হাজার টাকা দাবি করে পরিশেষে বিকাশ মাধ্যমে তাকে ৩৩০০ টাকা দিয়ে লাইসেন্স পায়
They told me that, if i pay 13.5k bdt they will give me driving licence within 15days , which was totally scam , now they are talking it’s maybe took more than 2month . What a shit , i got scammed.
Its just their set program. Either you pay or else you are failed. It was in 2023