17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি নতুন সি এন্ড এফ লাইসেস্ন ২০২৬ পরীক্ষার আবেদনের জন্য নতুন ট্রেড লাইসেস্ন করতে গেলে নানা রকম আইনি জটিলতা ও বিভিন্ন দলিল যাহা এটার সাথে সামজস্য নয় এমন কাগজ দলিলাদি চাওয়া হয়। পরে তাদের বহিরাগত দালাল দরলে ৭০০০ টাকার বিনিময়ে সাথে সাথে আমার ট্রেড লাইসেস্ন হয়ে যায় যেটি কিনা অনেক সময় সাপেক্ষ।
নতুনভাবে সিটি কর্পোরশনের আন্ডারে যাওয়ার পর ভুল এসেসমেন্ট করে ট্যাক্স বেশি ধরছে। ওইগুলা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করার পর বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে একটা বিশেষ ছাড় পাওয়া যায় ট্যাক্সে সেটা করার জন্য ঘুষ দেওয়া লাগছে।
আস্কার দিঘীরপাড় আমার ফ্ল্যাটের আড়াই হাজার টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দেওয়ার জন্য আমার থেকে ৫৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
Basically, trade license korar shomoy bollo, 4700 taka lagbe, then trade license er copy te asche je 5000 taka lagbe and porer bochor renew korte 7000 taka lagbe, shekhane amar theke 9500 newa hoyeche nibondhon korar jonno, prothomdike taka na deway 1 week amake ghuray, je ajk peye jabe klk peye jaben bole, next week je 9,5 porishod korar por trade license 10 min er modhdhe diye dey. eta chilo head clerk and tar assistant. ghotona from mohammadpur.
আমি নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ডকুমেন্টস এর কথা জানতে চাই আমাকে বলে আপনের কিছু করা লাগবে না, শুধুমাত্র ছবি আর এনআইডি দিয়ে জান আর ৪০০০ টাকা দেন বাকি সব আমি করে দিতেছি।
ট্রেড লাইসেন্স বানাইতে যেয়ে আমাকে গুশ দিতে হয়,তাছারা বলেছে নাহলে ২ মাস সময় লাগবে
বাসার সেপটি ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য সিটি করপোরেশন এর গাড়ির জন্য আবেদন করেছিলাম। সেপটি ট্যাংক না দেখেই গাড়ি পাঠিয়ে দে, ১০ ভাগের এক ভাগ ও পরিষ্কার হয়নি। সরকারি বিল ৫০০০ টাকা, আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১১০০০ টাকা। পুরো স্ক্যাম করেছে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলাই নবায়ন কারি নামঃ — কে প্রতি বছর ১০০০ টাকা বেশি দিতে হয় Dhaka North City Corporation, Zone -1, Uttara ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, অঞ্চল-৮, উত্তরা
পার্টনারশিপ ট্রেড লাইসেন্স একজনের ফলে অন্যজন পরিবর্তন হবে সরকারি ফি ৮৫০ টাকা। ১০০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে আরো ৫০০ টাকা চাচ্ছে।
আমি birth certificate এর নাম সংশোধনের আবেদন করেছিলাম। আবেদন জমা + রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে সার্টিফিকেট করে নিয়ে আসার জন্যে ২০০ টাকা দাবি করা হয়। যেখানে সরকারি ফি ৫০ টাকা। অগত্যা উপায় না পেয়ে টাকা পরিশোধ করে সার্টিফিকেট তুলে নিয়ে এসেছি।
বাচ্চাদের টিকা জন প্রতি দশ টাকা নেয়া হচ্ছে সেটা সরাসরি স্বাস্থ্য বিভাগের একটি চিঠি ইস্যু করে
আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফী ১০,৩১৫ টাকা। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার কাছে ১১০০০ টাকা দাবী করে। সে বলে তার নাকি এক্সট্রা খরচ আছে। তাই তাকে ১১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
ওয়ারিশন সনদ এর জন্য ৬০০০টাকা দাবী করে এবং কম নিতে বলায় পেপার ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন । প্রায় ১.৫ মাস সময় নিয়ে ৮-১০ বার অফিসে গিয়ে তারপর কাগজ হাতে পাই।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডে নাগরিক সনদ, পারিবারিক সনদ নিতে গেলেই ওরা প্রতি দফায় টাকা নেয়।গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমার মায়ের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারিবারিক সনদ চায়,সেটা করতে গিয়ে ওয়ার্ড অফিসে সচিবকে টাকা দিতে হয় গাড়ি ভাড়া দিতে হয়, এভাবে ২/৩দফায় ১০০০টাকা দিয়েছি।
স্বাস্থ্য সনদ এর জন্য গেছিলাম, ১০০০ টাকা চাইছিলো, পরে ৩ জন ছিলাম ৪০০ টাকা দিয়ে স্বাস্থ্য সনদ নিয়েছি।
মোহাম্মদপুরের ট্রেড লাইসেন্স অফিসে গেলে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হবেই না, বিশেষ করে কর্মকর্তাদের কাছে গেলে তারা দালাল ধরায় দেয়।
ওয়ারিশান পেপার এর জন্য সরাসরি দাবি করেছেন এবং কম নিতে বলায় ফাইল ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন। প্রায় ১.৫ মাস পরে পেপার পেয়েছি।
দোকান রেজিস্ট্রেশন বাবত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর অঞ্চল ৫
শুধু বরিশাল ই না সকল সিটি কর্পোরেশনে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করা ও নবায়ন এর জন্য টাকা ঘুষ দিতে হয় । না দিলে নতুন লাইসেন্স পাওয়া যায়না না অনেক দেরি করে অথবা লাইসেন্স এর ক্যাটেগরি চেইঞ্জ করে অনেক বেশি ধরে । নবায়নের ক্ষেত্রেও মিনিমাম ১০০০/ টাকা না দিলে নবায়ন হয়না
ছোট ভাইয়ের জন্য নাগরিক সনদ নিতে ভাইকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে যওয়ার পর একটা ফর্ম দিয়ে বলে পূরণ করতে, পরে জমা দিতে গিয়ে গাড়িভাড়া বাবদ ২০০ টাকা চেয়ে বসে। যেহেতু হাতে সময় ছিল না জরুরি দরকার তাই কোন ঝামেলা না করে দিয়ে দেই। টাকা দেওয়ার পরে ফর্মের উপর একটা সাংকেতিক মার্ক করে। পরে বলে কালকের মধ্যে পেয়ে যাবেন ; জমা দেয়ার পরদিন বিকালে দিয়ে দেয় নাগরিক সনদ।