সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,২৮৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৭.৫ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ইন্টারভিউ

আমি অনলাইনে বিধি মোতাবেক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে BRTA তেজগাঁও সার্কেলে নির্ধারিত তারিখে ইন্টারভিউ দিতে উপস্থিত হই। ইন্টারভিউ চলাকালে আমার পর্যবেক্ষণে ও উপস্থিত অনেকের কাছ থেকে জানতে পারি যে, দালালচক্রের মাধ্যমে আবেদনকারীরা সহজে উত্তীর্ণ হচ্ছে, কিন্তু যারা সৎ ও সরাসরি প্রক্রিয়ায় আবেদন করেন তাদের অনেককেই অকৃতকার্য করা হচ্ছে। আমিও কোনো দালালের সহায়তা ছাড়া ইন্টারভিউ দিয়ে অকৃতকার্য হই। পরে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি যে, দালালের মাধ্যমে কাজ না করলে লাইসেন্স পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। বাধ্য হয়ে আমাকে প্রায় ৭৫০০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করে দালালের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়, যা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

ঢাকা, তেজগাঁও, ঢাকা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১.৫ হাজার

ডাইভিং লাইসেন্স

সকল কাগজপত্র দেওয়ার পরও যখন পরিক্ষা দেই তখন পরিক্ষা শেষে দুই হাজার টাকা দাবি করে না হয় পরিক্ষায় কৃতকার্য হব না এমন বলে ২০০০ টাকা দাবি করে পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে নিস্পত্তি হয়। ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনটি এপ্রুব হয়।

নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১২.০ হাজার

মোটর সাইকেলের জন্য নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমার পরীক্ষা সবকিছু ঠিকঠাকমতো হওয়ার পরেও সময়ের কথা বলে আমার কাছে দাবি করি জামি অর্ধেক পরিমাণে পরিশোধ করি

ঢাকা, ঢাকা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

নতুন লাইসেন্স

নতুন লাইসেন্স নিয়ে মেলা তামাশা হয় এখানে। বাইক চালাতে পারে এমন ব্যক্তিকেও মেলা বার ফেল করানো হয়, অবশেষে ৫ হাজার টাকা দালাল কে দিয়ে সব ঠিকঠাক করা হয়।

বগুড়া, রাজশাহী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

licence er jonno porikkhai pass koranor jonno 3k chaise

licence er jonno porikkhai pass koranor jonno 3k chaise,,, tk na diyar 20m dhore viva dhore fail korai dise jara tk dise tara ekta ans dilei pass korai disee,,, eder tricks vaa viv alar kivabe jane setau buschi lurner er signature ekta thake dag er opor ekta thake nice jara tk dei tader thake dag er opr jara deina tader thake niche

rajshahi, রাজশাহী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳২০.০ হাজার

প্রফেশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। বর্তমানে আমার সিঙ্গাপুরে Class 3 এবং Heavy Vehicle—উভয় ধরনের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে গাড়ি চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতাও আমার রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এসে বিআরটিএ-এর ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় আমাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিআরটিএ-এর নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি এবং নির্ধারিত পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আমার কাছে অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দাবি করা হয় বলে আমি অভিযোগ করছি। আমাকে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা প্রদান করলে .....

কিশোরগঞ্জ, ঢাকা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩০০

বাইকের স্মার্ট কার্ড

আমি আমার বাবা বাইকে স্মার্ট কার্ড নিতে গিয়েছিলাম আর আমার বাবা অসুস্থ থাকায় তিনি যেতে পারেন নি। কিন্তু আমি যাওয়া পর তারা বলেন আপনার কাছে গাড়ির স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে না বল্লাম আমি তার ছেলে কিন্তু তারা কোনো ভাবেই দিতে রাজি নয় একটু পর ওফিসের লোকটা আমাদের বল্লো আপনি একটু বাইরে অপেক্ষা করেন তারা দাবি করেন ৩০০ টাকা দিতে আমরা তা দিতে বাধ্য হয়,, এটা যশোর brta অফিসের ঘটনা। হইতো একাটা কম কিন্তু ওই যে ঘুস তো ঘুসিই

যশোর, খুলনা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৬.০ হাজার

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে লাঞ্চ টাইম ১:২০ বাজতেই দায়িত্বরত কর্মকর্তা চলে যাচ্ছিল। আমার অপেক্ষার ফলাফল জানতে চাইলে বলে আজ আর হবে না। কাল আসুন। যেহেতু আমার উপ্জেলা থেকে জেলা শহরের বেশ দুরত্বে থাকায় আমি বার বার অনুরোধ করলে ইশারা দিয়ে একটি লোক দেখিয়ে বলেন আপনি উনার সাথে কথা বলেন। উনি চলে গেলেন। আমি অফিসারের দেখানো লোকের সাথে কথা বলার পর অই লোক আমার কাজটা করে দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৬০০০ টাকা বেশিচায়। যেহেতু আমি এর আগেও দুদিন ঘুরে গেছি একা একা কিছুই করতে পারিনি সেহেতু আমিও আজকে সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। তাই একান্ত বাধ্য হয়েই ৬০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলাম। অই লোক অফিসের কেউ না। উনি আয়মান হোন্ডা দোকানে আমাকে নিয়ে গেলেন। আশ্চর্যের ব্যপার অই কর্মকর্তা অই শোরুমে বসেই আমার আবেদন

নেত্রকোনা জেলা সদর, ময়মনসিংহ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য