মৃত্যু সনদ
পিতার মৃতু সনদ: আমি যদ্দুর জানি মৃত্যুর ৪৩ দিনের মধ্যে সনদ ফ্রি দেয়া হয়। সিটি কর্পোরেশন এর লোক আমাকে বাইরে ফটোকপির দোকানের ঠিকানা দিয়ে বলে ওর সাথে কথা বলেন ,ব্যাস। এখন আমার কাগজ প্রক্রিয়াধিন ,পাবলিক হলে হয়তো সমস্যায় পড়ে যাবো ।কি করা ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পিতার মৃতু সনদ: আমি যদ্দুর জানি মৃত্যুর ৪৩ দিনের মধ্যে সনদ ফ্রি দেয়া হয়। সিটি কর্পোরেশন এর লোক আমাকে বাইরে ফটোকপির দোকানের ঠিকানা দিয়ে বলে ওর সাথে কথা বলেন ,ব্যাস। এখন আমার কাগজ প্রক্রিয়াধিন ,পাবলিক হলে হয়তো সমস্যায় পড়ে যাবো ।কি করা ।
এন আই ডি কার্ড সংশোধন এর জন্য সিটি করপোরেশনের প্রতয়ন পত্র দরকার ছিল (ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড নং- ০২) ওয়াড সচিব আমি সব কাগজ পত্র যা যা চাইছিল সব সঠিক ভাবে জমা দিয়েছি কোন ভুল ছিল না তার পর ও বলতাছে কম্পিউটারে টাইপ করতে হবে তাই খরচ আছে পরে ৬ দিন গুরায়া ২০০/- নিয়া দিছে। আমার সামনেই এক লোক থেকে ৩০০/- টাকা নিছে।
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন
We could not submit online birth registration for our child. Had to contact someone who works at city corporation (South) and paid 5k for processing it. Now he demanded another 7k as mother’s birth certificate requires correction.
অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স আপডেট করার জন্য ২০২৫_২০২৬,২০২৬-২৭ সালের মোট ২৩০০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
লাইসেন্স এর স্বাভাবিক ফি থেকে ১২২৫ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়েছে লাইসেন্স নবায়নে। এবং সেটার কোন প্রমান তারা দেয়না রাখেনা। ক্যাশ নিয়ে নেয়। ৫৭৭৫ টাকার লাইসেন্স ফি ৭০০০ টাকা নেন
অনলাইন জাতীয়তা সনদপত্র আবেদনে অনলাইনে ১০/- ফী নেয়। এরপরও ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে অতিরিক্ত ৩০০/- খরচ দাবী করে, যেটার কোন চালান/মানিরিপ্ট দেয়না। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও একই
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের সনদ তুলতে ইউনিয়ন পরিষদের গ্ৰাম পুলিশে ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। না দিলে সে স্বাক্ষর করছে না
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আমাদের এলাকার ২০১৮ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন হয়েছে। হঠাৎ করে ২০২৩ সাল থেকে হোলিং ট্যাক্স এর নামক আধুনিক ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় করছে সিটি কর্পোরেশনের লোক। কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাচ্ছিনা সিটি কর্পোরেশন থেকে।আমরা আগেই ভালো ছিলাম সিটি কর্পোরেশনের হওয়ার পর থেকে সেবা না পেয়ে। তাদেরকে ঘুষ প্রদান করতে হবে ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হুমকি বিদ্যুৎ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পানি কোন ধরনের নাগরিক সেবা দিবে না এমন টাইপের হুমকি প্রদান করে সিটি কর্পোরেশন লোকরা।
সরকারি ফি হিসেবে ২০০০ টাকা দাবি করে।এর পর এই কাজের দৌড়াদৌড়ি এর জন্য আরো ৫০০ টাকা দাবি করে
Dhaka Cantonment Board
যেখানে ফাইল জমা নেয় সেখান থেকে আমাকে বলেছিলো যে ২/৩ দিন পর আপনি পেয়ে যাবেন, আমি প্রায় ২০ দিন পর যোগাযোগ করার পরে আমাকে ডাইরেক্ট বলতেছে যে ১০০০ হাজার দিলে আমরা এখনি দিয়ে দিবো যদি না দেন তাহলে কবে পাবেন তা আমরা বলতে পারবো না , এখন আমার জরুরী লাগতো তাই আমার কিছুই করার ছিলো না তাই আমার ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
হাজার হাজার মানুষ থেকে ১৫০ টাকা করে বাড়তি টাকা নেই।বাড়তি টাকা না দিলে কাগজ রিসিভ করে না।
Finding fault and asking for money Then all okie
আমার মেয়ের জন্য একটা বার্থ সার্টিফেকেট করা দরকার ছিলো। ওই লোক বললো করা যাবে কিছু এক্সটা খরচ লাগবে। ওখানে মনে হলো ওটাই নিয়ম। যদিও এটা ৭-৮ বছর আগের কথা। এমাউন্টটা ঠিক মনে নেই এরকমই হবে। আমার কাছে তার নাম ফোন নম্বর আছে। নাম —, মিরপুর ১০ এ কাজ করতো। জানিনা সে এখনও আছে কিনা।
প্রত্যয়ন পত্রের জন্য তাকে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা এবনং জন্মনিবন্ধন বানানোর জন্য যার থেকে যেমন পারে নিচ্ছে যেমন ২ হাজার থেকে ৩ পর্যন্ত
আজিমপুর কবরস্থান সংলগ্ন ঢাকা সাউথ সিটি কর্পোরেশন একটা বিশাল দূর্নীতির আখড়া, অথচ পাশেই কবরস্থান। এরা কবরগুলোর দিকে তাকিয়েও একবার চিন্তা করে না যে এদেরকেও এক সময় মরতে হবে। আমার বাড়ী পৌর কর মূল্যায়ন করার সময় এরা আমার কাছ বিভিন্ন ভীতি দেখিয়ে ঘুষ নিয়েছে। অথচ আমার আশেপাশের (আমার বাড়ীর থেকে বড় আকারের) বাড়ীগুলোর পৌরকর আমার দশ ভাগের এক ভাগও না।
Trade license er renewal jonno Dutch Bangla Banke Taka joma diye DNCC Uttara 6 office print copy ante giyesilam. Oi sectioner — amar kase print copy pete 200tk cheyesilo r bolesilo na dile Post Office copy-er jonno oppekha koren… ami na diye chole asi
আমার জন্ম নিবন্ধন এর স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করব আমার সব কাগজ ঠিক আছে অ্যাপ্লাই করে সিটি কর্পোরেশনে যখন যাই তখন তারা সরাসরি আমার কাছে ২০০০ টাকা চাই যেখানে সরকারি ফি ২০০ টাকা আমি আমি তখন তাও প্রত্যাখান করি চলে আসি
নবায়ন ফি জমা করার স্লিপ ও নবায়ন বাবদ ৫০০ - ১০০০ ফী দেয়া ফরজ চট্টগ্ৰাম সিটি কর্পোরেশন এ প্রায় সকল সার্কেল এ। পাড়াতলী সার্কেল এ টাকা না দিলে ফী জমা করার স্লিপ ও দে না , নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য।