হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, অঞ্চল-৪ এ আমাদের ভবনের ফ্ল্যাটগুলো হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের সময় ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা ঘুস দাবি করা হয়। পরে ৭০ হাজার টাকায় ফয়সালা হয়।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, অঞ্চল-৪ এ আমাদের ভবনের ফ্ল্যাটগুলো হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের সময় ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা ঘুস দাবি করা হয়। পরে ৭০ হাজার টাকায় ফয়সালা হয়।
আমি একটা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে দিয়েছি নবায়ন ফি হচ্ছে 4230 টাকা এখন আমার কাছ থেকে পাঁচ টাকা দাবি করতেছে আমি চার হাজার টাকা জমা দিয়েছি এখন আরো ১০০০ টাকার জন্য আমাকে ফোন করতেছে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে আগে ডিজিটাল ই সিগনেচার ছিল। এবং বর্তমান উত্তর সিটি কর্পোরেশনেও ডিজিটাল ই সিগনেচার বহাল আছে। বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সুপার ভাইজার,টিও স্যার রা ম্যানুয়াল সিগনেচার চালু করেছে টাকা খাওয়ার জন্য। ৫০০ টাকা দিবেন সাথে সাথে সিগনেচার করে দিবে।আর টাকা দিবেন না ৫ দিন, বা ১০ দিন পরে আসেন।ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে যে হারে সবাই কে ভোগান্তিতে ফেলে তা ধারণার বাহিরে।দেখার কেউ নাই। টাকার বানিজ্য রমরমা চালিয়ে যাচ্ছে।
ঘুষ দিলে কাজ হবে না দিলে হবে না
আমি গাজীপুরের চেরাগআলী এলাকায় যে সিটি করপোরেশনের পৌরসভা আছে সেখানে জাতীয় পরিচয় পত্রের ৩নং স্বাক্ষর নিতে যাই।।আমি ওয়াদা করে বলি আমার সব কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও পূর্বের ২ টা সাইন নিতে ১২ দিন লাগে।আমি এক টাকাও ঘুষ দেইনি তাদের তবে দেওয়ার পরিক্রম ছিল বুঝায় যায়।ঘুষ দিলে হয়তো ১ দিনেও সেরে নেওয়া যেত।পর ৩ দিন ধরে পৌরসভা যাই সেখানেও ঘুরতে হয় পরে উপায় না পেয়ে পরিচিত একভাই ম্যাজিস্ট্রেট এর অ্যাসিস্ট্যান্ট কে বেনসন সিগারেটের একটি বক্স ৪০০ টাকার এদিক সেদিক সেটি ঘুষ হিসেবে দেয়।সেটি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গিয়েছে কিনা জানি তবে মেগোস্ট্রেটের রুমে যখন যাই পুরো রুমে বিড়ির গন্ধে ভরা যা আমার মতন একজন লোক যে জীবনে সিগারেট পান করেনি তার জন্য অনেক কষ্টের ছিল।আঙুল ছাপ ও চবি তুলতে আরও ৫ দিন যায়।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি হচ্ছে =৪,২৩০/=টাকা আমার কাছ থেকে দাবি করছে=৫,০০০/=টাকা আমি ওনাকে=৪,০০০/=টাকা দিয়েছি উনি এখন আমাকে ফোন করতেছে আর ও এক হাজার টাকার জন্য
As I couldn't submit holding tex recite,officer claimed 750 taka extra.
দিতেই হবে না দিলে জরিমানা হবে এবং বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে
আমার এক পরিচিত লোক সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর বিদ্যুৎ শাখার প্রধানের ড্রাইভার ছিলেন। তার মাধ্যমে আমি ঐ শাখার ওয়ার্ড সুপারভাইজার হিসেবে অফার পেয়েছি। টাকা দিতে অপারগতা জানালে, অন্য একজনকে নিয়োগ দেয়া হয়।
আমি জন্মনিবন্ধন সংশোধন আবেদন করি আমি একজন প্রবাসী কার সাথে ফোনে যোগাযোগ করার পর সে আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা চায় আমি তা দিতে চাই না সে আমার কাজটা পেন্ডিং এ রেখে দেয । প্রশাসনিক কর্মকর্তা জোন — জোন ৪
New Trade License application. Asked for 5000 taka, negotiated and pressurized to pay at least 1500 taka.
Mutation of Flat. Upon payment of the fixed 10,000 as determined by City Corporation, additional 7000/- has been paid to work done. The work has been done.
আমার জন্ম নিবন্ধন করানো আছে ২০০৯ সালে। কিন্তু অনলাইনে দেখায় না। এখন অনলাইনে দেখানোর জন্য নতুন করে জন্ম নিবন্ধন করতে বলল। এজন্য যাত্রাবাড়ি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আঞ্চলিক কার্যালয়ে কর্মরত কর্মচারী ২,৫০০/- টাকা চেয়েছে। তারপর, আমার এক বন্ধু যাত্রাবাড়িতে থাকে, তার মাধ্যমে অন্য একজনের কাছে খোঁজ নিয়েছি। তিনি ২,০০০/- টাকা চেয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে ২০ হাজার টাকা চেয়েছে কারণ হিসাবে বলেছে সাইনবোর্ড এর প্রতি স্কয়ার ফিট হিসাব করে ২০ হাজার টাকা আসে। অথচ সেইম সাইজের অন্যান্য দোকানের ট্রেড লাইসেন্স এ লাগে ১৫০০-২০০০ টাকা ।গত বছর ও ১৫০০ টাকায় করেছি এ বিছর রিনিউ করতে গেলে ২০ হাজার টাকা দাবি করে
ডেথ সার্টিফিকেট করতে দিয়েছিলাম বাসাবো কাউন্সিলরের অফিসে ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য সরকারি খরচ ২৫ থেকে ৫০ টাকা নির্ধারিত সেখানে ওই লোক ৩০০ টাকা রেখেছে কম্পিউটারের কিছু কাজ আছে এসব বলে অথচ আমি প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক করে নিয়ে গিয়েছিলাম ওয়ারিশান সার্টিফিকেট তোলার প্রয়োজন ছিল জানালে সে মেয়ে মানুষ, অসহায় ভেবে আরো খরচের হিসাব দেখিয়েছে। পরবর্তীতে আমি ওয়ারিশান সার্টিফিকেট না তুলেই চলে এসেছি।
আব্বা মারা যাওয়ার পর ২ দিনে করে দিছে।।।
আমার বাবা তার জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট আনতে গেলে তাকে বলে ১০০০ টাকা লাগবে। পরে সেই টাকা পরিশোধ করে। সার্টিফিকেট পাওয়ার পর বাসায় এসে দেখে তার ঠিকানা ভুল। পরে আবার সংশধন করতে গেলে আবার ১০০০ টাকা চায়। দায়িত্বরত সচিব বলছে যত বার ঠিক করবেন তত বার ১০০০ টাকা করে দিতে হবে।
আমার জন্মনিবন্ধন এ বাবার নাম ভুল ছিলো। বাবার নাম: মো আব্দুর রশিদ সংশোধিত নাম: — এই শুধু দীর্ঘ ই কার এর জন্য আমার কাছে মোট ১৫০০০ টাকা দফায় দফায় দাবি করা হয়, পরবর্তীতে আমি অনুনয় বিনয় করে ৭০০০ এ কাজটি করিয়ে ছিলাম
government allocated land mutation purposed city corporation officer several time asked ghush and panding 8 months not process due to not provdide ghush. after given ghush then worked within 15 days.
ট্রেড লাইসেন্স করার পরে, সেটাতে এখন সিগনেচার লাগে উপরোস্ত কর্মকর্তার, আমি সকালে দিয়ে আসি তারা বলে বিকেলে নিয়ে যেয়েন। আর খরচের টাকা দিয়ে যান ৫০০।