17,322 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ওইখানে সাধারণত ঘুষ ছাড়া ওরা সঠিক কাজ করে না তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দেওয়া লাগে ঘুষ নেয়ার জন্য বাইরে ওদের লোক থাকে
প্রায় ২ সপ্তাহ অফিসে ঘুরঘুরির পর তারা দাবি করে টাকা দিলে ফাইল প্রসেস হবে। এটা জাস্ট একটা এক্সাম্পল, এভাবে প্রতিটা স্টেপে হয়রানির স্বীকার আর টাকা দিতে হয়েছে। But it's their job, they are supposed to serve civilians that's why Govt. pay them monthly from civilians tax.
নতুন ফ্ল্যাট কর (Tax) নির্ধারণের সময় ঘুষ দিয়ে ট্যাক্স কমানোর প্রস্তাব। ঘুষ না দিলে ট্যাক্স বা বিল অনেক বেশি করা হবে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে
আমি অসুস্থ ছিলাম জরুরি চিকিৎসা করার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য আইডি কার্ড প্রয়োজন ছিল পাসপোর্ট করব এই জন্য বাধ্য হয়ে আমি দিয়েছিলাম একজন কমিশনার এই টাকাটি নিয়েছিল সিগনেচার করে আইডি কার্ডটি প্রসেসিং করে তৈরি করে দিয়েছিল তবে টাকাটি এপিএস সংগ্রহ করেছিলেন কমিশনারের।
ব্যাবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে আমার কাছে ৭০০০ টাকা এক্সটা দাবি করে। পরে ৫০০০ টাকা এক্সটা দিয়ে আমার ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়
নবায়ন করতে গিয়া নিদিষ্ট টাকার চেয়ে বেশি চাওয়া হয়েছিলো। পরিশোধ না করলে ট্রেড লাইসেন্স পেতে দেরি বা ভোগান্তি হতো, তাই দিয়ে দিয়েছি।
প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয় যা নিয়ে একাধিক বার অভিযোগ রিপোর্টে ও হয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার হয় নাই।
আমার সন্তানের নতুন ভোটার আইডি কাড করার জন্য। আমার কাছে সব ডকুমেন্ট ছিলো স্কুল সাটিফিকেট জন্ম নিবন্ধ, মারক সিট,বিদ্যুৎ বিল,সব থাকা সত্ত্বেও আমি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি।বার বার আমার পেপার রিজেক্ট করা হয়েছে শেমুলি অফিস থেকে। বাড়ি ভাড়া চুক্তি পত্র লাগবে দিলাম।আবার বাড়ি ওয়ালার সব কিছু লাগবে হোল্ডিং ফি,টেক্স পেপার ইত্যাদি। বাড়ি ওয়ালা এগুলো কোন ভাবেই দিবে না।আবার অফিসে গিয়েছি কোন পাত্তাই দিচ্ছে না জাস্ট বল্লো আপনার এলাকায় খোজ নিন।এলাকায় এসে খোজ নিলাম ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে ১টাকাও কম হবে না।বাদ্য হয়ে দিলাম কাজ শুরু করেছে ফোনে অফিসের কমকর্তাকে বলে দিয়েছে আগামীকাল একজন যাবে তার কাজ শেষ করে পাঠিয়ে দিবেন তারাতাড়ি। চমৎকার বিষয় হলো পরেরদিন অফিসে জেয়ে পেপার দেয়া হলো ৫মিনিট পর ছবি তুলে ছেড়ে দিয়েছে ২ দিনে ক
“ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,5865 টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত 5135 টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস”
৫০০০ টাকা না দিলে ফাইল তৈরি করবেন না। ফলে আমি প্রতিবছর হোল্ডিং ট্যাক্স ট্যাক্স দিতে পারব না। ঘুষ দেওয়াটা একটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোটামুটি সবাইকে দিতে হয়। কর কমানোর জন্য আপিল করতে দেওয়া হয়নি।
আমি আমার বাচ্চার জন্য জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করি। এবং ফর্মের সাথে সব ডকুমেন্টস নিয়ে প্রথমে কাউন্সিলরের অফিসে যাই । সেখানে সচিব একটা সীল দিবে তার জন্য ২০০/- টাকা দাবী করে । আমি টাকাটা দিতে চাচ্ছিলাম না। কিন্তু টাকা না দেয়ার কারনে আমার বাচ্চার ফাইল পড়েছিলো কয়েকদিন । পরে ২০০/- দিয়ে সিল দিয়ে নিয়ে যাই অফিসে । সেখানে ফাইল জমা দিতে গিয়ে দেখি আমার কাছে ২০০০/- টাকা দাবী করে জন্ম নিবন্ধনের জন্য । আমার জানামতে জন্ম নিবন্ধনের চার্জ ৫০/- টাকা (সরকারী) রেট। এটা নিয়ে আমার সাথে অনেক ঝামেলা করে। তারপর আর আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করা হলো না। কারন, আমি উনাদের ঘুষ দেইনি তাই। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আমরা কিভাবে কি করবো?
উত্তরা ১২ নং সেক্টর সিটি কর্পোরেশন অফিস ২ কর্মকর্তা নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার উপলক্ষে আমার দোকান ভিজিট করে। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কর ছিলো ২০০০/- টাকা কিন্তু তারা জানালেন ৫৩০০+ ব্যাংক জমা সহ মোট ৯০০০/- দাবি করে।
আমি একটু গুরুত্বপূর্ণ পেপার এর জন্য তারা আমাকে বলে সরকারি ফি ৩০০০৳ পারলে তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বিকাশ এ পাঠা তে পারি বললো আমি নগদ দিয়ে আসলাম । না দিলে যে কাজ করে দিচ্ছিল না মাধবদী পৌরসভা হতে তাই।
বিদেশে কোম্পানির লিয়াজো অফিস লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি | অপ্রয়োজনীয় অনেকগুলো ডকুমেন্ট দাবি করে এর সাথে সংযুতি করার জন্য | অপারগতা প্রকাশ করলে ছয় হাজার টাকার বিনিময়ে দফারফা হয়ে যায় | এজন্য শুধু টাকা যায়নি আমার বাড়তি 5 দিন অফিসে সময় নষ্ট করে যেতে হয়েছে |
সিটির অটোরিকশা শৃঙ্খলায় নিয়ে আসার নাম করে চিকন চাকার রিকশা: ৫,৪০০টি অজানা মোটা চাকার মিশুক: ৫,৫৭১টি ×৮০০= 4,456,800 লম্বা অটোরিকশা: ৫,৯৬৮টি ×১৫০০=8,952,000 এবং চালক ১১৫৩৯× ৫০০=5,769,500 সর্ব মোট= 20,178,300 টাকা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু টাকার রশিদ দেওয়া হয়নি। টাকার রশিদ ছাড়া টাকা আদায় একটা দুর্নীতি। একটি টোকেন দেওয়া হয়েছে টোকেনে টাকার কথা উল্লেখ নেই। যে সেবার জন্য নেওয়া হোক রিসিপ্টে টাকার কথা উল্লেখ থাকতে হবে না হলে স্পষ্ট দুর্নীতি। 2 কোটি 17 লক্ষ 8হাজার 300 টাকার দুর্নীতি হয়েছে। নোট: অটোরিকশার সংখ্যা। টাকার পরিমাণ ঠিক আছে। আমি নিজে একটা অটোর জন্য অপারেশন টাকা পরিশোধ করেছি। এবং আমার ড্রাইভার 500 টাকা পরিশোধ করেছে।
কাগজ পাতি তে তারা ভুল ধরে এবং, বলে হবেনা তারপর বলে কিছু টাকা দিলে কাজ হবে নাহলে হবেনা।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি বলছে বাড়ির মিটারে কাগজ লাগবে খতিয়ান লাগবে টেক্স রশিদ কিন্তু আমি তো ভাড়া বাসায় থাকি এগুলা কি বাড়ি ওলা দিবে।পরে বলে।এই টাকা দেন দেখি করে দিবো।
জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংলিশ করতে সরকারি কোনো ফ্রি লাগেনা, কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করেছে তা না পরিশোধ করলে আমাকে সেই সেবাটি দিবে না, এবং আমাকে কাগজ পাতির অনেক হয়রানি করেছে
জামালপুর জেলায়, ইসলামপুর থানায়, প্রশানের জড়িত প্রতিদিন ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি হচ্ছে,ঢাকার মূল টিকিট ১২০ টাকা সেখানে ৪ টা টিকিট কাটার পর একটা সিট দিচ্ছে,সাথে কম দুরুতবের টিকিট গুলোর দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুন টাকা নিচ্ছে সাথে ১ করে সিট প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এর ভুক্তভোগি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন
আমার মায়ের নতুন জন্ম নিবন্ধন, এবং আমার জন্ম নিবন্ধন, সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে করতে হয়েছে,